সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের অনুমোদনক্রমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮০ (সংশোধিত আইন, ২০১০)-এর ১১ (ক) (১) ধারা অনুসারে অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনকে আগামী ৪ বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।নিয়োগের সুবিধাদি ও শর্তাবলী মেয়াদ: যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ৪ বছর অথবা তার স্বাভাবিক অবসর গ্রহণের তারিখ—যেটি আগে আসবে, সে সময় পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। বেতন ও সুবিধা: তিনি তার পূর্বের পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট সকল সুবিধা প্রাপ্য হবেন। ক্যাম্পাসে অবস্থান তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও সংবিধি অনুযায়ী নির্ধারিত এবং ভাইস-চ্যান্সেলর (উপাচার্য) কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব তিনি পালন করবেন। বাতিল ক্ষমতা: মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবেন।
অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন। নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একাধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক,বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং কলা অনুষদের ডিন হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি নিবন্ধিত বিএনপিপন্থী শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। পেশাজীবী সংগঠন ও শিক্ষক রাজনীতিতে তিনি অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন: জিয়া পরিষদ: ২০১৭ সালের ১৯ জানুয়ারি থেকে তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শের সংগঠন ‘জিয়া পরিষদ’-এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি: তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদের সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজ্জাক বিশ্বাস, কুষ্টিয়া 


















