পিরোজপুরে বিভ্রান্তিমূলক মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:১৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
- / ৭৮ বার পঠিত

দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক :: পিরোজপুরে এডহক কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক ও মানহানীকর মানববন্ধনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৫ মে) জেলা শহরের জেলা স্কাউট ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বরিশালের বানারিপাড়ার সরকারি ফজলুল হক কলেজ অবঃ অধ্যক্ষ ও কাউখালী উপজেলার উত্তর নিলতী সমতট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এ বি এম ফখরুজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যালয় ও কমিটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যারা গত আওয়ামী লীগের সময়ে একাধীকবার অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করিয়াছে তারাই এখন সভাপতি হইতে না পেরে পিছনে থেকে গত ২২ মে বহিরাগতদের দিয়ে বানোয়াট, কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে একটি কুচক্রী মহল কথিত মানববন্ধন করেছে যা মানহানীকর ও বিভ্রান্তমূলক। সংবাদ সম্মেলনে এ বি এম ফখরুজ্জামান বলেন, ওই কুচক্রী মহল মোঃ মোশারেফ হোসেন খোকন মোল্লা, এমদাদ হাওলাদার, জিয়াউল হক মাঝী, আমিনুল হক মীরদের দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যালয় ও বর্তমান এডহক কমিটির বিরুদ্ধে নানা রকম ষড়যন্ত্র করে আসছে। তিনি বলেন, মোঃ মোশারেফ হোসেন খোকন মোল্লা যুবলীগের ইউনিয়ন সহ-সভাপতি ও বিএনপির অফিস ভাংচূড় এবং বিদ্যালয়ের রক্ষিত কিছু মূল্যবান দলিল ও টাকা ছিনাইয়া নিয়ে যায় এ বিষয়েও মামলা রয়েছে, যা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এসব ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কতর্ৃৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্র্থীর সব সময় ভীত সন্ত্রস্ত থাকে। এই পরিস্থিতি থেকে আমি সহ শিক্ষার্থী অভিভাবকগণ পরিত্রাণ চাই। সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহানারা আক্তার বলেন, নানা অনিয়মের অভিযোগে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাময়িক বরখাস্ত করলে মিজানুর রহমান মহামান্য হাইকোর্টে সাময়িক বরখাস্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন করলে মহামান্য হাইকোর্ট উক্ত সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন এবং রুল জারি করেন। উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি আপীল করলে আপীল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে পরবর্তী ২১ দিনের মধ্যে মহামান্য হাইকোর্টকে রুল নিষ্পত্তি করার আদেশ দেন। অতঃপর হাইকোর্ট বিভাগ উভয়পক্ষের শুনানি অন্তে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের কোন কিছু করনীয় নাই উল্লেখ করে উক্ত রিটটি খারিজ করেন। হাইকোর্টের উল্লেখিত আদেশ থাকা সত্বেও কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য একটি সুপারিশপত্র ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বরাবর পাঠালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উক্ত সুপারিশপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে মাহমান্য হাইকোর্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুপারিশপত্রের কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন এবং রুলনিশি জারি করেন যাহা বর্তমানে বিধ্যমান আছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের অভিভাবক মোঃ রাজ্জাক তালুকদার, অভিভাবক প্রতিনিধি মোঃ সেলিম হাওলাদার, সমাজকর্মী গাজী খায়রুল আলমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


















