ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

হাসান মামুন, দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / ৬২ বার পঠিত

পিরোজপুর জেলা বিএনপি‘র সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু ও তার পরিবার নিয়ে একটি জাতীয় পত্রিকায় এবং ফেসবুকে মিথ্যা, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বানোয়াট সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ মে) দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উষ্কানি দিয়ে মিথ্যা প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু। একটি মহল ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ১০ মে-২০২৫ তারিখ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় (যুগান্তর) শেষের পাতায় ৬ এবং ৭ কলামে “সন্ত্রাস টেন্ডারবাজি পদবানিজ্য, নয় মাসেই চোখ ধাধানো পরিবর্তন লাভলু গাজীর” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত শিরোনামের প্রকাশিত সংবাদটিতে উল্লেখিত বিষয়ে সমহু সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও কাল্পনিক একটি কুচক্রী মহল ও আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিছু আওয়ামীলীগের দোষর আমাকে রাজনৈতিক ভাবে এবং সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও রানৈতিক ভাবে ক্ষতি করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে এহেন সাংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে উৎসাহ প্রদান করেছে। আমি প্রকাশিত উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিক নিদের্শনায় তীর্ণমূল বিএপির রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে সুনামের সহিত রাজনীতি করছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি আদায়ের আন্দোলনের জন্য আমি ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার রোষানলে পরে একাধিক বার কারাবরণসহ হামলা ও নির্যাতনের স্বীকার হই। অগ্নি সংযোগ ও কয়েক বার ভাংচুর করা হয় আমার বসত বাড়িও।

 

লিখিত বক্তব্য তিনি আরো বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তার একাধিক গাড়ী আছে তা সঠিক নয়। প্রকৃত পক্ষে তার গাড়ী সংখ্যা একটি এবং তিনি  প্রথম ২০০৫ সালে একটি গাড়ি ক্রয় করে এবং পরে ২০১৩ সালে ওই গাড়ি পরিবর্তন করে আরেকটি গাড়ি ক্রয় করে এবং বর্তমানে তিনি সেই গাড়িটি ব্যবহার করছে। এছাড়া তার নামে কোন নিজস্ব গাড়ি নেই। সংবাদে প্রকাশিক যে গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে যে আগুনে তার গাড়ি পুড়েছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। প্রকাশিত সংবাদে তার নিকট আত্মীয় নামের গাড়ী ও গাড়ীর ব্যবসাকে তার নামে দেখানে হয়েছে। তাও চরম মিথ্যাচার ও বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে তার আত্মীয়রা দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে, তাদের বিভিন্ন ব্যবসা-বানিজ্যে করেছে। তাই তারা দীর্ঘ ২৪ বছর যাবত ইতালি এবং সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তার ছেলে বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীতে কলেজে পড়ালেখা করে তার কোন ব্যবসা বা ব্যবসায়ীক পাটনার নাই। আমার নামে কোন ইটভাটাও নাই।

 

সংবাদে তার  নামে যে চাঁদাবাজী ও টেন্ডারবাজির বিষয় উল্লখ করা হয়েছে তাও বানোয়াট ও কাল্পনিক। তিনি ভান্ডারিয়া বা পিরোজপুর সদর এমনকি জেলার কোন স্থানে কোন কাজের টেন্ডারের বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করে নাই। পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি ও তার অংশ সংগঠনের কমিটি গঠন করা হচ্ছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় কোন প্রকার অনিয়ম বা অর্থনৈতিক বা ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ দেখা হয়নি কমিটি গঠনে। বিএনপির প্রতি ত্যাগ ও বিগতদিনের  রাজনৈতিক ভূমিকার বিচারে এ কমিটি গুলো দেয়া হয়েছে। এছাড়া বহিস্কারের বিষয়ে যে সকল কথা বলা হয়েছে তাও মিথ্যা। যাদের বহিস্কার করা হয়েছে তা কেন্দ্র থেকে এবং ছাত্রদলের নিজস্ব বিষয়। এই বহিষ্কারেরও তার কোন হস্তক্ষেপ নেই।

 

তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে যাওয়ার সেতু সংসদ ভবন এলাকা থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয় সিলেটে। এই সেতু খুলে নেয়ার বিষয়ে তিনি বা তার বড় ভাই কোন ভাবেই জড়িত নয়। কাল্পিনিক ভাবে এই ঘটনায় তাদের নাম জড়ানো হয়ে। এছাড়াও সংবাদে কিছু মনগড়া ও অনুমান নির্ভর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা একজন মানুষের মানহানির সামিল।

 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রকাশিক সংবাদটি যে সাংবাদিক প্রকাশ করেছেন তিনি বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছে। এই সংবাদিক বরিশালের ক্রাস সাদিক আব্দুল্লাহর অন্যতম ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তিনি বরিশাল জেলা ও বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিএনপির নেতাদের নানা ভাবে হয়রানি করতো। ৫ আগষ্টের পরেও তার আচারণ পাল্টাইনি। ফ্যাসিসদের সাথে যোগাযাগ রেখে বরিশাল বিভাগের যে সকল জেলায় বিএনপির ঘাটি শক্তিশালী সেই সকল এলাকার ত্যাগী বিএনপির নেতাদের নামে নানা সময় মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধ মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছে। যা বিএনপির নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আ: ছালাম বাতেন, সদস্য শেখ শহিদুল্লাহ শহী, সদস্য হাসানুল কবির লীন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন টিপু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক শরিফ হোসেন মনি, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক মাসুদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কুমারসহ সংগঠনটির জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

