ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

বৃষ্টির অজুহাতে, আকাশ ছুঁয়েছে সবজির দাম

বিপ্লব সাহা, খুলনা:   বেশ কয়েকদিন লাগাতার ভারী বৃষ্টির কারণে অসহনীয় পর্যায়ে বেড়েছে সবজির দাম আবারও  আগুন লেগেছে কাঁচামরিচে গায়ে কেজি ৪০০ টাকা।
ব্যবসায়ীদের অজুহাত নদীর জলোচ্ছ্বাস প্রাকৃতিক দুর্যোগ লাগাতার বৃষ্টির পানিতে  ডুবে গেছে ফসলের মাঠ পঁচে গেছে মাঠের পর মাঠ  ফলন ধারি ফসল ফলে মাথায় হাত উঠেছে কৃষকদের, এরই মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তর শ্রাবণ ধারা বৃষ্টি নিয়ে দিয়েছে আগাম  দুঃসংবাদ।
একই সাথে দেশের সাধারণ মানুষের আয় উপার্জনের ওপর নির্ভর করে খরচের ক্ষেত্রে চলছে অভাব অনটন  ফলে এই মুহূর্তে দ্রব্যমূল্যর পাগলা ঘোড়ার লাগাম টেনে ধরতে না পারলে আয়ের ওপর নিত্যদিনের খরচের  সামঞ্জস্য রাখতে মূর্চ্ছা যাচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষদের। কারণ বর্তমানে বাজারে গেলেই ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকার নিচে  কোন ধরনের  সবজি মিলছে না। সাথে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে  কাঁচা মরিচের তালমাতাল অবস্থা সর্বশেষ ৪০০ টাকা ঠেকেছে কেজিতে। তাও মাঝেমধ্যে সরবরাহের অভাবে বাজারে সংকট দেখা দিচ্ছে। অপরদিকে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারের একজন ক্রেতা বলেন
১ হাজার  টাকা নিয়ে সবজি বাজারে ঢুকলে মাত্র কয়েক পদের সবজি কিনলেই পকেট ফাঁকা হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে মাছ-মাংস আমাদের মতন মানুষদের কাছে থেকে যাচ্ছে সাদ সাধ্যের বাইরে।
এ সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিস্থিতি বুঝমান কিছু ব্যক্তি বলেন বর্তমানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নদীতে পানি বৃদ্ধি ও লাগাতার বৃষ্টির কারণে কৃষকের মাঠ ভরা ফসল ডুবে গিয়ে ক্ষতি করেছে যার কারনে সবজি ও তরি-তরকারির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু অন্যান্য পণ্য সামগ্রী অবৈধ কালো বাজারী সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত দাম হাকালেও তাদের নিয়ন্ত্রণ করার মতন ভোক্তা অধিকার সংস্থা থাকলেও নেই তাদের কোন তৎপরতা ফলে ইচ্ছা স্বাধীনমতন স্বেচ্ছাচারিতা করছে ব্যবসায়ীরা।
এ সময় নগরীর শেখপাড়া বাজারে বাজার করতে আসা খুলনা নাগরিক ফোরামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা গণমাধ্যমকে বলেন দেশের  সাধারণ মানুষের আয় উপার্জন না বাড়লেও নিত্য পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। সামগ্রিকভাবে দাম বেড়েছে আলু, বেগুন, কাঁচা, মরিচ, ধনেপাতা সহ প্রায় সব ধরনের সবজি আকাশ ছোঁয়া দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে  দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
এ যেন মধ্যস্বত্বভোগীদের দেশ। দিনের সময় আরো বলেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ তো রয়েছেই সাথে বর্তমানে সড়ক মহাসড়কে চাঁদাবাজি পুলিশের উৎপাত সহ নানান ঝামেলায় মধ্যম শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা আর এসব কিছুর কারণে কৃষকদের ২০ থেকে ২৫ টাকার ফসল ক্রেতার হাতে পৌঁছাতে দাম উঠে যায় ১০০ টাকার ওপরে। এদিকে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা যেমন থাকে লোকসানে তেমনি সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।
