ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
হাসপাতালের সিট না পেয়ে বারান্দায় নিয়েছেন সিট

গোয়ালন্দের হাসপাতালে রোগীর চাপ, হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার-স্বাস্থ্য কর্মীরা

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / ৫২ বার পঠিত
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ ৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৭ জনের উপর রোগী ভর্তি ফলে হিমশিম খেতে হচ্ছে ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীদের। বিশেষ করে ডায়রিয়া, জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি সেই সাথে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।  মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় হাসপাতালের বেডে জায়গা নেই, বারান্দায়, প্রবেশ পথে এবং অপারেশন থিয়েটারের যাওয়ার খালি জায়গায় কোথাও তিল ধারণের ঠাই নেই। এসময় হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডাঃ শরিফুল ইসলাম কে দেখা যায়  রোগীদের দেখতে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার ৭৭ জন রোগী ভর্তি থাকলেও বারোটা পর্যন্ত আরও দশজন ভর্তি হয়েছে। তখনও নিচে অনেক কে ভর্তি স্লিপ হাতে উপরে যেতে দেখা যায় বিশেষ করে মহিলা ওয়ার্ডে কোন বেড না থাকায় বাড়ি থেকে বিছানার চাদর নিয়ে এসে অনেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। অধিকাংশ রোগী জ্বর, ডায়রিয়া ও পেট ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। শিশুদের ও জ্বর ও ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া একজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে তবে ডাক্তারদের আশঙ্কা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।
হাসপাতালে পেট ব্যাথা ও জ্বর সংক্রান্ত জটিলতায় ভর্তি হয়েছেন উজানচর ইউনিয়নের রাহেলা বেগম (৪২। গতকাল রাতে ভর্তি হলেও তিনি কোন সিট পাননি তাকে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে তবে ডাক্তার আসছিল চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে জানান তিনি। সুসমা আক্তার তার ছেলেকে নিয়ে গত দুদিন হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি হাসপাতালের বেডে সিট না পেয়ে বারান্দায় সিট নিয়েছেন।  আবজাল গতকাল মেয়েকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন তিনি অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার খালি জায়গায় বেডে জায়গা পেয়েছেন। তিনি বললেন ডাক্তার রাতেও আসছিল আবার সকালেও ছিল। ডাক্তার, নার্স কি করবে এতো রোগী হাটার জায়গা নাই তবু তারা চেষ্টা করছে, জানান তিনি।
গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে বেশির ভাগ রোগী ভর্তি হচ্ছে জ্বর, ডায়রিয়া নিয়ে এবং একজন ডেঙ্গু রোগী আছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি মাত্র ছয় জন ডাক্তার এখানে। এতো রোগী নিয়ে হিমশিম খেলেও সবাই চেষ্টা করছে। তবে সবাইকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং বাড়ির আশেপাশে পরিস্কার রাখতে হবে যাতে এডিস মশা জন্মাতে না পারে। তাছাড়া সবাইকে খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে যাতে বাশি বা পচা খাবার থেকে সবাই বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

হাসপাতালের সিট না পেয়ে বারান্দায় নিয়েছেন সিট

গোয়ালন্দের হাসপাতালে রোগীর চাপ, হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার-স্বাস্থ্য কর্মীরা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ ৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৭ জনের উপর রোগী ভর্তি ফলে হিমশিম খেতে হচ্ছে ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীদের। বিশেষ করে ডায়রিয়া, জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি সেই সাথে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।  মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় হাসপাতালের বেডে জায়গা নেই, বারান্দায়, প্রবেশ পথে এবং অপারেশন থিয়েটারের যাওয়ার খালি জায়গায় কোথাও তিল ধারণের ঠাই নেই। এসময় হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডাঃ শরিফুল ইসলাম কে দেখা যায়  রোগীদের দেখতে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার ৭৭ জন রোগী ভর্তি থাকলেও বারোটা পর্যন্ত আরও দশজন ভর্তি হয়েছে। তখনও নিচে অনেক কে ভর্তি স্লিপ হাতে উপরে যেতে দেখা যায় বিশেষ করে মহিলা ওয়ার্ডে কোন বেড না থাকায় বাড়ি থেকে বিছানার চাদর নিয়ে এসে অনেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। অধিকাংশ রোগী জ্বর, ডায়রিয়া ও পেট ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। শিশুদের ও জ্বর ও ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া একজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে তবে ডাক্তারদের আশঙ্কা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।
হাসপাতালে পেট ব্যাথা ও জ্বর সংক্রান্ত জটিলতায় ভর্তি হয়েছেন উজানচর ইউনিয়নের রাহেলা বেগম (৪২। গতকাল রাতে ভর্তি হলেও তিনি কোন সিট পাননি তাকে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে তবে ডাক্তার আসছিল চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে জানান তিনি। সুসমা আক্তার তার ছেলেকে নিয়ে গত দুদিন হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি হাসপাতালের বেডে সিট না পেয়ে বারান্দায় সিট নিয়েছেন।  আবজাল গতকাল মেয়েকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন তিনি অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার খালি জায়গায় বেডে জায়গা পেয়েছেন। তিনি বললেন ডাক্তার রাতেও আসছিল আবার সকালেও ছিল। ডাক্তার, নার্স কি করবে এতো রোগী হাটার জায়গা নাই তবু তারা চেষ্টা করছে, জানান তিনি।
গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে বেশির ভাগ রোগী ভর্তি হচ্ছে জ্বর, ডায়রিয়া নিয়ে এবং একজন ডেঙ্গু রোগী আছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি মাত্র ছয় জন ডাক্তার এখানে। এতো রোগী নিয়ে হিমশিম খেলেও সবাই চেষ্টা করছে। তবে সবাইকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং বাড়ির আশেপাশে পরিস্কার রাখতে হবে যাতে এডিস মশা জন্মাতে না পারে। তাছাড়া সবাইকে খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে যাতে বাশি বা পচা খাবার থেকে সবাই বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।