ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

নলছিটিতে তারা মন্দিরের পাশে সুপার শপের ব্যানার খোলা, কিছুটা সামনে মাদ্রাসার ব্যানার উধাও

মো. মাহবুব তালুকদার
নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

ঝালকাঠির নলছিটি পৌর শহরের পীর মোয়াজ্জেম হোসেন সড়কের (হাসপাতাল রোড) শ্রীশ্রী তারা মন্দিরের সামনে স্বপ্ন সুপার শপ ও রাইসা বিউটি পার্লারের ব্যানার খুলে রাখা অবস্থায় দেখা গেছে। তবে এর কিছুটা সামনে একটি মহিলা হাফেজি ও কওমি মাদ্রাসার প্রচার-প্রচারণার জন্য লাগানো নতুন কাঠের বোর্ডসহ ব্যানারটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাদ্রাসার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা হাফেজ মো. মাহমুদুল হাসান ও স্বপ্ন সুপার শপের মালিক মো. মোবাশ্বের।

জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে নলছিটি-পীর মোয়াজ্জেম হোসেন সড়কের (হাসপাতাল রোড) কাজী অফিসের বিপরীত পাশে, শ্রীশ্রী তারা মন্দিরের কিছুটা সামনে উম্মুল মুমিনীন হযরত জুয়াইরিয়া (রা.) আরবি মডেল মহিলা হাফেজি ও কওমি মাদ্রাসার প্রচার-প্রচারণার জন্য নতুন কাঠের বোর্ডে একটি ব্যানার লাগানো হয়।

ব্যানারটি লাগানোর দুই দিন পর, আজ ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে খোঁজাখুঁজি করেও সেটি পাওয়া যায়নি বলে জানান মাদ্রাসার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা হাফেজ মো. মাহমুদুল হাসান। তাঁর ভাষ্য, ব্যানারটি কে বা কারা খুলে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তবে আশপাশের কোথাও সেটি খুঁজে না পাওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হাফেজ মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, মাদ্রাসার প্রচার-প্রচারণার জন্য নতুন কাঠের বোর্ডে ব্যানারটি লাগানো হয়েছিল। কারও কোনো প্রয়োজনে সেটি সরানোর দরকার হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো যেত। কিন্তু ব্যানারটি খুঁজে না পাওয়ায় তিনি হতাশ হয়েছেন এবং এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, শ্রীশ্রী তারা মন্দিরের সামনে স্বপ্ন সুপার শপ ও রাইসা বিউটি পার্লারের দুটি ব্যানার খুলে রাখা অবস্থায় দেখা যায়। এ বিষয়ে স্বপ্ন সুপার শপের মালিক মো. মোবাশ্বের বলেন, “আমার ব্যানারে মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। কারও কোনো অনুষ্ঠান বা অন্য কোনো প্রয়োজনে ব্যানার খুলে দেওয়ার দরকার হলে ফোন করে জানালেই পারতেন। প্রয়োজনে আমি নিজেই খুলে দিতাম। কিন্তু কিছু না জানিয়ে এভাবে ব্যানার খুলে ফেলা ভদ্রতা ও সৌজন্যবোধের পরিচয় নয়। এ ধরনের আচরণ দুঃখজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

এ বিষয়ে শ্রীশ্রী তারা মন্দির পূজা কমিটির সভাপতি মিঠুন কর্মকার জানান, ব্যানারটি কে বা কারা খুলেছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রচারণার ব্যানার বা বোর্ড সরানোর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবহিত করে তা করা উচিত। এতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় থাকে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।

তবে মাদ্রাসার ব্যানারটি কে বা কারা সরিয়েছে এবং কী কারণে সরানো হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
10 October 2026

গাইবান্ধায় স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

নলছিটিতে তারা মন্দিরের পাশে সুপার শপের ব্যানার খোলা, কিছুটা সামনে মাদ্রাসার ব্যানার উধাও

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

মো. মাহবুব তালুকদার
নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

ঝালকাঠির নলছিটি পৌর শহরের পীর মোয়াজ্জেম হোসেন সড়কের (হাসপাতাল রোড) শ্রীশ্রী তারা মন্দিরের সামনে স্বপ্ন সুপার শপ ও রাইসা বিউটি পার্লারের ব্যানার খুলে রাখা অবস্থায় দেখা গেছে। তবে এর কিছুটা সামনে একটি মহিলা হাফেজি ও কওমি মাদ্রাসার প্রচার-প্রচারণার জন্য লাগানো নতুন কাঠের বোর্ডসহ ব্যানারটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাদ্রাসার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা হাফেজ মো. মাহমুদুল হাসান ও স্বপ্ন সুপার শপের মালিক মো. মোবাশ্বের।

জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে নলছিটি-পীর মোয়াজ্জেম হোসেন সড়কের (হাসপাতাল রোড) কাজী অফিসের বিপরীত পাশে, শ্রীশ্রী তারা মন্দিরের কিছুটা সামনে উম্মুল মুমিনীন হযরত জুয়াইরিয়া (রা.) আরবি মডেল মহিলা হাফেজি ও কওমি মাদ্রাসার প্রচার-প্রচারণার জন্য নতুন কাঠের বোর্ডে একটি ব্যানার লাগানো হয়।

ব্যানারটি লাগানোর দুই দিন পর, আজ ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে খোঁজাখুঁজি করেও সেটি পাওয়া যায়নি বলে জানান মাদ্রাসার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা হাফেজ মো. মাহমুদুল হাসান। তাঁর ভাষ্য, ব্যানারটি কে বা কারা খুলে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তবে আশপাশের কোথাও সেটি খুঁজে না পাওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হাফেজ মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, মাদ্রাসার প্রচার-প্রচারণার জন্য নতুন কাঠের বোর্ডে ব্যানারটি লাগানো হয়েছিল। কারও কোনো প্রয়োজনে সেটি সরানোর দরকার হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো যেত। কিন্তু ব্যানারটি খুঁজে না পাওয়ায় তিনি হতাশ হয়েছেন এবং এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, শ্রীশ্রী তারা মন্দিরের সামনে স্বপ্ন সুপার শপ ও রাইসা বিউটি পার্লারের দুটি ব্যানার খুলে রাখা অবস্থায় দেখা যায়। এ বিষয়ে স্বপ্ন সুপার শপের মালিক মো. মোবাশ্বের বলেন, “আমার ব্যানারে মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। কারও কোনো অনুষ্ঠান বা অন্য কোনো প্রয়োজনে ব্যানার খুলে দেওয়ার দরকার হলে ফোন করে জানালেই পারতেন। প্রয়োজনে আমি নিজেই খুলে দিতাম। কিন্তু কিছু না জানিয়ে এভাবে ব্যানার খুলে ফেলা ভদ্রতা ও সৌজন্যবোধের পরিচয় নয়। এ ধরনের আচরণ দুঃখজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

এ বিষয়ে শ্রীশ্রী তারা মন্দির পূজা কমিটির সভাপতি মিঠুন কর্মকার জানান, ব্যানারটি কে বা কারা খুলেছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রচারণার ব্যানার বা বোর্ড সরানোর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবহিত করে তা করা উচিত। এতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় থাকে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।

তবে মাদ্রাসার ব্যানারটি কে বা কারা সরিয়েছে এবং কী কারণে সরানো হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

Share this news as a Photo Card