ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্ৰেপ্তার

টিপু সুলতান, শ্রীপুর (গাজীপুর) 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
  • / ১১৮ বার পঠিত
গাজীপুরের শ্রীপুরে আট বছরের শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৯ মার্চ) সকালে তাকে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার মাওনা (উত্তরপাড়া) বাগে জান্নাত নুরানীয়া হাফেজী মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক হলেন, আব্দুল মালেক। তিনি নেত্রকোণা কলমাকান্দা উপজেলার শিবপুরের (লেংগুরা) বাসিন্দা। তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। ভুক্তভোগী শিশু ওই মাদ্রাসার নুরানী বিভাগে পড়াশোনা করত।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টায় মাদ্রাসার নুরানী বিভাগে শিক্ষক আব্দুল মালেক এই শিশুকে একা পেয়ে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশু ডাক-চিৎকার দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখায় অভিযুক্ত শিক্ষক। এরপর থেকে শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে ভুক্তভোগী শিশু ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার কথা তাদের জানায়। এরপর ওই শিশুর স্বজনরা ঘটনাটি পুলিশকে জানায়।
শ্রীপুর থানার চকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হাসমত উল্লাহ জানান, স্থানীয়দের মধ্যে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা এবং যৌন-নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ হলে লোকজন মাদ্রাসাশিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করে। পরে মাদ্রাসা পরিচালক পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শামীম আকতার বলেন, ধর্ষণচেষ্টা এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে শনিবার রাতে শ্রীপুর থানায় মামলা করেছেন। আসামি আব্দুল মালেককে ওই দিন রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্ৰেপ্তার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৩০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
গাজীপুরের শ্রীপুরে আট বছরের শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৯ মার্চ) সকালে তাকে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার মাওনা (উত্তরপাড়া) বাগে জান্নাত নুরানীয়া হাফেজী মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক হলেন, আব্দুল মালেক। তিনি নেত্রকোণা কলমাকান্দা উপজেলার শিবপুরের (লেংগুরা) বাসিন্দা। তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। ভুক্তভোগী শিশু ওই মাদ্রাসার নুরানী বিভাগে পড়াশোনা করত।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টায় মাদ্রাসার নুরানী বিভাগে শিক্ষক আব্দুল মালেক এই শিশুকে একা পেয়ে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশু ডাক-চিৎকার দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখায় অভিযুক্ত শিক্ষক। এরপর থেকে শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে ভুক্তভোগী শিশু ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার কথা তাদের জানায়। এরপর ওই শিশুর স্বজনরা ঘটনাটি পুলিশকে জানায়।
শ্রীপুর থানার চকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হাসমত উল্লাহ জানান, স্থানীয়দের মধ্যে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা এবং যৌন-নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ হলে লোকজন মাদ্রাসাশিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করে। পরে মাদ্রাসা পরিচালক পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শামীম আকতার বলেন, ধর্ষণচেষ্টা এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে শনিবার রাতে শ্রীপুর থানায় মামলা করেছেন। আসামি আব্দুল মালেককে ওই দিন রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।