ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

গণহারে পদত্যাগ করলেন কুড়িগ্রামের জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা

শাহীন শহীদ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৩১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৮৫ বার পঠিত

Oplus_131072

কুড়িগ্রাম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জাতীয় পার্টির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণহারে পদত্যাগ করেছেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) বেলা দুইটায় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সৈয়দ শামসুল হক মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের ৫০ জন ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় যুব সংহতি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক রাজু আহম্মেদ রাজ্জাক লিখিত বক্তব্যে বলেন, “সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকাকালীন ভালো-মন্দ মিলে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। অনেকের জন্য ভালো কিছু করতে পেরেছি, আবার অনেকের মন জয় করতে পারিনি। এজন্য আমি সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।”

তিনি বলেন, “গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে, দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে গেছে। এ অবস্থায় কারো প্ররোচনায় নয়, বরং সজ্ঞানে ও সুস্থ মস্তিষ্কে আমরা জাতীয় পার্টি ও এর সহযোগী সংগঠনের সকল পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম।” বক্তারা বলেন, “আজ থেকে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে আমাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে আমরা সবাইকে জানাচ্ছি, আমাদের সাংগঠনিক পরিচয়ে আগে যেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, তার কোনো দায়-দায়িত্ব এখন আমাদের নাই।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

গণহারে পদত্যাগ করলেন কুড়িগ্রামের জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৩১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

কুড়িগ্রাম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জাতীয় পার্টির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণহারে পদত্যাগ করেছেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) বেলা দুইটায় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সৈয়দ শামসুল হক মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের ৫০ জন ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় যুব সংহতি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক রাজু আহম্মেদ রাজ্জাক লিখিত বক্তব্যে বলেন, “সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকাকালীন ভালো-মন্দ মিলে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। অনেকের জন্য ভালো কিছু করতে পেরেছি, আবার অনেকের মন জয় করতে পারিনি। এজন্য আমি সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।”

তিনি বলেন, “গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে, দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে গেছে। এ অবস্থায় কারো প্ররোচনায় নয়, বরং সজ্ঞানে ও সুস্থ মস্তিষ্কে আমরা জাতীয় পার্টি ও এর সহযোগী সংগঠনের সকল পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম।” বক্তারা বলেন, “আজ থেকে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে আমাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে আমরা সবাইকে জানাচ্ছি, আমাদের সাংগঠনিক পরিচয়ে আগে যেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, তার কোনো দায়-দায়িত্ব এখন আমাদের নাই।