ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
কাজী রেজাউল হোসেন চেয়ারম্যান ও ইয়ারুল ইসলাম মহাসচিব পদে পুনর্নির্বাচিত

বিচার বিভাগ সংস্কারের ২৩ দফা প্রস্তাবনা: উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ৪র্থ জাতীয় কাউন্সিল সম্পন্ন

জেমস আব্দুর রহিম রানা:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৬ বার পঠিত
গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার এবং জনমুখী রাজনৈতিক কর্মসূচির অঙ্গীকার নিয়ে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ৪র্থ জাতীয় কাউন্সিল। দিনব্যাপী এ কাউন্সিলে দলীয় নেতৃত্ব পুনর্গঠন, রাজনৈতিক প্রস্তাবনা অনুমোদন এবং বিচার বিভাগ সংস্কারসহ বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে ব্যাপক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কাউন্সিলর, প্রতিনিধি, নেতাকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে কাউন্সিল প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত রাজনৈতিক মিলনমেলায়। সকাল থেকেই জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ব্যানার-ফেস্টুন, স্লোগান এবং রাজনৈতিক প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই কাউন্সিলে উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শামীম আহমেদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের নেতা আবুল হোসেন খান ও আনোয়ার কে মোর্শেদ, সাতক্ষীরার রাজনৈতিক প্রতিনিধি নন্দিতা মন্ডল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের সিনেট সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, আইনজীবী নেতা আব্দুস সামাদ ও জিয়াউর রশিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আবুল কাদের, সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের সভাপ্রধান আবু লায়েস মুন্না, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মামুন মাহবুব, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান কে এম আবু হানিফ হৃদয়, গণ আজাদী লীগের চেয়ারম্যান আতাউল্লাহ খান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবলু, রাজনৈতিক সংগঠক হুমায়ূন কবির শিমুল, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য মহসিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নেতা জোবায়দা কাদের চৌধুরী, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল-এর সভাপতি শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল এবং জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রধান।
অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জাতীয় সংকট উত্তরণে বিকল্প রাজনীতি, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র নির্মাণে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শামীম আহমেদ বলেন, জনগণের ভোটাধিকার, বিচার ও অধিকার প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির সমন্বয় আজ সময়ের দাবি।
কাউন্সিলের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল বিচার বিভাগ সংস্কারের ২৩ দফা প্রস্তাবনা অনুমোদন। প্রস্তাবনায় সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, মামলা জট নিরসন, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিচার কাঠামো, ডিজিটাল বিচার ব্যবস্থা, স্বাধীন জুডিশিয়াল কমিশন, সাক্ষী সুরক্ষা এবং দুর্নীতিমুক্ত বিচার প্রশাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। উপস্থিত অতিথিরা এই প্রস্তাবনাকে সময়োপযোগী ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে এ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন চেয়ারম্যান এবং এ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম মহাসচিব পদে পুনর্নির্বাচিত হন। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন এ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন এ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান, এ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রশিদ এবং এম তাহের উদ্দিন। নবনির্বাচিতদের শপথবাক্য পাঠ করান বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। পুনর্নির্বাচিত চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, বাংলাদেশ কংগ্রেস রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম আরও বেগবান করবে। মহাসচিব এ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম বলেন, এই কাউন্সিল নতুন রাজনৈতিক শক্তি ও নতুন দিকনির্দেশনার ভিত্তি স্থাপন করেছে। দিনশেষে নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে অভিনন্দন, বিচার বিভাগ সংস্কার প্রস্তাবনা অনুমোদন এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে কাউন্সিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বহুদলীয় অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব পুনর্নির্বাচন এবং বিচার বিভাগ সংস্কার প্রস্তাবনার কারণে বাংলাদেশ কংগ্রেসের এই কাউন্সিল বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কাজী রেজাউল হোসেন চেয়ারম্যান ও ইয়ারুল ইসলাম মহাসচিব পদে পুনর্নির্বাচিত

বিচার বিভাগ সংস্কারের ২৩ দফা প্রস্তাবনা: উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ৪র্থ জাতীয় কাউন্সিল সম্পন্ন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার এবং জনমুখী রাজনৈতিক কর্মসূচির অঙ্গীকার নিয়ে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ৪র্থ জাতীয় কাউন্সিল। দিনব্যাপী এ কাউন্সিলে দলীয় নেতৃত্ব পুনর্গঠন, রাজনৈতিক প্রস্তাবনা অনুমোদন এবং বিচার বিভাগ সংস্কারসহ বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে ব্যাপক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কাউন্সিলর, প্রতিনিধি, নেতাকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে কাউন্সিল প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত রাজনৈতিক মিলনমেলায়। সকাল থেকেই জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ব্যানার-ফেস্টুন, স্লোগান এবং রাজনৈতিক প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই কাউন্সিলে উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শামীম আহমেদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের নেতা আবুল হোসেন খান ও আনোয়ার কে মোর্শেদ, সাতক্ষীরার রাজনৈতিক প্রতিনিধি নন্দিতা মন্ডল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের সিনেট সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, আইনজীবী নেতা আব্দুস সামাদ ও জিয়াউর রশিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আবুল কাদের, সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের সভাপ্রধান আবু লায়েস মুন্না, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মামুন মাহবুব, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান কে এম আবু হানিফ হৃদয়, গণ আজাদী লীগের চেয়ারম্যান আতাউল্লাহ খান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবলু, রাজনৈতিক সংগঠক হুমায়ূন কবির শিমুল, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য মহসিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নেতা জোবায়দা কাদের চৌধুরী, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল-এর সভাপতি শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল এবং জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রধান।
অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জাতীয় সংকট উত্তরণে বিকল্প রাজনীতি, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র নির্মাণে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শামীম আহমেদ বলেন, জনগণের ভোটাধিকার, বিচার ও অধিকার প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির সমন্বয় আজ সময়ের দাবি।
কাউন্সিলের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল বিচার বিভাগ সংস্কারের ২৩ দফা প্রস্তাবনা অনুমোদন। প্রস্তাবনায় সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, মামলা জট নিরসন, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিচার কাঠামো, ডিজিটাল বিচার ব্যবস্থা, স্বাধীন জুডিশিয়াল কমিশন, সাক্ষী সুরক্ষা এবং দুর্নীতিমুক্ত বিচার প্রশাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। উপস্থিত অতিথিরা এই প্রস্তাবনাকে সময়োপযোগী ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে এ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন চেয়ারম্যান এবং এ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম মহাসচিব পদে পুনর্নির্বাচিত হন। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন এ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন এ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান, এ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রশিদ এবং এম তাহের উদ্দিন। নবনির্বাচিতদের শপথবাক্য পাঠ করান বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। পুনর্নির্বাচিত চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, বাংলাদেশ কংগ্রেস রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম আরও বেগবান করবে। মহাসচিব এ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম বলেন, এই কাউন্সিল নতুন রাজনৈতিক শক্তি ও নতুন দিকনির্দেশনার ভিত্তি স্থাপন করেছে। দিনশেষে নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে অভিনন্দন, বিচার বিভাগ সংস্কার প্রস্তাবনা অনুমোদন এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে কাউন্সিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বহুদলীয় অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব পুনর্নির্বাচন এবং বিচার বিভাগ সংস্কার প্রস্তাবনার কারণে বাংলাদেশ কংগ্রেসের এই কাউন্সিল বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।