ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটের তারিখ ঘোষণা করলেন : নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

মৃণাল চৌধুরী সৈকত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট আগামী ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর।
তবে প্রাথমিক এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকের পর চূড়ান্ত হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ৬৩ জেলার ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে উপনির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ঠাকুরগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এই জেলা থাকবে দ্বিতীয় ধাপে।
তিনি আরো বলেন, দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপে, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ এবং ২৭ মে সপ্তম ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, বিভিন্ন পরীক্ষা, দুর্গাপূজা, রমজান ও ঈদের সময় বিবেচনায় নিয়ে ৭ ধাপে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে প্রাথমিক এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আন্ত বিভাগীয় বৈঠকের পর চূড়ান্ত হবে।
এ সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২৭২টির নির্বাচন আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করবে কমিশন।
আইন সংশোধনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনের নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না আসে, তবে বর্তমান ও বিদ্যমান আইনের ওপর ভিত্তি করেই কমিশন নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করবে। এতে নির্ধারিত সময়ে ভোট অনুষ্ঠানে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

সহকারী জজ আদালত সাদুল্লাপুরে ১০-মাস বিচারক নেই: স্থবির ৪ হাজার মামলা

14 September 2026

কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময়

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটের তারিখ ঘোষণা করলেন : নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:২৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৃণাল চৌধুরী সৈকত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট আগামী ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর।
তবে প্রাথমিক এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকের পর চূড়ান্ত হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ৬৩ জেলার ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে উপনির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ঠাকুরগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এই জেলা থাকবে দ্বিতীয় ধাপে।
তিনি আরো বলেন, দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপে, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ এবং ২৭ মে সপ্তম ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, বিভিন্ন পরীক্ষা, দুর্গাপূজা, রমজান ও ঈদের সময় বিবেচনায় নিয়ে ৭ ধাপে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে প্রাথমিক এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আন্ত বিভাগীয় বৈঠকের পর চূড়ান্ত হবে।
এ সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২৭২টির নির্বাচন আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করবে কমিশন।
আইন সংশোধনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনের নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না আসে, তবে বর্তমান ও বিদ্যমান আইনের ওপর ভিত্তি করেই কমিশন নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করবে। এতে নির্ধারিত সময়ে ভোট অনুষ্ঠানে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।

Share this news as a Photo Card