রস্তমপুরে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে “কুল”
মোঃআরমান ইসলাম (যশোর সদর): বাগানে সারি সারি কুলগাছ। আকারে ছোট। বড়জোর চার থেকে পাঁচ ফুট। কুলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছগুলো। বাঁশ দিয়ে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে। বাগান থেকে কুল তুলছিলেন চাষি পলাশ উদ্দিন। তার সঙ্গে কাজ করছিলেন আরও দুজন শ্রমিক। সবাই ব্যস্ত। যশোর বাঘারপাড়া উপজেলা রুস্তমপুর গ্রামের কুল চাষী পলাশ উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে আট বিঘা জমিতে উন্নতজাতের আপেল কুল, বাউকুল ও থাইকুলের চাষ করেছেন। তিনি বিঘাপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ মণ হারে ফলন পাবেন বলে আশা করছেন। কুল বাগান রোপণ ও পরিচর্যায় প্রতি বিঘায় তার গত এক বছরে খরচ হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। ফলন ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যে বিঘাপ্রতি ৮৫ থেকে ৯০ হাজার টাকা করে কুল বিক্রি করা হয়েছে।
বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার সাইয়েদা নাসরিন জাহান, প্রতিবছর কুলচাষি বাড়ছে। কুল চাষে সবজির চেয়ে বেশি লাভ হয়। তা ছাড়া কুল চাষ পতিত জমিতেও হয়। এ জন্য কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষে ঝুঁকছেন।
