দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক: বাসে ‘চোর’ অপবাদ দিয়ে মারধর, আটকে রাখার চেষ্টা এবং ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রতাপ বাজার বিএনপি কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সভার আয়োজন করেন। ভুক্তভোগী হিসেবে ভৈরবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বেল্লাল হোসেন মৃধা দাবি করেন, গত বৃহস্পতিবার বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাসে আসন নিয়ে বাসকর্মীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বরিশাল গেট এলাকায় বাস থামলে তাকে ‘চোর’ অপবাদ দিয়ে মারধর ও আটকে রাখার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরে হাইওয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং মুকসুদপুর থানায় নেওয়া হয় বলে জানান তিনি। বেল্লালের অভিযোগ, মারধরের সময় তাকে একটি ব্যাগ কাটার সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করে ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় মুকসুদপুর থানায় মামলা হয়েছে বলে জানান বেল্লাল।
মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে এবং পরে আদালত থেকে তিনি জামিন পেয়েছেন বলেও দাবি করেন। তবে মামলার অভিযোগের বিস্তারিত ও আদালতের আদেশ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবাদ সভা থেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, ভিডিওটির উৎস শনাক্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত; কাউকে মারধর বা অপমান করে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
সভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন। বেল্লাল হোসেন মৃধা বলেন, আমি কোনো অপরাধ করে থাকলে আইন অনুযায়ী আমার বিচার হোক। কিন্তু আমাকে মারধর করে ‘চোর’ বানিয়ে ভিডিও ছড়িয়ে হেয়প্রতিপন্ন করার অধিকার কারও নেই। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাই।
এ বিষয়ে সোহাগ পরিবহন কর্তৃপক্ষ, মামলার বাদী ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন। বেল্লাল হোসেন মৃধা বলেন, আমি কোনো অপরাধ করে থাকলে আইন অনুযায়ী আমার বিচার হোক। কিন্তু আমাকে মারধর করে ‘চোর’ বানিয়ে ভিডিও ছড়িয়ে হেয়প্রতিপন্ন করার অধিকার কারও নেই। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাই।
এ বিষয়ে সোহাগ পরিবহন কর্তৃপক্ষ, মামলার বাদী ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক 






















