ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

দুপচাঁচিয়ায় সনাতন ধর্মালম্বীদের দেবী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

সুশান্ত মালাকার, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫১ বার পঠিত
সুশান্ত মালাকার দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
সারা দেশের ন্যায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় সনাতন ধর্মালম্বীদের বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯মাঘ ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সনাতন ধর্মালম্বী এ পূজা আড়ম্বরপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।সনাতন ধর্মমতে, বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী সরস্বতী। প্রতিবছর বাংলা সনের মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই দিনে শ্বেতশুভ্র পোশাকে দেবীর পূজা, পুষ্পাঞ্জলি, শিশুদের হাতে খড়ি এবং বই এর পূজা করা হয়। হলুদ পোশাক ও ফুলের ব্যবহার এই পূজা বিশেষ অংশ যা বসন্তের আগমন এবং শিক্ষার নতুন সূচনাকে নির্দেশ করে। পূজারদিন সকালে পুরোহিত ঘি ও কাজল দিয়ে দেবীর চক্ষুদান করেন। সেই সঙ্গে শুদ্ধাচারে (স্বরস্বতী মহাভাগে বিদ্যা কমললোচনে বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যংদেহী নমোহস্ততে,) এই মন্ত্রপাঠ করে দেবীর পায়ে পুষ্পাঞ্জলি দেয়া হয়। শিশুদের বর্ণমালা বা বিদ্যা চর্চা শুরুর জন্য এই দিনটি অত্যন্ত শুভ। একে ‘হাতে খড়ি’ বলা হয়। শিক্ষার্থীরা বই-খাতা দেবীর পায়ে অর্পণ করে জ্ঞানার্জনের জন্য প্রার্থনা করেন। এ তিথি উপলক্ষে সনাতন ধর্মালম্বীর শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ ও বাড়িতে সরস্বতী দেবীর প্রতিমা স্থাপন করে পূজা করে থাকেন। পাশাপাশি মন্দির ও অস্থায়ী মন্ডপ সহ অনেকে নিজ বাড়িতে দেবীর পূজা করেন। পূজার পরেরদিনটিকে শীতলাষষ্ঠী হিসাবে পরিচিত। সনাতন ধর্মালম্বীদের বিশ্বাস, উপবাস থেকে এ পূজা করে দেবীর নিকট প্রার্থনা করে দেবীকে সন্তুষ্ট করতে পারলে তারা জ্ঞান, বিদ্যা ও বুদ্ধিতে সফলতা লাভ করতে পারবেন। দেবী সরস্বতী পূজায় নানা ধরনের সামগ্রীর প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে অভ্র-আবীর, আমের মুকুল, দোয়াত-কলম, যবের শিষ, পলাশফুল ও বাসন্তী রংয়ের গাঁধাফুল। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন  এলাকায় এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার কইল গ্রামের কর্মকার পাড়া সার্বজনীন কালিবাড়ি মন্দির, নিমতলা বাসন্তী মন্দির, মালাকার পাড়া ষষ্ঠী তলা সার্বজনীন শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির, কইল পূর্ব পাড়া সার্বজনীন বাসন্তী মন্দির, আলতাফ নগরীর ইবনে সৈয়দ দ্বি-মুখী উচ্চ  বিদ্যালয়,আলতাফ নগর শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রী কলেজ,  সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলতাফ নগর ইবনে সৈয়দ দ্বি-মুখী  উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার প্রাং জানান, সরস্বতী বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী। সেই সঙ্গে কল্যানময়ী, বুদ্ধিদায়িনী ও শক্তির আঁধার হিসাবে সনাতন ধর্মালম্বীরা দেবী সরস্বতীর আরাধনা করে থাকেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

দুপচাঁচিয়ায় সনাতন ধর্মালম্বীদের দেবী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
সুশান্ত মালাকার দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
সারা দেশের ন্যায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় সনাতন ধর্মালম্বীদের বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯মাঘ ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সনাতন ধর্মালম্বী এ পূজা আড়ম্বরপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।সনাতন ধর্মমতে, বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী সরস্বতী। প্রতিবছর বাংলা সনের মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই দিনে শ্বেতশুভ্র পোশাকে দেবীর পূজা, পুষ্পাঞ্জলি, শিশুদের হাতে খড়ি এবং বই এর পূজা করা হয়। হলুদ পোশাক ও ফুলের ব্যবহার এই পূজা বিশেষ অংশ যা বসন্তের আগমন এবং শিক্ষার নতুন সূচনাকে নির্দেশ করে। পূজারদিন সকালে পুরোহিত ঘি ও কাজল দিয়ে দেবীর চক্ষুদান করেন। সেই সঙ্গে শুদ্ধাচারে (স্বরস্বতী মহাভাগে বিদ্যা কমললোচনে বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যংদেহী নমোহস্ততে,) এই মন্ত্রপাঠ করে দেবীর পায়ে পুষ্পাঞ্জলি দেয়া হয়। শিশুদের বর্ণমালা বা বিদ্যা চর্চা শুরুর জন্য এই দিনটি অত্যন্ত শুভ। একে ‘হাতে খড়ি’ বলা হয়। শিক্ষার্থীরা বই-খাতা দেবীর পায়ে অর্পণ করে জ্ঞানার্জনের জন্য প্রার্থনা করেন। এ তিথি উপলক্ষে সনাতন ধর্মালম্বীর শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ ও বাড়িতে সরস্বতী দেবীর প্রতিমা স্থাপন করে পূজা করে থাকেন। পাশাপাশি মন্দির ও অস্থায়ী মন্ডপ সহ অনেকে নিজ বাড়িতে দেবীর পূজা করেন। পূজার পরেরদিনটিকে শীতলাষষ্ঠী হিসাবে পরিচিত। সনাতন ধর্মালম্বীদের বিশ্বাস, উপবাস থেকে এ পূজা করে দেবীর নিকট প্রার্থনা করে দেবীকে সন্তুষ্ট করতে পারলে তারা জ্ঞান, বিদ্যা ও বুদ্ধিতে সফলতা লাভ করতে পারবেন। দেবী সরস্বতী পূজায় নানা ধরনের সামগ্রীর প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে অভ্র-আবীর, আমের মুকুল, দোয়াত-কলম, যবের শিষ, পলাশফুল ও বাসন্তী রংয়ের গাঁধাফুল। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন  এলাকায় এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার কইল গ্রামের কর্মকার পাড়া সার্বজনীন কালিবাড়ি মন্দির, নিমতলা বাসন্তী মন্দির, মালাকার পাড়া ষষ্ঠী তলা সার্বজনীন শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির, কইল পূর্ব পাড়া সার্বজনীন বাসন্তী মন্দির, আলতাফ নগরীর ইবনে সৈয়দ দ্বি-মুখী উচ্চ  বিদ্যালয়,আলতাফ নগর শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রী কলেজ,  সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলতাফ নগর ইবনে সৈয়দ দ্বি-মুখী  উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার প্রাং জানান, সরস্বতী বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী। সেই সঙ্গে কল্যানময়ী, বুদ্ধিদায়িনী ও শক্তির আঁধার হিসাবে সনাতন ধর্মালম্বীরা দেবী সরস্বতীর আরাধনা করে থাকেন।