ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ওসমান হাদী হত্যার বিচার দাবি

গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের শোক ও সংহতি সমাবেশ

জালাল উদ্দিন সোহাগ পাটোয়ারী, ফেনী:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৪৭ বার পঠিত
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদীকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে শোক ও সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে বক্তারা হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
ফেনী জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক মাস্টার আহসানুল্লাহ’র সভাপতিত্বে এবং এনসিপি ফেনী জেলা সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্যাহ মানিক ও এবি পার্টির সদস্য সচিব ফজলুল হক-এর যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান ও গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের শীর্ষ নেতা মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন,
“ন্যায়, ইনসাফ ও গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করতে যত ভয়-ভীতি দেখানো হোক না কেন—বাংলাদেশ আগেও সন্ত্রাসবাদ ও আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।”
তিনি আরও বলেন,
“যারা ১৫ বছর ধরে জুলুমতন্ত্র চালিয়েছে, তাদের পালাতে ১৫ মিনিটও লাগেনি। ভবিষ্যতে যারা জনগণকে জিম্মি করতে চাইবে, তারাও জনরোষে পালাতে বাধ্য হবে।”
আগামী নির্বাচন হবে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কারের নির্বাচন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রয়োজনে সংস্কার ও বিচারের পক্ষে থাকা শক্তিগুলোকে নিয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক মোর্চা গঠনের ঘোষণা দেন মঞ্জু।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন। তিনি বলেন,
“আগামী নির্বাচনে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং নতুন বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিতে হবে। যারা টাকার বিনিময়ে বা কয়েকটি আসনের লোভে নিজেদের বিকিয়ে দেয়, তারা কখনো রাষ্ট্রের পক্ষে শক্তি হতে পারে না।”
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদ উৎখাতে যেমন ভূমিকা রেখেছে, আগামীতেও নির্বাচনে তারা ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন,
“জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা আমাদের হত্যা করতে চেয়েছিল, তারা এখনো সেই অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে আমরা জীবন দিয়েও পিছপা হব না।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে তা অশনি সংকেত হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রশাসন নিরপেক্ষ না হলে আবারও তরুণ প্রজন্মের মুখোমুখি হতে হবে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভুঁইয়া,
এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার জোবায়ের আহমদ ভুঁইয়া,
কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক মিয়া তৌফিক,
এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও এনসিপি ফেনী জেলা আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত,
এবি পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম বাদলসহ গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ওসমান হাদী হত্যার বিচার দাবি

গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের শোক ও সংহতি সমাবেশ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদীকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে শোক ও সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে বক্তারা হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
ফেনী জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক মাস্টার আহসানুল্লাহ’র সভাপতিত্বে এবং এনসিপি ফেনী জেলা সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্যাহ মানিক ও এবি পার্টির সদস্য সচিব ফজলুল হক-এর যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান ও গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের শীর্ষ নেতা মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন,
“ন্যায়, ইনসাফ ও গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করতে যত ভয়-ভীতি দেখানো হোক না কেন—বাংলাদেশ আগেও সন্ত্রাসবাদ ও আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।”
তিনি আরও বলেন,
“যারা ১৫ বছর ধরে জুলুমতন্ত্র চালিয়েছে, তাদের পালাতে ১৫ মিনিটও লাগেনি। ভবিষ্যতে যারা জনগণকে জিম্মি করতে চাইবে, তারাও জনরোষে পালাতে বাধ্য হবে।”
আগামী নির্বাচন হবে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কারের নির্বাচন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রয়োজনে সংস্কার ও বিচারের পক্ষে থাকা শক্তিগুলোকে নিয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক মোর্চা গঠনের ঘোষণা দেন মঞ্জু।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন। তিনি বলেন,
“আগামী নির্বাচনে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং নতুন বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিতে হবে। যারা টাকার বিনিময়ে বা কয়েকটি আসনের লোভে নিজেদের বিকিয়ে দেয়, তারা কখনো রাষ্ট্রের পক্ষে শক্তি হতে পারে না।”
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম ফ্যাসিবাদ উৎখাতে যেমন ভূমিকা রেখেছে, আগামীতেও নির্বাচনে তারা ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন,
“জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা আমাদের হত্যা করতে চেয়েছিল, তারা এখনো সেই অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে আমরা জীবন দিয়েও পিছপা হব না।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে তা অশনি সংকেত হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রশাসন নিরপেক্ষ না হলে আবারও তরুণ প্রজন্মের মুখোমুখি হতে হবে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভুঁইয়া,
এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার জোবায়ের আহমদ ভুঁইয়া,
কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক মিয়া তৌফিক,
এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও এনসিপি ফেনী জেলা আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত,
এবি পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম বাদলসহ গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ।