ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
আজ বিশ্ব সেপসিস দিবস

সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতার আহ্বান

শেখ রিফান আহমেদ : আজ ১৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সেপসিস দিবস। সেপসিস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং দ্রুত চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়। ২০১২ সালে গ্লোবাল সেপসিস অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়।
সেপসিস হলো সংক্রমণের প্রতি শরীরের অতিরিক্ত ও বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া, যা দ্রুত গুরুতর অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। সময়মতো শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেলে এটি জীবনহানির কারণ হতে পারে। তাই জ্বর, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, বিভ্রান্তি বা সংক্রমণের সঙ্গে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৬ সালের বিশ্ব সেপসিস দিবসের প্রতিপাদ্য “Invest in Sepsis – Save Lives”। এবারের আয়োজনে সেপসিস প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা এবং গবেষণায় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সেপসিসের লক্ষণ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা বাড়ানো গেলে অনেক গুরুতর পরিস্থিতি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।
বিশ্ব সেপসিস দিবসের মূল বার্তা হলো—সংক্রমণ প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে জীবন রক্ষায় সচেতনতার বিকল্প নেই।

-লেখক: সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয়

যানজট ও দূষণ কমাতে পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের আহ্বান

21 September 2026

ভুয়া সাংবাদিকতার আড়ালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে সহায়তায় সাদমান দিশানের

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

আজ বিশ্ব সেপসিস দিবস

সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতার আহ্বান

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১২:০১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ রিফান আহমেদ : আজ ১৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সেপসিস দিবস। সেপসিস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং দ্রুত চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়। ২০১২ সালে গ্লোবাল সেপসিস অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়।
সেপসিস হলো সংক্রমণের প্রতি শরীরের অতিরিক্ত ও বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া, যা দ্রুত গুরুতর অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। সময়মতো শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেলে এটি জীবনহানির কারণ হতে পারে। তাই জ্বর, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, বিভ্রান্তি বা সংক্রমণের সঙ্গে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৬ সালের বিশ্ব সেপসিস দিবসের প্রতিপাদ্য “Invest in Sepsis – Save Lives”। এবারের আয়োজনে সেপসিস প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা এবং গবেষণায় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সেপসিসের লক্ষণ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা বাড়ানো গেলে অনেক গুরুতর পরিস্থিতি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।
বিশ্ব সেপসিস দিবসের মূল বার্তা হলো—সংক্রমণ প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে জীবন রক্ষায় সচেতনতার বিকল্প নেই।

-লেখক: সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 

Share this news as a Photo Card