মানবজাতির এক সর্বজনীন অনুপ্রেরণা শুভ বড়দিন
খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব আজ

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:০১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৩৫৬ বার পঠিত

ভালোবাসা, ক্ষমা ও মানবতার বার্তা নিয়ে প্রতি বছরই আমাদের জীবনে ফিরে আসে বড়দিন। এই দিনটি কেবল খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং এটি মানবজাতির জন্য এক সর্বজনীন অনুপ্রেরণা—যেখানে ঘৃণার বদলে ভালোবাসা, বিভেদের বদলে সহমর্মিতা এবং স্বার্থপরতার বদলে ত্যাগের শিক্ষা নিহিত।
যিশু খ্রিস্টের জন্মবার্তা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্বের কথা। আজকের এই অস্থির সময়েও বড়দিনের মূল শিক্ষা আমাদের আরও মানবিক, সহনশীল ও দায়িত্বশীল হতে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজে যখন বৈষম্য, অবিচার ও সহিংসতার খবর ভেসে আসে, তখন বড়দিনের আলো আমাদের আশার পথ দেখায়।
বাংলাদেশের মতো বহুত্ববাদী সমাজে বড়দিন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রতীক। ভিন্ন ধর্ম, মত ও সংস্কৃতির মানুষ একে অপরের আনন্দে শরিক হয়ে যে সৌহার্দ্যের বন্ধন গড়ে তোলে—সেটিই আমাদের জাতিগত শক্তি।
এই শুভ বড়দিনে আমরা প্রত্যাশা করি—দেশে ও বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হোক এবং ভালোবাসার আলো ছড়িয়ে পড়ুক সমাজের প্রতিটি স্তরে।
সবাইকে জানাই শুভ বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
— লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক শ্রমিক ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ‘মে দিবস’
নিশ্চিত হউক সংবাদকর্মীর কলম ও পেশার স্বাধীনতা!
দায়বদ্ধতা থেকেই ফিরিয়ে আনতে হবে সংবাদপত্রের জনপ্রিয়তা-গ্রহণযোগ্যতা!
কার্যকর আইন গঠন-প্রণয়ণ-তদারকির অভাবে চালেঞ্জিং পেশা হুমকির মুখে?
বাড়ছে অনলাইন ও ইউটিউবভিত্তিক সাংবাদিকতা!
নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ‘মনিটাইজেশন আতঙ্ক’ নিয়ে সতর্কবার্তা





















