ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

নীলফামারীর কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলা: ৪৪ দিন পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোস্তাকিম বিল্লাহকে (২২) লালমনিরহাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)।

গ্রেপ্তার মোস্তাকিম বিল্লাহ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের মো. নুরুজ্জামানের ছেলে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৩, সিপিসি-২-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর সঙ্গে মোস্তাকিমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের সূত্রে তারা বিভিন্ন সময়ে নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুন নীলফামারীর উদয়ন পার্কে ঘোরাঘুরি শেষে একটি কক্ষে বিশ্রাম নেওয়ার সময় মোস্তাকিম ওই কলেজছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগও করা হয়।

পরবর্তীতে মোস্তাকিম বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে মোস্তাকিম আত্মগোপনে চলে গেলে ভুক্তভোগীর পরিবার গত ১৬ আগস্ট নীলফামারী সদর থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করে। মামলাটির নম্বর ২৭।

মামলা দায়েরের পর অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এসআরবি গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩-এর সিপিএসসি, রংপুর ও সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের একটি যৌথ দল গত ৩ অক্টোবর বিকেলে লালমনিরহাট সদর থানার তিস্তা ব্রিজ টোল প্লাজার সামনে অভিযান চালায়।

অভিযানে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোস্তাকিম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-১৩, সিপিসি-২ জানায়, গ্রেপ্তার মোস্তাকিমকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার মতো স্পর্শকাতর অপরাধের ক্ষেত্রেও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
13 October 2026

রাণীশংকৈলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

নীলফামারীর কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলা: ৪৪ দিন পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোস্তাকিম বিল্লাহকে (২২) লালমনিরহাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)।

গ্রেপ্তার মোস্তাকিম বিল্লাহ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের মো. নুরুজ্জামানের ছেলে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৩, সিপিসি-২-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর সঙ্গে মোস্তাকিমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের সূত্রে তারা বিভিন্ন সময়ে নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুন নীলফামারীর উদয়ন পার্কে ঘোরাঘুরি শেষে একটি কক্ষে বিশ্রাম নেওয়ার সময় মোস্তাকিম ওই কলেজছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগও করা হয়।

পরবর্তীতে মোস্তাকিম বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে মোস্তাকিম আত্মগোপনে চলে গেলে ভুক্তভোগীর পরিবার গত ১৬ আগস্ট নীলফামারী সদর থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করে। মামলাটির নম্বর ২৭।

মামলা দায়েরের পর অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এসআরবি গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩-এর সিপিএসসি, রংপুর ও সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের একটি যৌথ দল গত ৩ অক্টোবর বিকেলে লালমনিরহাট সদর থানার তিস্তা ব্রিজ টোল প্লাজার সামনে অভিযান চালায়।

অভিযানে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোস্তাকিম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-১৩, সিপিসি-২ জানায়, গ্রেপ্তার মোস্তাকিমকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার মতো স্পর্শকাতর অপরাধের ক্ষেত্রেও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card