ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:০৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
- / ৭ বার পঠিত

সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল: জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের চারটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় জামালপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এই আদেশ দেন।
আদালত ও মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সদর উপজেলার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে সাবেক এমপির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের এই চারটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন বিভিন্ন সময়ে মামলার বাদী মাহফুজুর রহমানের কাছ থেকে মোট ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ধার নেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময় থেকেই বাদী পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি বারবার সময়ক্ষেপণ করেন। এক পর্যায়ে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য বাদীকে সোনালী ব্যাংকের চারটি চেক প্রদান করেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল আল মাসুম জানান, ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর থেকেই ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন এলাকায় আসা বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিলে তা ডিজঅনার হয়। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে বাদী আদালতে মামলা দায়ের করেন।
আইনজীবী আরও জানান, আদালতের পক্ষ থেকে আসামিকে যথাযথভাবে সমন জারি করা হলেও তিনি নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হননি। আসামির অনুপস্থিতির কারণে বিচারক সাইফুর রহমান আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সাবেক এই এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে বাদীকে ঘোরাচ্ছিলেন এবং বর্তমানে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় বাদী আইনি লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল



