বাস্তবিক পক্ষে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান ও ভারত থেকে ডিম আমদানি অনুমতি দেওয়ার ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কিছুটা কমে ১৬০ টাকা ডজন হয়েছে। মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা ২৬০ টাকার সোনালি মুরগি ৩০০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকায় ঠেকেছে  কাঁচা মরিচ কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকার কমে মিলছে না।পিয়াজের ও আগের তুলনায় দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ-মাংস চাউলের দাম। গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাজারে সরজমিনে দেখা গেছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার কমে কোন সবজিই নাই।  মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে শাকের দাম আটিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে বেগুন ১২০ থেকে ১৬০ টাকা হয়ে গেছে পটল ৮০ থেকে  ৯০ টাকা, ঢ্যারশ ৮০ টাকা ধুন্দল যা গত এক সপ্তাহ আগেও মাইকিং করে ২০ টাকা কেজি বিক্রি করতে দেখা গেলেও  তা এখন ৯০ থেকে ১০০ টাকায় মিলছে না। একটু ভালো মানের পেপে কিনতে গেলে ৫০ টাকা শসার কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা বরবটি, ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, গাজর ১৬০ টাকা, সিম ১৩০ থেকে ২৫০ টাকা, টমেটো ২৪০ টাকা, লাউ, চালকুমড়া, পিস ১০০ টাকা ছুঁয়েছে পাতাকপি প্রতি কেজি ৮০ টাকা। পুঁইশাক  এখন আর  কেজিতে বিক্রি হচ্ছে না বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা আটিতে । প্রতিনিয়ত দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে বিক্রেতারা বলেন সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে কখনো হচ্ছে ভারী বৃষ্টি এজন্য ক্ষেত  থেকে তোলা যাচ্ছে না ফসল।
ফলে সরবরাহ কমে গেছে বাজারে। সারাদেশ থেকে  সবজি আসছে না তাই আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। পেঁয়াজ কেজি ১২০ থেকে ১২০ টাকা। বাড়তি দামের ব্যাপারে নগরীর বড় বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন হঠাৎ করে ছোলার দাম বেড়ে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে মুগডালের দামও বাড়তি ১৮০ টাকা কেজি সিন্ডিকেট করে সব জিনিসের দাম বাড়ছে। এখন তো রমজান মাস নেই তাহলে ছোলার দাম বাড়ে কেন তেল চিনির দামও কমছে না। এদিকে বিক্রেতারা জানান আগের সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করা হলেও রোববার তা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিও আমদানি করা পেঁয়াজ ১১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
আলু গতানুগতিক ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে রসুন দুইশ থেকে ২৪০ টাকা আদার দামও বেড়েছে তা ৩১০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। একই সাথে নগরীর বিভিন্ন বিক্রেতারা জানান আগের মতই মসুর ডাল ১১০থেকে ১৩৫ টাকা ছোলা ১৪০ টাকা কেজি ২ কেজি ওজনের প্যাকেট আটা ১০০ থেকে ১৩০ টাকা খোলা আটা ৪০ টাকা কেজি। সবকিছু মিলে সাধারণ মানুষদের আক্ষেপ দেশে নির্বাচিত সরকার থাকলে তাদের খেয়ালখুশি মতন স্বেচ্ছাচারিতা করেছে। এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন করে দেশের হাল ধরলেও তারা ও তাদের নিজ গতিতে অন্য কাজ করলেও তদারকি নাই সাধারন মানুষের খেয়ে  বেঁচে থাকা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দিকে। আবার এদিকে দেশের দিন দিন কাজ কর্মের চাহিদা ও কমে যাচ্ছে শ্রমিক বেকার হচ্ছে ফলে তাদের দিন চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :

মোদি সরকারের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ ‘তেলাপোকা’ আন্দোলনের সাফল্যে