পিরোজপুর জেলা বিএনপি‘র সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু ও তার পরিবার নিয়ে একটি জাতীয় পত্রিকায় এবং ফেসবুকে মিথ্যা, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বানোয়াট সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ মে) দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উষ্কানি দিয়ে মিথ্যা প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু। একটি মহল ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ১০ মে-২০২৫ তারিখ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় (যুগান্তর) শেষের পাতায় ৬ এবং ৭ কলামে “সন্ত্রাস টেন্ডারবাজি পদবানিজ্য, নয় মাসেই চোখ ধাধানো পরিবর্তন লাভলু গাজীর” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত শিরোনামের প্রকাশিত সংবাদটিতে উল্লেখিত বিষয়ে সমহু সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও কাল্পনিক একটি কুচক্রী মহল ও আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিছু আওয়ামীলীগের দোষর আমাকে রাজনৈতিক ভাবে এবং সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও রানৈতিক ভাবে ক্ষতি করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে এহেন সাংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে উৎসাহ প্রদান করেছে। আমি প্রকাশিত উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিক নিদের্শনায় তীর্ণমূল বিএপির রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে সুনামের সহিত রাজনীতি করছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি আদায়ের আন্দোলনের জন্য আমি ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার রোষানলে পরে একাধিক বার কারাবরণসহ হামলা ও নির্যাতনের স্বীকার হই। অগ্নি সংযোগ ও কয়েক বার ভাংচুর করা হয় আমার বসত বাড়িও।

 

লিখিত বক্তব্য তিনি আরো বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তার একাধিক গাড়ী আছে তা সঠিক নয়। প্রকৃত পক্ষে তার গাড়ী সংখ্যা একটি এবং তিনি  প্রথম ২০০৫ সালে একটি গাড়ি ক্রয় করে এবং পরে ২০১৩ সালে ওই গাড়ি পরিবর্তন করে আরেকটি গাড়ি ক্রয় করে এবং বর্তমানে তিনি সেই গাড়িটি ব্যবহার করছে। এছাড়া তার নামে কোন নিজস্ব গাড়ি নেই। সংবাদে প্রকাশিক যে গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে যে আগুনে তার গাড়ি পুড়েছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। প্রকাশিত সংবাদে তার নিকট আত্মীয় নামের গাড়ী ও গাড়ীর ব্যবসাকে তার নামে দেখানে হয়েছে। তাও চরম মিথ্যাচার ও বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে তার আত্মীয়রা দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে, তাদের বিভিন্ন ব্যবসা-বানিজ্যে করেছে। তাই তারা দীর্ঘ ২৪ বছর যাবত ইতালি এবং সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তার ছেলে বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীতে কলেজে পড়ালেখা করে তার কোন ব্যবসা বা ব্যবসায়ীক পাটনার নাই। আমার নামে কোন ইটভাটাও নাই।

 

সংবাদে তার  নামে যে চাঁদাবাজী ও টেন্ডারবাজির বিষয় উল্লখ করা হয়েছে তাও বানোয়াট ও কাল্পনিক। তিনি ভান্ডারিয়া বা পিরোজপুর সদর এমনকি জেলার কোন স্থানে কোন কাজের টেন্ডারের বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করে নাই। পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি ও তার অংশ সংগঠনের কমিটি গঠন করা হচ্ছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় কোন প্রকার অনিয়ম বা অর্থনৈতিক বা ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ দেখা হয়নি কমিটি গঠনে। বিএনপির প্রতি ত্যাগ ও বিগতদিনের  রাজনৈতিক ভূমিকার বিচারে এ কমিটি গুলো দেয়া হয়েছে। এছাড়া বহিস্কারের বিষয়ে যে সকল কথা বলা হয়েছে তাও মিথ্যা। যাদের বহিস্কার করা হয়েছে তা কেন্দ্র থেকে এবং ছাত্রদলের নিজস্ব বিষয়। এই বহিষ্কারেরও তার কোন হস্তক্ষেপ নেই।

 

তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে যাওয়ার সেতু সংসদ ভবন এলাকা থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয় সিলেটে। এই সেতু খুলে নেয়ার বিষয়ে তিনি বা তার বড় ভাই কোন ভাবেই জড়িত নয়। কাল্পিনিক ভাবে এই ঘটনায় তাদের নাম জড়ানো হয়ে। এছাড়াও সংবাদে কিছু মনগড়া ও অনুমান নির্ভর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা একজন মানুষের মানহানির সামিল।

 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রকাশিক সংবাদটি যে সাংবাদিক প্রকাশ করেছেন তিনি বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছে। এই সংবাদিক বরিশালের ক্রাস সাদিক আব্দুল্লাহর অন্যতম ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তিনি বরিশাল জেলা ও বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিএনপির নেতাদের নানা ভাবে হয়রানি করতো। ৫ আগষ্টের পরেও তার আচারণ পাল্টাইনি। ফ্যাসিসদের সাথে যোগাযাগ রেখে বরিশাল বিভাগের যে সকল জেলায় বিএনপির ঘাটি শক্তিশালী সেই সকল এলাকার ত্যাগী বিএনপির নেতাদের নামে নানা সময় মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধ মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছে। যা বিএনপির নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আ: ছালাম বাতেন, সদস্য শেখ শহিদুল্লাহ শহী, সদস্য হাসানুল কবির লীন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন টিপু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক শরিফ হোসেন মনি, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক মাসুদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কুমারসহ সংগঠনটির জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।