নীলফামারীতে জ্বালানি পাম্পে ফিরেছে স্বস্তি, কিছু পাম্পে ক্রেতা সংকট

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
- / ১২ বার পঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে ফুয়েল কার্ড ইস্যুর পর জ্বালানি পাম্পগুলোতে স্বস্তি ফিরেছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকলেও কিছু কিছু জ্বালানী ফিলিং স্টেশনগুলোতে ক্রেতা সংকট লক্ষ্য করা গেছে। সম্প্রতি পাম্পগুলোতে জ্বালানি সংগ্রহের অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তা বদলে গেছে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসন গত ২২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করলে আস্তে আস্তে জ্বালানি ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বস্তি ফিরে আসে। জেলায় অধিকাংশ যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় আবেদন কম পড়েছে। এর মধ্যে অনেক আবেদনকারীর কাগজ ত্রুটিপূর্ণ থাকায় জ্বালানি কার্ড বিতরণ কমিটি সব আবেদন মঞ্জুর করেননি। কিছু আবেদন অপেক্ষমান আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ জানান, ১৫ এপ্রিল থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। বৈধ কাগজপত্রধারীর প্রায় সাড়ে ৪ হাজার আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের জন্য মাসে ২০ লিটার এবং কার ও মাইক্রোবাসের জন্য ৫০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ থাকবে। নীলফামারীর মোজাম্মেল এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, প্রায় ক্রেতা শূন্য। ভিড়মুক্ত জ্বালানি পাম্প স্টেশন। জ্বালানি সংগ্রহের জন্য কোন অস্থির পরিস্থিতি নেই। যে কোন নাজুক পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্তপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার, পুলিশ ও আনসার মোতায়েন অবস্থায় আছে। তবে গত ২৩ এপ্রিল সৈয়দপুর উপজেলায় ইকু ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ড ছাড়াই কতিপয় যানবাহনের মালিক অবৈধভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে না পেরে সৈয়দপুর-দিনাজপুর সড়ক অবরোধ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।
মোটরসাইকেল আরোহী শাহজাহান বলেন, এক শ্রেণির অসাধু চক্র জ্বালানি মজুদের জন্য একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছিল। এই চক্রটি বারবার জ্বালানি সংগ্রহ করার কারণে সংকট তৈরি হয়েছিল। ফুয়েল কার্ড কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি ক্রেতাদের আর ভিড় নেই। জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, ৩৮টি ফিলিং স্টেশনেই জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। নিয়ম কানুনই সব অনিয়ম বদলে দিয়েছে। এখন আর কোন অপ্রতিকর অবস্থা সৃষ্টি হয় না।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও জ্বালানি মজুদরোধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফুয়েল কার্ড ছাড়া জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না বলেও তিনি জানান।



















