ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
পুঠিয়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা

প্রাণহানির ঘটনায় বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ও ডাম্প ট্রাকে আগুন

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / ১২ বার পঠিত
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী:   রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা ঢাকা–রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে এবং দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে বিড়ালদহ মাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে নাশতা শেষে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতিতে আসা নাটোরমুখী দুটি ডাম্প ট্রাকের একটি ওই ব্যক্তিকে চাপা দেয়। ধাক্কার পর তাকে কিছু দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাটি ঘটার পরপরই আশপাশের মানুষজন ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা ঘটনাস্থলে থাকা দুটি ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে যখন ঘটনাটি ধারণ করতে থাকা কয়েকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং কিছু ফোন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রথমদিকে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে পুলিশের কথাকাটাকাটি হলেও পরে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় বালুবাহী ডাম্প ট্রাকের বেপরোয়া গতি ও অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণেই এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। তারা দিনের বেলায় ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, গতি কমানোর ব্যবস্থা এবং সড়কে স্পিডব্রেকার স্থাপনের দাবি জানান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়গুলো জানানো হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুরুতে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে ঘটনাস্থলে যেতে কিছুটা শঙ্কা ছিল। পরে পরিবেশ স্বাভাবিক হলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করা হয়।
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পুঠিয়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা

প্রাণহানির ঘটনায় বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ও ডাম্প ট্রাকে আগুন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী:   রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা ঢাকা–রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে এবং দুটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে বিড়ালদহ মাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে নাশতা শেষে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতিতে আসা নাটোরমুখী দুটি ডাম্প ট্রাকের একটি ওই ব্যক্তিকে চাপা দেয়। ধাক্কার পর তাকে কিছু দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাটি ঘটার পরপরই আশপাশের মানুষজন ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা ঘটনাস্থলে থাকা দুটি ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে যখন ঘটনাটি ধারণ করতে থাকা কয়েকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং কিছু ফোন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রথমদিকে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে পুলিশের কথাকাটাকাটি হলেও পরে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় বালুবাহী ডাম্প ট্রাকের বেপরোয়া গতি ও অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণেই এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। তারা দিনের বেলায় ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, গতি কমানোর ব্যবস্থা এবং সড়কে স্পিডব্রেকার স্থাপনের দাবি জানান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়গুলো জানানো হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুরুতে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে ঘটনাস্থলে যেতে কিছুটা শঙ্কা ছিল। পরে পরিবেশ স্বাভাবিক হলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করা হয়।
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে।