
শেখ রিফান আহমেদ : আজ ১৬ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব ওজোন দিবস। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ স্তর ওজোনকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের প্রভাব থেকে রক্ষা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়। ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ নিয়ন্ত্রণে মন্ট্রিয়ল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করে জাতিসংঘ দিবসটি পালন করে।
ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীর জীবজগতকে সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতীতে বিভিন্ন শিল্প ও ভোক্তা পণ্যে ব্যবহৃত কিছু রাসায়নিক পদার্থের কারণে ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এর প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে মন্ট্রিয়ল প্রটোকল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
২০২৬ সালের বিশ্ব ওজোন দিবসের প্রতিপাদ্য “Global action for a cooler planet” বা “শীতলতর গ্রহের জন্য বৈশ্বিক উদ্যোগ”। এ বছরের কর্মসূচিতে টেকসই শীতলীকরণ ব্যবস্থা এবং জলবায়ু সুরক্ষার সঙ্গে ওজোন স্তর রক্ষার সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কিগালি সংশোধনীর ১০ বছর পূর্তিও এবারের দিবসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
জাতিসংঘ ও জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি বলছে, বিজ্ঞানভিত্তিক নীতি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং ক্ষতিকর গ্যাসের ব্যবহার কমানোর মাধ্যমে ওজোন স্তর সুরক্ষার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।
বিশ্ব ওজোন দিবসের মূল বার্তা হলো—পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কোনো একটি দেশ বা প্রতিষ্ঠানের নয়। ওজোন স্তর সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি ব্যক্তি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে আসতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে এ ধরনের বৈশ্বিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
-লেখক: সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























