ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০১ বার পঠিত
রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী:   ক্ষতির শঙ্কায় পেঁয়াজচাষীরা পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশের মধ্যে তৃতীয় জেলা হিসাবে পরিচিত রাজবাড়ী। দেশের মোট উৎপাদনের ১৪ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পদ্মা পাড়ের জেলা রাজবাড়ীতে। অসময়ের বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন রাজবাড়ীর পেঁয়াজ চাষীরা। জেলার বিভিন্ন নিচু অঞ্চলের জমির পেঁয়াজ পানির নিচে। জলাবন্ধতা নিয়ে ক্ষোভ কৃষকদের। কৃষি বিভাগ বলছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা করা হবে।
পদ্মা পারের এই জেলায় ৩১ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়। সারা দেশের মোট চাহিদার ১৪ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন করেন জেলার কৃষকেরা। হঠাৎ করে বৃষ্টিতে পেঁয়াজ চাষীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। জেলার প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে সৃষ্টি হয়ে জলাবদ্ধতা। বেশ কিছুদিন ধরে পেঁয়াজের ক্ষেতে পানি থাকায় পেঁয়াজ পচে যাওয়ার শঙ্কা তাদের। দুঃসময়ে কৃষি বিভাগ পাশে না থাকায় ক্ষোভ কৃষকদের।
জেলার সদর উপজেলার ইউনিয়নের কৃষকেরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ তাদের। দ্রুত পানি নিস্কাশনের দাবী তোলেন কৃষকেরা।
 হঠাৎ বৃষ্টিতে পচে গেছে পেঁয়াজ। প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ রোপণ করেছিলাম পিয়াজ সব পচে গেছে। সর্বনাশ হয়ে গেছে। এখন মরণ ছাড়া আর উপায় নেই।
পেঁয়াজ যার আমন করেছিলাম সব পচে গেছে। পচা পিয়াজ ক্ষেত থেকে তুলছি হাটে নিয়ে ২০০ টাকা মন ও বিক্রি করতে পারছি না। পচে সব গন্ধ হয়ে গেছে।
অধিকাংশ কৃষকেরা বলছেন এবছর পেঁয়াজের উৎপাদন খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। রাজবাড়ীর প্রধান অর্থকরী ফলস পেঁয়াজ। জলাবন্ধতায় ক্ষতি হলে বিপর্যয়ে পড়বে জেলার হাজার কৃষক।
 ১২ আনা পিঁয়াজ আমরা ঘরে তুলতে পারি নাই। সব পিয়াজ পচে গেছে। খুব কষ্ট হচ্ছে আমাদের।
দ্রুত পানি নিষ্কাশনের আশ্বাস কৃষি বিভাগের। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের দেওয়া হবে প্রণোদনা।
 ড. মো. শহিদুল ইসলাম, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজবাড়ী।
 দ্রুতপানি নিস্কাশনে হাসি ফুটুক  কৃষকদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী:   ক্ষতির শঙ্কায় পেঁয়াজচাষীরা পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশের মধ্যে তৃতীয় জেলা হিসাবে পরিচিত রাজবাড়ী। দেশের মোট উৎপাদনের ১৪ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পদ্মা পাড়ের জেলা রাজবাড়ীতে। অসময়ের বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন রাজবাড়ীর পেঁয়াজ চাষীরা। জেলার বিভিন্ন নিচু অঞ্চলের জমির পেঁয়াজ পানির নিচে। জলাবন্ধতা নিয়ে ক্ষোভ কৃষকদের। কৃষি বিভাগ বলছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা করা হবে।
পদ্মা পারের এই জেলায় ৩১ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়। সারা দেশের মোট চাহিদার ১৪ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন করেন জেলার কৃষকেরা। হঠাৎ করে বৃষ্টিতে পেঁয়াজ চাষীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। জেলার প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে সৃষ্টি হয়ে জলাবদ্ধতা। বেশ কিছুদিন ধরে পেঁয়াজের ক্ষেতে পানি থাকায় পেঁয়াজ পচে যাওয়ার শঙ্কা তাদের। দুঃসময়ে কৃষি বিভাগ পাশে না থাকায় ক্ষোভ কৃষকদের।
জেলার সদর উপজেলার ইউনিয়নের কৃষকেরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ তাদের। দ্রুত পানি নিস্কাশনের দাবী তোলেন কৃষকেরা।
 হঠাৎ বৃষ্টিতে পচে গেছে পেঁয়াজ। প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ রোপণ করেছিলাম পিয়াজ সব পচে গেছে। সর্বনাশ হয়ে গেছে। এখন মরণ ছাড়া আর উপায় নেই।
পেঁয়াজ যার আমন করেছিলাম সব পচে গেছে। পচা পিয়াজ ক্ষেত থেকে তুলছি হাটে নিয়ে ২০০ টাকা মন ও বিক্রি করতে পারছি না। পচে সব গন্ধ হয়ে গেছে।
অধিকাংশ কৃষকেরা বলছেন এবছর পেঁয়াজের উৎপাদন খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। রাজবাড়ীর প্রধান অর্থকরী ফলস পেঁয়াজ। জলাবন্ধতায় ক্ষতি হলে বিপর্যয়ে পড়বে জেলার হাজার কৃষক।
 ১২ আনা পিঁয়াজ আমরা ঘরে তুলতে পারি নাই। সব পিয়াজ পচে গেছে। খুব কষ্ট হচ্ছে আমাদের।
দ্রুত পানি নিষ্কাশনের আশ্বাস কৃষি বিভাগের। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের দেওয়া হবে প্রণোদনা।
 ড. মো. শহিদুল ইসলাম, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজবাড়ী।
 দ্রুতপানি নিস্কাশনে হাসি ফুটুক  কৃষকদের।