ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
তাজা খবর
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
টঙ্গীতে স্ত্রীর হাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০৮ সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ
রাজস্ব আদায় বাড়াতে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের নির্দেশনা
সক্রিয় দালালচক্র ॥ চিকিৎসা বঞ্চিত রোগীর সাথে স্বজনদের ভোগান্তি চরমে
অবৈধ তেল মজুদকারী ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
রাণীশংকৈলে ভুট্টা ক্ষেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার,কিশোর আটক

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / ৭ বার পঠিত

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর ভুট্টা ক্ষেত থেকে লামিয়া আক্তার (৪) নামে এক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ধর্মগড় ইউনিয়নের ভরনিয়া আনসার ডাঙ্গী গ্রামের একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশু লামিয়া আক্তার উপজেলার ওই ইউনিয়নের শফিকুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় জড়িত মুরসালিন (১৫) নামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৩ মে বুধবার বিকাল থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। একই গ্রামের শরিফ উদ্দিনের ছেলে মুরসালিন প্রায়ই শিশুটিকে কোলে নিয়ে খেলাধুলা করত। বুধবার বিকালেও তাকে শিশুটিসহ এলাকায় ঘুরতে দেখা যায়। কিন্তু সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও শিশুটি বাড়িতে না ফেরায় সন্দেহ দানা বাঁধে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা মুরসালিনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এক পর্যায়ে সে শিশুটিকে হত্যা করে ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রাখার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ওই গ্রামের একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে লামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে ঘটনার জানাজানি হলে উত্তেজিত গ্রামবাসী অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক মুরসালিন স্বীকার করেছে যে, সে শিশুটিকে ধর্ষণের পর নিজেকে রক্ষা করতে আতঙ্কিত হয়ে তাকে হত্যা করে ফেলে রেখেছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী চরম উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্ত মুরসালিনের পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর করে।
আরও পড়ুন:
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

















