
শেখ রিফান আহমেদ : আজ ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ব অ্যাটোপিক একজিমা দিবস। অ্যাটোপিক একজিমা বা অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ও পরিবারের ওপর এর শারীরিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরতে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়। দিবসটি ২০১৮ সালে বৈশ্বিকভাবে চালু করা হয়।
অ্যাটোপিক একজিমা একটি দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের রোগ, যার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো ত্বকে চুলকানি ও প্রদাহ। শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা গেলেও যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। রোগটি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য না হলেও চিকিৎসা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
২০২৬ সালের বিশ্ব অ্যাটোপিক একজিমা দিবসের প্রতিপাদ্য “#BreakTheInvisibleBurden”। এবারের প্রচারণায় রোগটির এমন কিছু প্রভাবের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে, যা বাইরে থেকে সবসময় দেখা যায় না—যেমন ঘুমের সমস্যা, দৈনন্দিন কাজে বাধা, সামাজিক চাপ এবং পরিবারের ওপর বাড়তি দায়িত্ব।
বিশ্ব অ্যাটোপিক একজিমা দিবস উপলক্ষে চিকিৎসা ও রোগী-সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো রোগটি সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করা, আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ত্বকে চুলকানি, শুষ্কতা বা প্রদাহ থাকলে নিজে থেকে ওষুধ ব্যবহার না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো—অ্যাটোপিক একজিমাকে শুধু সাধারণ ত্বকের সমস্যা হিসেবে না দেখে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও চিকিৎসার আওতায় আনা।
-লেখক: সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























