ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

চাহিদা বাড়তেই পণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী: বিপাকে সাধারণ জণগণ

জাহাঙ্গীর আলম, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৭৮ বার পঠিত
জাহাঙ্গীর আলম, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য ও কাঁচাবাজারের বিভিন্ন পণ্যের দাম হঠাৎ করেই ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। বাজারে গিয়ে অনেক ক্রেতাকেই হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। রমজানকে সামনে রেখে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় খেজুর ও ফলমূলের বাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট। আগে প্রতি কেজি খেজুর ২০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২২০ টাকায় উঠেছে। একইভাবে আঙ্গুরের দাম ৪০০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৪৫০ টাকায় পৌঁছেছে।
শুধু ফলমূল নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের দামও বেড়েছে। পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে প্রায় ১০ টাকা এবং রসুনের দাম প্রায় ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দেশীয় মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
সবজি বাজারেও দেখা গেছে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। দুই দিন আগেও শসা প্রতি কেজি ২৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ টাকায় উঠেছে। এক সপ্তাহ আগে লেবুর হালি ৩২ টাকা থাকলেও এখন তা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি বেগুন ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৫০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা এবং গাজর ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির কারণে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রমজান সামনে রেখে অতিরিক্ত কেনাকাটার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে তারা বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ অনুভব করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং রমজানকে ঘিরে চাহিদা বাড়ার কারণে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।
এদিকে সাধারণ মানুষের দাবি, রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং জোরদার করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

চাহিদা বাড়তেই পণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী: বিপাকে সাধারণ জণগণ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জাহাঙ্গীর আলম, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য ও কাঁচাবাজারের বিভিন্ন পণ্যের দাম হঠাৎ করেই ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। বাজারে গিয়ে অনেক ক্রেতাকেই হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। রমজানকে সামনে রেখে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় খেজুর ও ফলমূলের বাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট। আগে প্রতি কেজি খেজুর ২০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২২০ টাকায় উঠেছে। একইভাবে আঙ্গুরের দাম ৪০০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৪৫০ টাকায় পৌঁছেছে।
শুধু ফলমূল নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের দামও বেড়েছে। পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে প্রায় ১০ টাকা এবং রসুনের দাম প্রায় ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দেশীয় মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
সবজি বাজারেও দেখা গেছে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। দুই দিন আগেও শসা প্রতি কেজি ২৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ টাকায় উঠেছে। এক সপ্তাহ আগে লেবুর হালি ৩২ টাকা থাকলেও এখন তা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি বেগুন ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৫০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা এবং গাজর ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির কারণে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রমজান সামনে রেখে অতিরিক্ত কেনাকাটার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে তারা বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ অনুভব করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং রমজানকে ঘিরে চাহিদা বাড়ার কারণে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।
এদিকে সাধারণ মানুষের দাবি, রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং জোরদার করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।