ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
তাজা খবর
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী সদর জেনারেল মডেল হাসপাতাল
সক্রিয় দালালচক্র ॥ চিকিৎসা বঞ্চিত রোগীর সাথে স্বজনদের ভোগান্তি চরমে

ফেনী জেলা প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
- / ১৬৭ বার পঠিত

ফেনী জেলা প্রতিনিধি : ফেনী জেলার বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবার অন্যতম ভরসাস্থল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী সদর জেনারেল মডেল হাসপাতালকে কেন্দ্র করে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে সংঘবদ্ধ দালাল ও প্রতারক চক্র। ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে এ বিষয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভিড় করলেও, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির অসাধু দালালচক্র সরল রোগীদের টার্গেট করছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব দালাল কৌশলে রোগী ও স্বজনদের বিভ্রান্ত করে হাসপাতালের বাইরে নির্দিষ্ট কিছু ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্যক্তিমালিকানাধীন হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে।
ভুল তথ্য প্রদান, ভয়ভীতি দেখানো এবং বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে রোগীদের সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে রোগীরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের কিছু অসাধু কর্মচারী ও বাইরের কমিশনভিত্তিক এজেন্টদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ কাজে জড়িত। কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে দালালরা রোগীদের প্রভাবিত করছে বলেও জানা গেছে, যা পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—হাসপাতাল চত্বরে প্রকাশ্যে এসব দালাল সক্রিয় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রহস্যজনকভাবে নীরব। অনেকের মতে, কর্তৃপক্ষের চোখের সামনেই এসব অনিয়ম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।
ফলে প্রতিনিয়ত সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পুলিশ ও র্যাবের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা হাসপাতাল এলাকাকে দালালমুক্ত ঘোষণা, নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এই অনিয়ম আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হতে থাকবে।
আরও পড়ুন:


















