ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ঘুষ টাকা ফেরত দিলেন ঔষধ প্রশাসনের অফিসের সহকারী

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৪৬ বার পঠিত
পিরোজপুরে ঘুষ টাকা ফেরত দিলেন ঔষধ প্রশাসনের অফিসের সহকারী। গতকাল রোববার পিরোজপুর জেলা ঔষধ প্রশাসনের কার্যলয়ে অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম তিনি ঘুষের টাকা ফেরত দেন। জানাযায়,ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৮০৫ টাকা সরকারি ফি হিসেবে জমা নেওয়া হয়।কিন্তু সহকারী তৌহিদুল ইসলাম লাইসেন্স প্রতি তিন হাজার টাকা আদায় করেন।
তিনি পিরোজপুর ঔষধ প্রশাসন অফিসে ২০২৩ সালে  যোগদান করেন। তারপর থেকে বিভিন্ন ভাবে দূর্নীতিতে জরিয়ে পরেন অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ড্রাগ লাইসেন্স প্রোপাইটাররা জানিয়েছেন তিনি বিভিন্ন ভাবে লাইসেন্স নবায়নের জন্য তিন থেকে চার হাজার নিয়েছেন।এবিষয়ে ভুক্তভোগী নুসরাত মেডিকেল হলের প্রোপাইটর শিহাব উদ্দিন বলেন,আমি বর্তমান মাসের ১৬ তারিখে লাইসেন্স নবায়নের জন্য অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলামের কাছে যাই।
সে আমার কাছে বিভিন্ন অজুহাতে তিন হাজার টাকা দাবি করেন।পরে আমার কাছ থেকে দুই হাজার নয়শত টাকা নেয়। গতকাল রবিবার সকালে লাইসেন্স জন্য ঔষুধ প্রশাসন অফিসে যাই। তখন লাইসেন্স হাতে পেয়ে টাকার রিসিভ চাওয়া হয়।পরবর্তীতে অফিস সহকারী তৌহিদুল আটশত পাঁচ টাকার রিসিভ বের করে দেয়। তখন সাংবাদিক  সামনে আমাকে একহাজার  টাকা ফেরত দেয়।
এবং সে বলেন আমার ভুল হয়েছে আর এরকম ভুল হবে না। আমাকে মাফ করে দেন। অভিযুক্ত অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম বলেন,আমার ভূল হয়েছে। সামনে এই ধরনের ভূল হবে না। সোনালি ফার্মেসী প্রোপাইটার ইউনুস আলী,হুমায়রা মেডিকেল  প্রোপাইটার হেলাল উদ্দিন,তারা জানান,আমাদের কাজ থেকে তিন হাজার টাকা নিছে তৌহিদুল। পিরোজপুর জেলা ঔষধ প্রশাসনের সুপার রাহুল কৃষ্ণ রায় জানান,অতিরিক্ত টাকা নেওয়া কোন মানে আসে না। এ বিষয় খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ঘুষ টাকা ফেরত দিলেন ঔষধ প্রশাসনের অফিসের সহকারী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
পিরোজপুরে ঘুষ টাকা ফেরত দিলেন ঔষধ প্রশাসনের অফিসের সহকারী। গতকাল রোববার পিরোজপুর জেলা ঔষধ প্রশাসনের কার্যলয়ে অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম তিনি ঘুষের টাকা ফেরত দেন। জানাযায়,ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৮০৫ টাকা সরকারি ফি হিসেবে জমা নেওয়া হয়।কিন্তু সহকারী তৌহিদুল ইসলাম লাইসেন্স প্রতি তিন হাজার টাকা আদায় করেন।
তিনি পিরোজপুর ঔষধ প্রশাসন অফিসে ২০২৩ সালে  যোগদান করেন। তারপর থেকে বিভিন্ন ভাবে দূর্নীতিতে জরিয়ে পরেন অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ড্রাগ লাইসেন্স প্রোপাইটাররা জানিয়েছেন তিনি বিভিন্ন ভাবে লাইসেন্স নবায়নের জন্য তিন থেকে চার হাজার নিয়েছেন।এবিষয়ে ভুক্তভোগী নুসরাত মেডিকেল হলের প্রোপাইটর শিহাব উদ্দিন বলেন,আমি বর্তমান মাসের ১৬ তারিখে লাইসেন্স নবায়নের জন্য অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলামের কাছে যাই।
সে আমার কাছে বিভিন্ন অজুহাতে তিন হাজার টাকা দাবি করেন।পরে আমার কাছ থেকে দুই হাজার নয়শত টাকা নেয়। গতকাল রবিবার সকালে লাইসেন্স জন্য ঔষুধ প্রশাসন অফিসে যাই। তখন লাইসেন্স হাতে পেয়ে টাকার রিসিভ চাওয়া হয়।পরবর্তীতে অফিস সহকারী তৌহিদুল আটশত পাঁচ টাকার রিসিভ বের করে দেয়। তখন সাংবাদিক  সামনে আমাকে একহাজার  টাকা ফেরত দেয়।
এবং সে বলেন আমার ভুল হয়েছে আর এরকম ভুল হবে না। আমাকে মাফ করে দেন। অভিযুক্ত অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম বলেন,আমার ভূল হয়েছে। সামনে এই ধরনের ভূল হবে না। সোনালি ফার্মেসী প্রোপাইটার ইউনুস আলী,হুমায়রা মেডিকেল  প্রোপাইটার হেলাল উদ্দিন,তারা জানান,আমাদের কাজ থেকে তিন হাজার টাকা নিছে তৌহিদুল। পিরোজপুর জেলা ঔষধ প্রশাসনের সুপার রাহুল কৃষ্ণ রায় জানান,অতিরিক্ত টাকা নেওয়া কোন মানে আসে না। এ বিষয় খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।