ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

দুই উপজেলায় দ্বৈত দায়িত্ব পালনের অভিযোগ কাজী মোতাহার উদ্দীনের বিরুদ্ধে

পিরোজপুর অফিস :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:২১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৯ বার পঠিত
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ৩নং দেউলবাড়ী দোবড়া ইউনিয়নের মুসলিম নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার (কাজী) মাওলানা মো. মোতাহার উদ্দীনের বিরুদ্ধে একইসঙ্গে দুই উপজেলায় দায়িত্ব পালনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি একদিকে নাজিরপুরে নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করছেন, অন্যদিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার পাবুরিয়া চালা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে কর্মরত আছেন এবং সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। বিবাহ নিবন্ধন নীতিমালা-২০০৯ অনুযায়ী, কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার সরকারি চাকরি বা আর্থিক লাভজনক অন্য কোনো পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না। এছাড়া, রেজিস্ট্রারকে নিজ এলাকায় স্থায়ীভাবে অবস্থান করে কেবল নির্ধারিত এলাকায় দায়িত্ব পালনের নিয়ম রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মোতাহার উদ্দীন নাজিরপুরে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। স্থানীয়রা জানান, তিনি তাঁর শ্যালক ডুমরিয়া নেছারিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা ওয়ালীউল্লাহকে দিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করান। এতে জনগণ সময়মতো নিকাহ ও তালাক সংক্রান্ত সেবা না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি ওয়ালীউল্লাহ নিজ কর্মস্থল ফাঁকি দিয়ে বিয়ে পড়াতে গেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও ব্যাঘাত ঘটে। এই পরিস্থিতি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদঘাটন করা প্রয়োজন। অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মাওলানা মোতাহার উদ্দীন প্রথমে পরের দিন কথা বলবেন বলে সময় নিলেও পরে ফোন রিসিভ করেননি। তাঁর শ্যালক মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “এখন কথা বলা সম্ভব নয়, পরে জানাব।” নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, “দুই উপজেলায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই। যে এলাকায় লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন করবেন। বিষয়টি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পিরোজপুর জেলা রেজিস্ট্রার শেখ মোহাম্মদ মছিউল ইসলাম জানান, “কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রারকে যে এলাকার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তিনি কেবল সেই এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

দুই উপজেলায় দ্বৈত দায়িত্ব পালনের অভিযোগ কাজী মোতাহার উদ্দীনের বিরুদ্ধে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:২১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ৩নং দেউলবাড়ী দোবড়া ইউনিয়নের মুসলিম নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার (কাজী) মাওলানা মো. মোতাহার উদ্দীনের বিরুদ্ধে একইসঙ্গে দুই উপজেলায় দায়িত্ব পালনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি একদিকে নাজিরপুরে নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করছেন, অন্যদিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার পাবুরিয়া চালা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে কর্মরত আছেন এবং সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। বিবাহ নিবন্ধন নীতিমালা-২০০৯ অনুযায়ী, কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার সরকারি চাকরি বা আর্থিক লাভজনক অন্য কোনো পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না। এছাড়া, রেজিস্ট্রারকে নিজ এলাকায় স্থায়ীভাবে অবস্থান করে কেবল নির্ধারিত এলাকায় দায়িত্ব পালনের নিয়ম রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মোতাহার উদ্দীন নাজিরপুরে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। স্থানীয়রা জানান, তিনি তাঁর শ্যালক ডুমরিয়া নেছারিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা ওয়ালীউল্লাহকে দিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করান। এতে জনগণ সময়মতো নিকাহ ও তালাক সংক্রান্ত সেবা না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি ওয়ালীউল্লাহ নিজ কর্মস্থল ফাঁকি দিয়ে বিয়ে পড়াতে গেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও ব্যাঘাত ঘটে। এই পরিস্থিতি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদঘাটন করা প্রয়োজন। অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মাওলানা মোতাহার উদ্দীন প্রথমে পরের দিন কথা বলবেন বলে সময় নিলেও পরে ফোন রিসিভ করেননি। তাঁর শ্যালক মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “এখন কথা বলা সম্ভব নয়, পরে জানাব।” নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, “দুই উপজেলায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই। যে এলাকায় লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন করবেন। বিষয়টি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পিরোজপুর জেলা রেজিস্ট্রার শেখ মোহাম্মদ মছিউল ইসলাম জানান, “কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রারকে যে এলাকার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তিনি কেবল সেই এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।”