28 July 2026

উলিপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও অফিস সহায়কদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

বৃষ্টির অজুহাতে, আকাশ ছুঁয়েছে সবজির দাম

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
বিপ্লব সাহা, খুলনা:   বেশ কয়েকদিন লাগাতার ভারী বৃষ্টির কারণে অসহনীয় পর্যায়ে বেড়েছে সবজির দাম আবারও  আগুন লেগেছে কাঁচামরিচে গায়ে কেজি ৪০০ টাকা।
ব্যবসায়ীদের অজুহাত নদীর জলোচ্ছ্বাস প্রাকৃতিক দুর্যোগ লাগাতার বৃষ্টির পানিতে  ডুবে গেছে ফসলের মাঠ পঁচে গেছে মাঠের পর মাঠ  ফলন ধারি ফসল ফলে মাথায় হাত উঠেছে কৃষকদের, এরই মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তর শ্রাবণ ধারা বৃষ্টি নিয়ে দিয়েছে আগাম  দুঃসংবাদ।
একই সাথে দেশের সাধারণ মানুষের আয় উপার্জনের ওপর নির্ভর করে খরচের ক্ষেত্রে চলছে অভাব অনটন  ফলে এই মুহূর্তে দ্রব্যমূল্যর পাগলা ঘোড়ার লাগাম টেনে ধরতে না পারলে আয়ের ওপর নিত্যদিনের খরচের  সামঞ্জস্য রাখতে মূর্চ্ছা যাচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষদের। কারণ বর্তমানে বাজারে গেলেই ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকার নিচে  কোন ধরনের  সবজি মিলছে না। সাথে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে  কাঁচা মরিচের তালমাতাল অবস্থা সর্বশেষ ৪০০ টাকা ঠেকেছে কেজিতে। তাও মাঝেমধ্যে সরবরাহের অভাবে বাজারে সংকট দেখা দিচ্ছে। অপরদিকে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারের একজন ক্রেতা বলেন
১ হাজার  টাকা নিয়ে সবজি বাজারে ঢুকলে মাত্র কয়েক পদের সবজি কিনলেই পকেট ফাঁকা হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে মাছ-মাংস আমাদের মতন মানুষদের কাছে থেকে যাচ্ছে সাদ সাধ্যের বাইরে।
এ সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিস্থিতি বুঝমান কিছু ব্যক্তি বলেন বর্তমানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নদীতে পানি বৃদ্ধি ও লাগাতার বৃষ্টির কারণে কৃষকের মাঠ ভরা ফসল ডুবে গিয়ে ক্ষতি করেছে যার কারনে সবজি ও তরি-তরকারির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু অন্যান্য পণ্য সামগ্রী অবৈধ কালো বাজারী সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত দাম হাকালেও তাদের নিয়ন্ত্রণ করার মতন ভোক্তা অধিকার সংস্থা থাকলেও নেই তাদের কোন তৎপরতা ফলে ইচ্ছা স্বাধীনমতন স্বেচ্ছাচারিতা করছে ব্যবসায়ীরা।
এ সময় নগরীর শেখপাড়া বাজারে বাজার করতে আসা খুলনা নাগরিক ফোরামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা গণমাধ্যমকে বলেন দেশের  সাধারণ মানুষের আয় উপার্জন না বাড়লেও নিত্য পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। সামগ্রিকভাবে দাম বেড়েছে আলু, বেগুন, কাঁচা, মরিচ, ধনেপাতা সহ প্রায় সব ধরনের সবজি আকাশ ছোঁয়া দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে  দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
এ যেন মধ্যস্বত্বভোগীদের দেশ। দিনের সময় আরো বলেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ তো রয়েছেই সাথে বর্তমানে সড়ক মহাসড়কে চাঁদাবাজি পুলিশের উৎপাত সহ নানান ঝামেলায় মধ্যম শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা আর এসব কিছুর কারণে কৃষকদের ২০ থেকে ২৫ টাকার ফসল ক্রেতার হাতে পৌঁছাতে দাম উঠে যায় ১০০ টাকার ওপরে। এদিকে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা যেমন থাকে লোকসানে তেমনি সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।
