অবৈধ সেচ পাম্পের সয়লাব, ব্যাহত হচ্ছে সরকারি সেচ

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৫১ বার পঠিত

নাঈম ইসলাম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ): কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সরকারি সেচ প্রকল্পের মধ্যে কয়েকটি অবৈধ অগভীর নলকূপ স্থাপন করেছে কিছু প্রভাবশালীরা। কুলিয়ারচর সাব-জোন (বিএডিসি) তৎকালীন সেচ শাখার মাঠ পরিদর্শক সঠিক তদন্ত না করে এই সেচ পাম্পগুলো স্থাপনের অনুমতি দেয় বলে অভিযোগ করেন কটিয়াদী উপজেলা লোহাজুরি ইউনিয়নধীন ভাওলাচর মোজাস্থ ভাওলাচর-০১ কিউসেক সৌর শক্তি চালিত এল.এল.এলপি স্কীমের ম্যানেজার মো: আফজাল হোসাইন।
তিনি লিখিত এক অভিযোগে বলেন,আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ভাওয়ালের চর- ০১ কিউসেক সৌর শক্তি চালিত (বি.এ.ডি.সি) এল.এল.এল পি স্কিম ম্যানেজার, সরকার বিদ্যুৎ সাতায় এবং কৃষকের ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৫০ লক্ষের ও বেশি টাকা ব্যায় করে সৌর শক্তির মাধ্যমে নদী হতে ২০০শত জনের বেশি কৃষকদের সুবিধা দেওয়ার জন্য ভাওয়ালের চর-০১ কিউসেক সৌর শক্তি চালিত এল,এল,এলপি স্কীম স্থাপন করে, তাতে সরকারের বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে।
কুলিয়াচর সাব-জোন (বি.এ.ডি.সি) তৎকালিন সেচ শাখার মাঠ পরির্দক সঠিকভাবে তদন্ত না করে, আমার সেচ এরিয়া ১২০ কানি জমির ভিতরে চরকাউনিয়া মৌজায় মফিজ উদ্দিনকে ০১টি, সুজনকে ০১টি বৈধ ছাড়পত্র প্রদান করে বিএডিসি সেচ শাখা ও অবৈধ ডিজেল চালিত ০৪টি এবং ভাওয়ালের চর মৌজায় সিদ্দিককে ০১টি বিদ্যুৎ চালিত বৈধ সংযোগের ছাড়পত্র প্রদান করেন বিএডিসি সেচ শাখা, এবং অবৈধ ০৪টি বিদ্যুৎ লাইনের মাধ্যমে কৃষি সেচের কার্যক্রম চলমান থালেও কুলিয়াচর বি.এ.ডি.সি সেচ শাখা এখনো কোন পদক্ষেপ নেয়নি, তাতে করে বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে, কৃষকের অর্থ বেশি খরচ হচ্ছে এবং কৃষকের পানির মান ভালো পায় না। সৌর শক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ চলমান নদী হতে পানি দিলে কৃষকের খরচ কম হয় এবং ফসলের গুনগত মান ভালো হয়।
প্রকাশ থাকে যে, উপরে উল্লেখিত সেচ চালিত বৈধ ও অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন এবং ডিজেল চালিত লাইন গুলো গত ১১/০১/২০২৫ইং তারিখে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে বি.এ.ডি.সি সেচ শাখা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য এখনো কোন দৃষ্যমান ব্যবস্থা গ্রহন করে নাই।
এই বিষয়ে,কটিয়াদী উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব ও কুলিয়ারচর জোন (বিএডিসির) সহকারী প্রকৌশলী(সওকা) শাওনা মালাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কটিয়াদী জোনাল) অফিস বরাবর ২১জানুয়ারী এক লিখিত চিঠিতে বলেন,অগভীর নলকূপের লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় এবং সূত্রীয় স্মারক মোতাবেক কারণ দর্শানোর নোটিশের কোন জবাব না পাওয়ায় নিম্ন বর্ণিত সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হল।
গ্রাহকের বিবরণ নিম্বরুপঃ-নাম: মফিজ উদ্দীন, পিতাঃ নূর চান (নুরু মিয়া), গ্রামঃ চরকাওনিয়া ইউঃ লোহাজুরী, কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ। যা দপ্তর স্মারক নং-১৫।
এই বিষয়ে কটিয়াদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অফিসে না থাকায় মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,সরকারি সেচ প্রকল্প তো পরে হয়েছে। ওই লাইন গুলো আগে হয়েছে, ওইগুলোকে কিভাবে অবৈধ সংযোগ বলে। উনি(শাওন মালাকার)চিঠি দিছে, উনি বললেই তো আমরা বিচ্ছিন্ন করতে পারিনা। বিষয়টি নিয়ে আমাদের দেখার আছে,আরও বুঝার আছে।


















