ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আমরা ইউনুস মেম্বার হত্যা’য় জড়িত না – রেজাউলের ভাই সাইফুল করিম

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২৪ বার পঠিত
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা যুবলীগ নেতা হৃীলা ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মেম্বারের জানাযা ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে অনুষ্টিত হয়েছে।জানাযার মাঠে মরহুমের ছোট ভাই সাইফুল করিম নিজের বাচ্চার মাথায় হাত রেখে শপথ করে জানালেন, বিএনপি নেতা ইউনুস মেম্বারের হত্যায় তারা দুই ভাই জড়িত ছিলো না। এমন কি ইউনুস মেম্বার আর প্রধান হত্যাকারী আলম কে কখনো সে সরাসরি দেখেন নি।
ইউনুস মেম্বারের পরিবার আমাদের আসামী করেনি, যেদিন মামলা রেকর্ড হচ্ছিল, সেদিন হ্নীলা থেকে ৩জন লোক সহ স্থানীয় আরেকজন জনপ্রতিনিধি থানায় সারারাত বসে থেকে আমরা দুই ভাই’কে মিথ্যা মামলায় আসামী করেছেন।এই বিচার আমি আল্লাহ্ কে দিলাম আর আপনাদের (এলাকাবাসী এবং জানাযায় উপস্থিতিদের)কে দিলাম।উল্লেখ্য  রেজাউল করিম মেম্বার’কে একাধিক রাজনৈতিক হয়রানিমুলক মামলায় আসামী করা হয়েছিল। তার বাসায় অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর জন্য অভিযান হলে ও বাড়িতে না থাকায় সে রক্ষা পায়।কিন্তু তার ১২ বছরের শিশুপুত্র স্কুল ছাত্র রাফি’কে আটক করে অস্ত্র মামলায় চালান দেওয়ায়, সে গত এক বছর ধরে জেলহাজতে রয়েছে।
এসব ঘটনায় রেজাউল মেম্বার মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন।৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার ইউনিয়ন হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় সে সিসিইউতে ভর্তি হয়।এসময় হৃীলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো:আলী সহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রশাসন’কে খবর দিয়ে হাসপাতালের বেড শয্যাশায়ী অবস্থায় তাকে আটক করা হয়।পরে যথাযথ চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে কারাবন্দি আসামী হিসাবে সে সদর হাসপাতালে পুলিশী প্রহরায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ডিসেম্বর ভোরে তিনি মৃত্যু বরন করেন।রেজাউল করিম মেম্বারের এহেন মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।স্বজনদের ক্রন্দনে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। রেজাউল মেম্বারের স্ত্রী,৩ সন্তান,ভাই সহ অনেকেই স্বজনহারা হয়েছেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আমরা ইউনুস মেম্বার হত্যা’য় জড়িত না – রেজাউলের ভাই সাইফুল করিম

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা যুবলীগ নেতা হৃীলা ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মেম্বারের জানাযা ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে অনুষ্টিত হয়েছে।জানাযার মাঠে মরহুমের ছোট ভাই সাইফুল করিম নিজের বাচ্চার মাথায় হাত রেখে শপথ করে জানালেন, বিএনপি নেতা ইউনুস মেম্বারের হত্যায় তারা দুই ভাই জড়িত ছিলো না। এমন কি ইউনুস মেম্বার আর প্রধান হত্যাকারী আলম কে কখনো সে সরাসরি দেখেন নি।
ইউনুস মেম্বারের পরিবার আমাদের আসামী করেনি, যেদিন মামলা রেকর্ড হচ্ছিল, সেদিন হ্নীলা থেকে ৩জন লোক সহ স্থানীয় আরেকজন জনপ্রতিনিধি থানায় সারারাত বসে থেকে আমরা দুই ভাই’কে মিথ্যা মামলায় আসামী করেছেন।এই বিচার আমি আল্লাহ্ কে দিলাম আর আপনাদের (এলাকাবাসী এবং জানাযায় উপস্থিতিদের)কে দিলাম।উল্লেখ্য  রেজাউল করিম মেম্বার’কে একাধিক রাজনৈতিক হয়রানিমুলক মামলায় আসামী করা হয়েছিল। তার বাসায় অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর জন্য অভিযান হলে ও বাড়িতে না থাকায় সে রক্ষা পায়।কিন্তু তার ১২ বছরের শিশুপুত্র স্কুল ছাত্র রাফি’কে আটক করে অস্ত্র মামলায় চালান দেওয়ায়, সে গত এক বছর ধরে জেলহাজতে রয়েছে।
এসব ঘটনায় রেজাউল মেম্বার মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন।৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার ইউনিয়ন হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় সে সিসিইউতে ভর্তি হয়।এসময় হৃীলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো:আলী সহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রশাসন’কে খবর দিয়ে হাসপাতালের বেড শয্যাশায়ী অবস্থায় তাকে আটক করা হয়।পরে যথাযথ চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে কারাবন্দি আসামী হিসাবে সে সদর হাসপাতালে পুলিশী প্রহরায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ডিসেম্বর ভোরে তিনি মৃত্যু বরন করেন।রেজাউল করিম মেম্বারের এহেন মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।স্বজনদের ক্রন্দনে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। রেজাউল মেম্বারের স্ত্রী,৩ সন্তান,ভাই সহ অনেকেই স্বজনহারা হয়েছেন।