ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে আলোচনায় মাসুম বিল্লাহ

মোঃ শরিফ মিয়া, রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / ১০ বার পঠিত
মোঃ শরিফ মিয়া,রূপগঞ্জ প্রতিনিধি:   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্ত।জেলা ছাত্রদলের কার্যক্রম চাঙ্গা করতে আসছে নতুন কমিটি।কমিটির নেতৃত্বে কে আসছেন তা চূড়ান্ত করতে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।নতুন কমিটি আরো আরও গতিশীল করতে যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের যাচাই-বাচাই চলছে। সম্ভাব্য পদ প্রত্যাশীরা তাদের যোগ্যতা ও সক্ষমতা প্রমাণে দৌড়ঝাপ করছেন।এই প্রক্রিয়ায় শীর্ষ পদের আলোচনায় তৃনমূল ও সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছে  আলোচনায় আছেন  রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহ`র নাম।
রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আল বাকির আবির বলেন মাসুম বিল্লাহ কেবল পদধারী নেতা নন, বরং রাজপথের একজন লড়াকু সৈনিক হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত।বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।বিশেষ করে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান এবং তার পরবর্তী সময়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত রাখতে তিনি সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া এই ছাত্রনেতা প্রতিকূল সময়েও মাঠ ছেড়ে যাননি।
তৃণমূল থেকে উঠে আসা মাসুম বিল্লাহ  ইতিপূর্বে সরকারি মুড়াপাড়া কলেজ শাখা ছাত্রদল ও রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পালনকালে তার সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়েছেন।সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সুখে-দুখে পাশে থাকার কারণে ছাত্রদলের বিশাল একটি অংশ আমরা তাঁকে আগামী দিনের নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কান্ডারি হিসেবে দেখতে চাই।কর্মীদের মতে,মাসুম বিল্লাহ একজন সুশৃঙ্খল নেতা,যিনি চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে কঠোর।
উল্লেখ্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন ছাত্রদলে ‘ক্লিন ইমেজ’ এবং ‘পরিক্ষিত’ নেতাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন, তখন মাসুম বিল্লাহ যোগ্যতার মাপকাঠিতে অনেকটাই এগিয়ে।তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ নেই, যা বর্তমান সময়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অত্যন্ত জরুরি।নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু`র নির্দেশনায় রূপগঞ্জ উপজেলা`কে মাদক মুক্ত করতে ইতিমধ্যে নিজের জীবন বাজি রেখে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আবু হানিফকে কোটি টাকার মাদকসহ আটক করে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়ে ছাত্র -জনতার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে এই ছাত্রদল নেতা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁকে  নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন সাধারণ কর্মীরা।নেতাকর্মীদের দাবি, মাসুম বিল্লাহ`র  মতো ত্যাগী ও সাহসী নেতাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের  শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হলে ছাত্রদল শুধু শক্তিশালীই হবে না, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে।
নিজের প্রার্থিতা ও আলোচনা প্রসঙ্গে মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা অনেকেই পদ প্রত্যাশী। তবে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের জন্য যে সিদ্ধান্ত নেবেন,আমরা কর্মীরা সেটাই মেনে নিয়ে সংগঠনের ঐক্য এবং দেশের মানুষের অধিকারের জন্য কাজ করবো।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে আলোচনায় মাসুম বিল্লাহ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
মোঃ শরিফ মিয়া,রূপগঞ্জ প্রতিনিধি:   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্ত।জেলা ছাত্রদলের কার্যক্রম চাঙ্গা করতে আসছে নতুন কমিটি।কমিটির নেতৃত্বে কে আসছেন তা চূড়ান্ত করতে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।নতুন কমিটি আরো আরও গতিশীল করতে যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের যাচাই-বাচাই চলছে। সম্ভাব্য পদ প্রত্যাশীরা তাদের যোগ্যতা ও সক্ষমতা প্রমাণে দৌড়ঝাপ করছেন।এই প্রক্রিয়ায় শীর্ষ পদের আলোচনায় তৃনমূল ও সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছে  আলোচনায় আছেন  রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহ`র নাম।
রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আল বাকির আবির বলেন মাসুম বিল্লাহ কেবল পদধারী নেতা নন, বরং রাজপথের একজন লড়াকু সৈনিক হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত।বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।বিশেষ করে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান এবং তার পরবর্তী সময়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত রাখতে তিনি সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া এই ছাত্রনেতা প্রতিকূল সময়েও মাঠ ছেড়ে যাননি।
তৃণমূল থেকে উঠে আসা মাসুম বিল্লাহ  ইতিপূর্বে সরকারি মুড়াপাড়া কলেজ শাখা ছাত্রদল ও রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পালনকালে তার সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়েছেন।সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সুখে-দুখে পাশে থাকার কারণে ছাত্রদলের বিশাল একটি অংশ আমরা তাঁকে আগামী দিনের নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কান্ডারি হিসেবে দেখতে চাই।কর্মীদের মতে,মাসুম বিল্লাহ একজন সুশৃঙ্খল নেতা,যিনি চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে কঠোর।
উল্লেখ্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন ছাত্রদলে ‘ক্লিন ইমেজ’ এবং ‘পরিক্ষিত’ নেতাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন, তখন মাসুম বিল্লাহ যোগ্যতার মাপকাঠিতে অনেকটাই এগিয়ে।তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ নেই, যা বর্তমান সময়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অত্যন্ত জরুরি।নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু`র নির্দেশনায় রূপগঞ্জ উপজেলা`কে মাদক মুক্ত করতে ইতিমধ্যে নিজের জীবন বাজি রেখে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আবু হানিফকে কোটি টাকার মাদকসহ আটক করে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়ে ছাত্র -জনতার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে এই ছাত্রদল নেতা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁকে  নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন সাধারণ কর্মীরা।নেতাকর্মীদের দাবি, মাসুম বিল্লাহ`র  মতো ত্যাগী ও সাহসী নেতাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের  শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হলে ছাত্রদল শুধু শক্তিশালীই হবে না, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে।
নিজের প্রার্থিতা ও আলোচনা প্রসঙ্গে মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা অনেকেই পদ প্রত্যাশী। তবে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের জন্য যে সিদ্ধান্ত নেবেন,আমরা কর্মীরা সেটাই মেনে নিয়ে সংগঠনের ঐক্য এবং দেশের মানুষের অধিকারের জন্য কাজ করবো।