ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

অসহায় সুবর্ণার পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন মির্জা ফয়সল

আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও:    ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুকুর গ্রামের সুবর্ণা দীর্ঘদিন ধরে কোমরের জোড়া ও হাড়ের জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা কিংবা দৈনন্দিন কাজ করাও তার জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ হতে প্রয়োজন ছিল জটিল অস্ত্রোপচারের। এ চিকিৎসায় ব্যয় হওয়ার কথা ছিল ১০ লাখ টাকারও বেশি। কিন্তু অসচ্ছল পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থের জোগান দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না সুবর্ণার পরিবার।

এ অবস্থায় সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরা বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলীর কাছে বিষয়টি জানান। পরে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনকে বিষয়টি অবহিত করেন।

বিষয়টি জানার পর সুবর্ণার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেন মির্জা ফয়সল আমিন। তার সহযোগিতায় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সুবর্ণার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তিনি। সম্প্রতি নিজের বাড়িতেও ফিরেছেন সুবর্ণা।

বেগুনবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলী বলেন, সুবর্ণার পরিবার অত্যন্ত অসহায়। চিকিৎসার খরচ বহন করার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না। বিষয়টি মির্জা ফয়সল আমিনকে জানানোর পর তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে সুবর্ণার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। তার সহযোগিতায় সুবর্ণা আজ সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণাকে অসুস্থ অবস্থায় কষ্ট করতে দেখেছেন তারা। হাঁটাচলা করতে না পারায় তার জীবন অনেকটা থমকে গিয়েছিল। চিকিৎসার ব্যবস্থা হওয়ায় এখন তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সুবর্ণার চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ায় তারা মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও সুবর্ণার সুস্থতার জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সহযোগিতা করার জন্য ঐ ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তারা।

সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরাও মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, অর্থের অভাবে যখন চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছিল না, তখন তিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার সহযোগিতায় সুবর্ণা নতুন করে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
13 October 2026

মির্জাপুরে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রি, সিএনজি স্টেশনকে জরিমানা

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

অসহায় সুবর্ণার পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন মির্জা ফয়সল

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও:    ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুকুর গ্রামের সুবর্ণা দীর্ঘদিন ধরে কোমরের জোড়া ও হাড়ের জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা কিংবা দৈনন্দিন কাজ করাও তার জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ হতে প্রয়োজন ছিল জটিল অস্ত্রোপচারের। এ চিকিৎসায় ব্যয় হওয়ার কথা ছিল ১০ লাখ টাকারও বেশি। কিন্তু অসচ্ছল পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থের জোগান দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না সুবর্ণার পরিবার।

এ অবস্থায় সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরা বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলীর কাছে বিষয়টি জানান। পরে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনকে বিষয়টি অবহিত করেন।

বিষয়টি জানার পর সুবর্ণার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেন মির্জা ফয়সল আমিন। তার সহযোগিতায় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে সুবর্ণার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তিনি। সম্প্রতি নিজের বাড়িতেও ফিরেছেন সুবর্ণা।

বেগুনবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলী বলেন, সুবর্ণার পরিবার অত্যন্ত অসহায়। চিকিৎসার খরচ বহন করার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না। বিষয়টি মির্জা ফয়সল আমিনকে জানানোর পর তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে সুবর্ণার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। তার সহযোগিতায় সুবর্ণা আজ সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণাকে অসুস্থ অবস্থায় কষ্ট করতে দেখেছেন তারা। হাঁটাচলা করতে না পারায় তার জীবন অনেকটা থমকে গিয়েছিল। চিকিৎসার ব্যবস্থা হওয়ায় এখন তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সুবর্ণার চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ায় তারা মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়াও সুবর্ণার সুস্থতার জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সহযোগিতা করার জন্য ঐ ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল নেতা আক্কাছ আলীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তারা।

সুবর্ণার পরিবারের সদস্যরাও মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, অর্থের অভাবে যখন চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছিল না, তখন তিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার সহযোগিতায় সুবর্ণা নতুন করে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন।

Share this news as a Photo Card