ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

আইনের শাসন ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থাই ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের ভিত্তি গড়বে

শেখ রিফান আহমেদ : সভ্য রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। যেখানে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হয় এবং বিচারব্যবস্থা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে, সেখানেই জনগণের আস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। ন্যায়বিচার শুধু আদালতের বিষয় নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের নৈতিক শক্তিরও প্রতীক।
বাংলাদেশের সংবিধান আইনের শাসন, মৌলিক অধিকার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি, মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের সহজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রযুক্তির ব্যবহার বিচারব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে পারে। ই-ফাইলিং, ভার্চুয়াল শুনানি, ডিজিটাল নথি সংরক্ষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আদালত ব্যবস্থা বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সহায়ক হতে পারে।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ শুধু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নয়; প্রতিটি নাগরিকের মধ্যেও গড়ে তুলতে হবে। আইন মানার সংস্কৃতি যত শক্তিশালী হবে, অপরাধ প্রবণতা তত কমবে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা তত বৃদ্ধি পাবে।
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্র, বিচার বিভাগ, আইনজীবী, প্রশাসন এবং নাগরিক—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। আইনের শাসন সুদৃঢ় হলেই একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব।

-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

Share this news as a Photo Card

11 October 2026

সৌদি আরবে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় কটিয়াদীর প্রবাসী ফয়সালের মৃত্যু

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

আইনের শাসন ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থাই ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের ভিত্তি গড়বে

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১২:০১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

শেখ রিফান আহমেদ : সভ্য রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। যেখানে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হয় এবং বিচারব্যবস্থা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে, সেখানেই জনগণের আস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। ন্যায়বিচার শুধু আদালতের বিষয় নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের নৈতিক শক্তিরও প্রতীক।
বাংলাদেশের সংবিধান আইনের শাসন, মৌলিক অধিকার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি, মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের সহজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রযুক্তির ব্যবহার বিচারব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে পারে। ই-ফাইলিং, ভার্চুয়াল শুনানি, ডিজিটাল নথি সংরক্ষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আদালত ব্যবস্থা বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সহায়ক হতে পারে।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ শুধু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নয়; প্রতিটি নাগরিকের মধ্যেও গড়ে তুলতে হবে। আইন মানার সংস্কৃতি যত শক্তিশালী হবে, অপরাধ প্রবণতা তত কমবে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা তত বৃদ্ধি পাবে।
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্র, বিচার বিভাগ, আইনজীবী, প্রশাসন এবং নাগরিক—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। আইনের শাসন সুদৃঢ় হলেই একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব।

-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

Share this news as a Photo Card