ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

চলছে জমি থেকে মাটি কাটার মহোৎসব, নেই প্রশাসনের নজরদারি

কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রধিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৪৪ বার পঠিত
 কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা জুড়ে চলছে দিনে রাতে এই কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার মহোউৎসব। নেই প্রশাসনের নজরদারি। অবৈধ মোনাফার জন্য এসব কাজ করে যাচ্ছে কিছু অসাধু মাটি খেকোরা।
কটিয়াদী উপজেলাধীন জালালপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া গ্রামে দিনে রাতে জমি হতে কেটে নেয়া মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে জায়গা জমি, সরবরাহ করা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়েছে। পরিবেশ আইন অনুযায়ী কৃষিজমির মাটি কাটা দন্ডনীয় অপরাধ।
জানা যায়,পরিবেশ সংরণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১২ এর ৬ ধারায়) অনুযায়ী, প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট টিলা ও পাহাড় নিধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যদিকে ১৯৮৯ সালের ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধিত ২০০১) অনুযায়ী, কৃষি জমির টপ সয়েল বা উপরিভাগের মাটি কেটে শ্রেণি পরিবর্তন করাও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। দুই আইনে শাস্তির বিধান একই রকম। এসব কাজে জড়িত ব্যক্তিদের দুই লাখ টাকার জরিমানা ও দুই বছরের কারাদন্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একই কাজ দ্বিতীয়বার করলে দায়ী ব্যক্তির ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০ বছরের কারাদন্ড হবে। এ ক্ষেত্রে এ কাজের সঙ্গে জড়িত জমি ও ইটভাটার মালিক উভয়ের জন্যই সমান শাস্তির বিধান রাখা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনি আক্তার তারানা বলেন,ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা অপরাধ। যে বা যারা এই অপরাধের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

চলছে জমি থেকে মাটি কাটার মহোৎসব, নেই প্রশাসনের নজরদারি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
 কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা জুড়ে চলছে দিনে রাতে এই কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার মহোউৎসব। নেই প্রশাসনের নজরদারি। অবৈধ মোনাফার জন্য এসব কাজ করে যাচ্ছে কিছু অসাধু মাটি খেকোরা।
কটিয়াদী উপজেলাধীন জালালপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া গ্রামে দিনে রাতে জমি হতে কেটে নেয়া মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে জায়গা জমি, সরবরাহ করা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়েছে। পরিবেশ আইন অনুযায়ী কৃষিজমির মাটি কাটা দন্ডনীয় অপরাধ।
জানা যায়,পরিবেশ সংরণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১২ এর ৬ ধারায়) অনুযায়ী, প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট টিলা ও পাহাড় নিধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যদিকে ১৯৮৯ সালের ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধিত ২০০১) অনুযায়ী, কৃষি জমির টপ সয়েল বা উপরিভাগের মাটি কেটে শ্রেণি পরিবর্তন করাও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। দুই আইনে শাস্তির বিধান একই রকম। এসব কাজে জড়িত ব্যক্তিদের দুই লাখ টাকার জরিমানা ও দুই বছরের কারাদন্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একই কাজ দ্বিতীয়বার করলে দায়ী ব্যক্তির ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০ বছরের কারাদন্ড হবে। এ ক্ষেত্রে এ কাজের সঙ্গে জড়িত জমি ও ইটভাটার মালিক উভয়ের জন্যই সমান শাস্তির বিধান রাখা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনি আক্তার তারানা বলেন,ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা অপরাধ। যে বা যারা এই অপরাধের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি।