ঢাকা, বাংলাদেশ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

পাটুরিয়া ফেরির ক্যান্টিনে বেশি দামে নিম্নমানের খাবার অস্বস্তিতে যাত্রীরা

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী:    রাজধানীর ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগে এক সময় প্রধান মাধ্যম ছিল পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। পদ্মা সেতু চালুর পর এ রুট দিয়ে যাত্রী চলাচল কমলেও দিনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। ফেরি দিয়ে পারাপারের সময় তাঁদের একরকম জিম্মি করে খাবারের ব্যবসা চলছে। প্রতিবাদ করলে লাঞ্ছনার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ।
প্রতিটি ফেরির ক্যান্টিনে খাবারের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। এতে ১৬০ টাকায় দুই প্লেট ভাত, দুই টুকরা খাসির মাংস, দুই টুকরা আলু, এক পেয়ালা ডাল ও ভাজি পাওয়ার কথা। খাসির বদলে মুরগির মাংস দিয়ে ভাত খেলেও একই দাম। মাংস বাদ দিয়ে মাছ নিলে দাম রাখার কথা একটু কমে। আর দুটি ডিম, দুই প্লেট ভাত, এক পেয়ালা ডাল ও ভাজির দাম ধরা হয়েছে ৮০ টাকা। দেখা গেছে, এক টুকরা মাছ, দুই প্লেট ভাত ও এক পেয়ালা ডালের দাম রাখা হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। প্রতি কাপ চা বিক্রি হয় ১০ থেকে ২০ টাকায়। ১৫ টাকার বোতলজাত পানির দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা।
যাত্রীরা বলছেন, পণ্যের গায়ের মুদ্রিত দামের চেয়ে ৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হয়। সম্প্রতি কবরী ফেরি দিয়ে ঢাকা থেকে এক যাত্রী বলেন, ফেরির ক্যান্টিনে প্রতিটি পণ্যের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে বিক্রেতাদের হাতে লাঞ্ছিত হতে হয়।
অন্য এক যাত্রী বলেন প্রচন্ড খিদে লেগেছে বললাম ভাত খাওয়ান সাথে কি রয়েছে। ফ্রি দোকানদার বললেন ইলিশ মাছ। কিন্তু খেলাম পুটি মাছ। এর দাম রাখে ১৬০ টাকা।’প্রতারণার শিকার হলাম।
ওই ফেরির ক্যান্টিনের দোকানদাররা বলেন, ক্যান্টিনের ভাড়া হিসেবে তাঁদের প্রতিদিন টাকা দিতে হয়। এ কারণে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হয়।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, প্রতিটি ফেরিতে ঝুলিয়ে রাখার জন্য খাবারের মূল্য তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর বেশি দাম নেওয়ার নিয়ম নেই। তাছাড়া অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা এবং মানিকগঞ্জের প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করবো।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
26 August 2026

শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু, মাকে ঘিরে স্বজনদের সন্দেহ

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

পাটুরিয়া ফেরির ক্যান্টিনে বেশি দামে নিম্নমানের খাবার অস্বস্তিতে যাত্রীরা

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৪:৫৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী:    রাজধানীর ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগে এক সময় প্রধান মাধ্যম ছিল পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। পদ্মা সেতু চালুর পর এ রুট দিয়ে যাত্রী চলাচল কমলেও দিনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। ফেরি দিয়ে পারাপারের সময় তাঁদের একরকম জিম্মি করে খাবারের ব্যবসা চলছে। প্রতিবাদ করলে লাঞ্ছনার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ।
প্রতিটি ফেরির ক্যান্টিনে খাবারের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। এতে ১৬০ টাকায় দুই প্লেট ভাত, দুই টুকরা খাসির মাংস, দুই টুকরা আলু, এক পেয়ালা ডাল ও ভাজি পাওয়ার কথা। খাসির বদলে মুরগির মাংস দিয়ে ভাত খেলেও একই দাম। মাংস বাদ দিয়ে মাছ নিলে দাম রাখার কথা একটু কমে। আর দুটি ডিম, দুই প্লেট ভাত, এক পেয়ালা ডাল ও ভাজির দাম ধরা হয়েছে ৮০ টাকা। দেখা গেছে, এক টুকরা মাছ, দুই প্লেট ভাত ও এক পেয়ালা ডালের দাম রাখা হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। প্রতি কাপ চা বিক্রি হয় ১০ থেকে ২০ টাকায়। ১৫ টাকার বোতলজাত পানির দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা।
যাত্রীরা বলছেন, পণ্যের গায়ের মুদ্রিত দামের চেয়ে ৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হয়। সম্প্রতি কবরী ফেরি দিয়ে ঢাকা থেকে এক যাত্রী বলেন, ফেরির ক্যান্টিনে প্রতিটি পণ্যের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে বিক্রেতাদের হাতে লাঞ্ছিত হতে হয়।
অন্য এক যাত্রী বলেন প্রচন্ড খিদে লেগেছে বললাম ভাত খাওয়ান সাথে কি রয়েছে। ফ্রি দোকানদার বললেন ইলিশ মাছ। কিন্তু খেলাম পুটি মাছ। এর দাম রাখে ১৬০ টাকা।’প্রতারণার শিকার হলাম।
ওই ফেরির ক্যান্টিনের দোকানদাররা বলেন, ক্যান্টিনের ভাড়া হিসেবে তাঁদের প্রতিদিন টাকা দিতে হয়। এ কারণে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হয়।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, প্রতিটি ফেরিতে ঝুলিয়ে রাখার জন্য খাবারের মূল্য তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর বেশি দাম নেওয়ার নিয়ম নেই। তাছাড়া অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা এবং মানিকগঞ্জের প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করবো।

Share this news as a Photo Card