ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

সহকারী জজ আদালত সাদুল্লাপুরে ১০-মাস বিচারক নেই: স্থবির ৪ হাজার মামলা

মজনু মিয়া, গাইবান্ধা:    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো স্থায়ী বিচারক নেই। এতে দেওয়ানী, পারিবারিক ও ভূমি বিরোধ সংক্রান্ত প্রায় ৪ হাজার মামলার বিচারিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। নির্ধারিত ধার্য তারিখে দূর-দূরান্ত থেকে এসে বাদী-বিবাদীদের কেবল হাজিরা ও পরবর্তী তারিখ নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। ফলে সময় ও অর্থের অপচয়ের সাথে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা।
আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বরে সহকারী জজ আবু রায়হান কুড়িগ্রামে বদলি হওয়ার পর থেকে এই পদটি ফাঁকা রয়েছে। বর্তমানে পলাশবাড়ী সহকারী জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও নিজ আদালতের কাজের চাপে সাদুল্লাপুরের মামলার নিয়মিত শুনানি গ্রহণ করতে পারছেন না।
দৈনিক কার্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি মামলা শুনানির তালিকায় থাকে। এরমধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক, নিষেধাজ্ঞা ও বাটোয়ারার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। তবে বিচারক না থাকায় মাসের পর মাস একই অবস্থায় পড়ে রয়েছে মামলাগুলো।
আদালতের এই অচলাবস্থা নিরসনে গত ২৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ফিহাদ সরকার। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আদালতটির অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরও বন্ধ। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়া বিচারপ্রার্থীদের যাতায়াত খরচ জোগাতেই নিঃস্ব হতে হচ্ছে।
‘শুধু হাজিরা আর তারিখ’ আদালত প্রাঙ্গণে এ নিয়ে কথা হয় বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে। উপজেলার বনগ্রামের আসমা বেগম জানান, দুই বছর আগে করা পারিবারিক নির্যাতনের মামলায় বিচারক না থাকায় কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। খোদেজা বেগম নামের ৭০ বছর বয়সী এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি বাটোয়ারা মামলা নিয়ে ২০ বছর ধরে ঘুরছেন তিনি। মামলাটি যুক্তিতর্ক পর্যায়ে থাকলেও গত ১০ মাস ধরে কোনো শুনানি হচ্ছে না।
আইনজীবীরা জানান, নিয়মিত বিচারক না থাকায় তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিব্রত হচ্ছেন। জেলা বারের আইনজীবী অমল কুমার দাস বলেন, তার দু’টি মামলার দীর্ঘসূত্রতায় বিচার চলাকালেই বাদী-বিবাদী মারা গেছেন। অন্য আইনজীবী আশরাফুল আলম রঞ্জু বলেন, বিচারিক কার্যক্রম এভাবে থমকে থাকলে আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।
আদালতের অফিস সহকারী আনিছুর রহমান জানান, বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার মামলা বিচারাধীন। বিচারক না থাকায় অধিকাংশ মামলায় শুধু হাজিরা ও পিটিশন গ্রহণ করে পরবর্তী তারিখ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় আইনজীবী ও ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সাদুল্লাপুর আদালতে একজন স্থায়ী বিচারক পদায়নের জন্য আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তপে দাবী করেছেন।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো স্থায়ী বিচারক নেই। এতে দেওয়ানী, পারিবারিক ও ভূমি বিরোধ সংক্রান্ত প্রায় ৪ হাজার মামলার বিচারিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। নির্ধারিত ধার্য তারিখে দূর-দূরান্ত থেকে এসে বাদী-বিবাদীদের কেবল হাজিরা ও পরবর্তী তারিখ নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। ফলে সময় ও অর্থের অপচয়ের সাথে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা।

আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বরে সহকারী জজ আবু রায়হান কুড়িগ্রামে বদলি হওয়ার পর থেকে এই পদটি ফাঁকা রয়েছে। বর্তমানে পলাশবাড়ী সহকারী জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও নিজ আদালতের কাজের চাপে সাদুল্লাপুরের মামলার নিয়মিত শুনানি গ্রহণ করতে পারছেন না।
দৈনিক কার্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি মামলা শুনানির তালিকায় থাকে। এরমধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক, নিষেধাজ্ঞা ও বাটোয়ারার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। তবে বিচারক না থাকায় মাসের পর মাস একই অবস্থায় পড়ে রয়েছে মামলাগুলো।
আদালতের এই অচলাবস্থা নিরসনে গত ২৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ফিহাদ সরকার। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আদালতটির অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরও বন্ধ। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়া বিচারপ্রার্থীদের যাতায়াত খরচ জোগাতেই নিঃস্ব হতে হচ্ছে।
‘শুধু হাজিরা আর তারিখ’ আদালত প্রাঙ্গণে এ নিয়ে কথা হয় বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে। উপজেলার বনগ্রামের আসমা বেগম জানান, দুই বছর আগে করা পারিবারিক নির্যাতনের মামলায় বিচারক না থাকায় কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। খোদেজা বেগম নামের ৭০ বছর বয়সী এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি বাটোয়ারা মামলা নিয়ে ২০ বছর ধরে ঘুরছেন তিনি। মামলাটি যুক্তিতর্ক পর্যায়ে থাকলেও গত ১০ মাস ধরে কোনো শুনানি হচ্ছে না।
আইনজীবীরা জানান, নিয়মিত বিচারক না থাকায় তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিব্রত হচ্ছেন। জেলা বারের আইনজীবী অমল কুমার দাস বলেন, তার দু’টি মামলার দীর্ঘসূত্রতায় বিচার চলাকালেই বাদী-বিবাদী মারা গেছেন। অন্য আইনজীবী আশরাফুল আলম রঞ্জু বলেন, বিচারিক কার্যক্রম এভাবে থমকে থাকলে আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।
আদালতের অফিস সহকারী আনিছুর রহমান জানান, বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার মামলা বিচারাধীন। বিচারক না থাকায় অধিকাংশ মামলায় শুধু হাজিরা ও পিটিশন গ্রহণ করে পরবর্তী তারিখ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় আইনজীবী ও ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সাদুল্লাপুর আদালতে একজন স্থায়ী বিচারক পদায়নের জন্য আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তপে দাবী করেছেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

সহকারী জজ আদালত সাদুল্লাপুরে ১০-মাস বিচারক নেই: স্থবির ৪ হাজার মামলা

14 September 2026

কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময়

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

সহকারী জজ আদালত সাদুল্লাপুরে ১০-মাস বিচারক নেই: স্থবির ৪ হাজার মামলা

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৬:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মজনু মিয়া, গাইবান্ধা:    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো স্থায়ী বিচারক নেই। এতে দেওয়ানী, পারিবারিক ও ভূমি বিরোধ সংক্রান্ত প্রায় ৪ হাজার মামলার বিচারিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। নির্ধারিত ধার্য তারিখে দূর-দূরান্ত থেকে এসে বাদী-বিবাদীদের কেবল হাজিরা ও পরবর্তী তারিখ নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। ফলে সময় ও অর্থের অপচয়ের সাথে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা।
আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বরে সহকারী জজ আবু রায়হান কুড়িগ্রামে বদলি হওয়ার পর থেকে এই পদটি ফাঁকা রয়েছে। বর্তমানে পলাশবাড়ী সহকারী জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও নিজ আদালতের কাজের চাপে সাদুল্লাপুরের মামলার নিয়মিত শুনানি গ্রহণ করতে পারছেন না।
দৈনিক কার্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি মামলা শুনানির তালিকায় থাকে। এরমধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক, নিষেধাজ্ঞা ও বাটোয়ারার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। তবে বিচারক না থাকায় মাসের পর মাস একই অবস্থায় পড়ে রয়েছে মামলাগুলো।
আদালতের এই অচলাবস্থা নিরসনে গত ২৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ফিহাদ সরকার। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আদালতটির অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরও বন্ধ। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়া বিচারপ্রার্থীদের যাতায়াত খরচ জোগাতেই নিঃস্ব হতে হচ্ছে।
‘শুধু হাজিরা আর তারিখ’ আদালত প্রাঙ্গণে এ নিয়ে কথা হয় বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে। উপজেলার বনগ্রামের আসমা বেগম জানান, দুই বছর আগে করা পারিবারিক নির্যাতনের মামলায় বিচারক না থাকায় কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। খোদেজা বেগম নামের ৭০ বছর বয়সী এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি বাটোয়ারা মামলা নিয়ে ২০ বছর ধরে ঘুরছেন তিনি। মামলাটি যুক্তিতর্ক পর্যায়ে থাকলেও গত ১০ মাস ধরে কোনো শুনানি হচ্ছে না।
আইনজীবীরা জানান, নিয়মিত বিচারক না থাকায় তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিব্রত হচ্ছেন। জেলা বারের আইনজীবী অমল কুমার দাস বলেন, তার দু’টি মামলার দীর্ঘসূত্রতায় বিচার চলাকালেই বাদী-বিবাদী মারা গেছেন। অন্য আইনজীবী আশরাফুল আলম রঞ্জু বলেন, বিচারিক কার্যক্রম এভাবে থমকে থাকলে আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।
আদালতের অফিস সহকারী আনিছুর রহমান জানান, বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার মামলা বিচারাধীন। বিচারক না থাকায় অধিকাংশ মামলায় শুধু হাজিরা ও পিটিশন গ্রহণ করে পরবর্তী তারিখ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় আইনজীবী ও ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সাদুল্লাপুর আদালতে একজন স্থায়ী বিচারক পদায়নের জন্য আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তপে দাবী করেছেন।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো স্থায়ী বিচারক নেই। এতে দেওয়ানী, পারিবারিক ও ভূমি বিরোধ সংক্রান্ত প্রায় ৪ হাজার মামলার বিচারিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। নির্ধারিত ধার্য তারিখে দূর-দূরান্ত থেকে এসে বাদী-বিবাদীদের কেবল হাজিরা ও পরবর্তী তারিখ নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। ফলে সময় ও অর্থের অপচয়ের সাথে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা।

আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বরে সহকারী জজ আবু রায়হান কুড়িগ্রামে বদলি হওয়ার পর থেকে এই পদটি ফাঁকা রয়েছে। বর্তমানে পলাশবাড়ী সহকারী জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও নিজ আদালতের কাজের চাপে সাদুল্লাপুরের মামলার নিয়মিত শুনানি গ্রহণ করতে পারছেন না।
দৈনিক কার্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি মামলা শুনানির তালিকায় থাকে। এরমধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক, নিষেধাজ্ঞা ও বাটোয়ারার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। তবে বিচারক না থাকায় মাসের পর মাস একই অবস্থায় পড়ে রয়েছে মামলাগুলো।
আদালতের এই অচলাবস্থা নিরসনে গত ২৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ফিহাদ সরকার। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আদালতটির অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরও বন্ধ। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়া বিচারপ্রার্থীদের যাতায়াত খরচ জোগাতেই নিঃস্ব হতে হচ্ছে।
‘শুধু হাজিরা আর তারিখ’ আদালত প্রাঙ্গণে এ নিয়ে কথা হয় বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে। উপজেলার বনগ্রামের আসমা বেগম জানান, দুই বছর আগে করা পারিবারিক নির্যাতনের মামলায় বিচারক না থাকায় কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। খোদেজা বেগম নামের ৭০ বছর বয়সী এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি বাটোয়ারা মামলা নিয়ে ২০ বছর ধরে ঘুরছেন তিনি। মামলাটি যুক্তিতর্ক পর্যায়ে থাকলেও গত ১০ মাস ধরে কোনো শুনানি হচ্ছে না।
আইনজীবীরা জানান, নিয়মিত বিচারক না থাকায় তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিব্রত হচ্ছেন। জেলা বারের আইনজীবী অমল কুমার দাস বলেন, তার দু’টি মামলার দীর্ঘসূত্রতায় বিচার চলাকালেই বাদী-বিবাদী মারা গেছেন। অন্য আইনজীবী আশরাফুল আলম রঞ্জু বলেন, বিচারিক কার্যক্রম এভাবে থমকে থাকলে আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।
আদালতের অফিস সহকারী আনিছুর রহমান জানান, বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার মামলা বিচারাধীন। বিচারক না থাকায় অধিকাংশ মামলায় শুধু হাজিরা ও পিটিশন গ্রহণ করে পরবর্তী তারিখ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় আইনজীবী ও ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সাদুল্লাপুর আদালতে একজন স্থায়ী বিচারক পদায়নের জন্য আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তপে দাবী করেছেন।

Share this news as a Photo Card