বাস্তবিক পক্ষে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান ও ভারত থেকে ডিম আমদানি অনুমতি দেওয়ার ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কিছুটা কমে ১৬০ টাকা ডজন হয়েছে। মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা ২৬০ টাকার সোনালি মুরগি ৩০০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকায় ঠেকেছে  কাঁচা মরিচ কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকার কমে মিলছে না।পিয়াজের ও আগের তুলনায় দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ-মাংস চাউলের দাম। গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাজারে সরজমিনে দেখা গেছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার কমে কোন সবজিই নাই।  মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে শাকের দাম আটিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে বেগুন ১২০ থেকে ১৬০ টাকা হয়ে গেছে পটল ৮০ থেকে  ৯০ টাকা, ঢ্যারশ ৮০ টাকা ধুন্দল যা গত এক সপ্তাহ আগেও মাইকিং করে ২০ টাকা কেজি বিক্রি করতে দেখা গেলেও  তা এখন ৯০ থেকে ১০০ টাকায় মিলছে না। একটু ভালো মানের পেপে কিনতে গেলে ৫০ টাকা শসার কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা বরবটি, ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, গাজর ১৬০ টাকা, সিম ১৩০ থেকে ২৫০ টাকা, টমেটো ২৪০ টাকা, লাউ, চালকুমড়া, পিস ১০০ টাকা ছুঁয়েছে পাতাকপি প্রতি কেজি ৮০ টাকা। পুঁইশাক  এখন আর  কেজিতে বিক্রি হচ্ছে না বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা আটিতে । প্রতিনিয়ত দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে বিক্রেতারা বলেন সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে কখনো হচ্ছে ভারী বৃষ্টি এজন্য ক্ষেত  থেকে তোলা যাচ্ছে না ফসল।
ফলে সরবরাহ কমে গেছে বাজারে। সারাদেশ থেকে  সবজি আসছে না তাই আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। পেঁয়াজ কেজি ১২০ থেকে ১২০ টাকা। বাড়তি দামের ব্যাপারে নগরীর বড় বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন হঠাৎ করে ছোলার দাম বেড়ে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে মুগডালের দামও বাড়তি ১৮০ টাকা কেজি সিন্ডিকেট করে সব জিনিসের দাম বাড়ছে। এখন তো রমজান মাস নেই তাহলে ছোলার দাম বাড়ে কেন তেল চিনির দামও কমছে না। এদিকে বিক্রেতারা জানান আগের সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করা হলেও রোববার তা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিও আমদানি করা পেঁয়াজ ১১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
আলু গতানুগতিক ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে রসুন দুইশ থেকে ২৪০ টাকা আদার দামও বেড়েছে তা ৩১০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। একই সাথে নগরীর বিভিন্ন বিক্রেতারা জানান আগের মতই মসুর ডাল ১১০থেকে ১৩৫ টাকা ছোলা ১৪০ টাকা কেজি ২ কেজি ওজনের প্যাকেট আটা ১০০ থেকে ১৩০ টাকা খোলা আটা ৪০ টাকা কেজি। সবকিছু মিলে সাধারণ মানুষদের আক্ষেপ দেশে নির্বাচিত সরকার থাকলে তাদের খেয়ালখুশি মতন স্বেচ্ছাচারিতা করেছে। এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন করে দেশের হাল ধরলেও তারা ও তাদের নিজ গতিতে অন্য কাজ করলেও তদারকি নাই সাধারন মানুষের খেয়ে  বেঁচে থাকা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দিকে। আবার এদিকে দেশের দিন দিন কাজ কর্মের চাহিদা ও কমে যাচ্ছে শ্রমিক বেকার হচ্ছে ফলে তাদের দিন চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card