
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাট নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন এর বিরুদ্ধে এডহক কমিটি গঠনে জালিয়াতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে জানা যায় ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় গত ১৯-১০-২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে ইআরবি/ রেজিঃ/ প্রকাশ/গভঃ/ ২০২০/ ১৫৮০ নাম্বার স্মারকে বাংলাদেশের সকল ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে এডহক কমিটি গঠন করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা সদরে অবস্থিত মাদ্রাসায় সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক সভাপতি ও জেলা শিক্ষা অফিসার কে সদস্য মনোনয়ন প্রদান করেন। এডহক কমিটিতে শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য সকল শিক্ষকবৃন্দ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন কিন্তু লালমনিরহাট নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন না করে তড়িঘড়ি করে তার মনমতো মদদপুষ্ট শিক্ষককে শিক্ষক প্রতিনিধি করে কমিটির কাগজ অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয় ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেরণ করেন।
অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন এখন পর্যন্ত ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক এডহক কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক লালমনিরহাটকে অবগত করেননি। অধিকাংশ শিক্ষক অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন এর স্বেচ্ছাচারিতা ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক লালমনিরহাট ও রেজিস্টার ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনের এমন স্বেচ্ছাচারিতায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যেও তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। অতীতেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল বলে জানা যায়।
এডহক কমিটি গঠনে জালিয়াতি ও অনিয়মের এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সচেতন মহল অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার এবং একটি স্বচ্ছ ও বৈধ এডহক কমিটি গঠনের জোর দাবি জানান।
জালিয়াতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়ে জানার জন্য অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন কে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

জিল্লুর রহমান লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি 














