ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ফোন আনতে নিষেধ করায় শিক্ষার্থী পেটালো প্রধান শিক্ষককে

আমিনুল জুয়েল, আদমদীঘি (বগুড়া) 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / ১২৩ বার পঠিত

ক্লাশ চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করায় বগুড়ার আদমদীঘির ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির কৈকুড়ী রহিম-মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমানকে একই বিদ্যালয়ের হৃদয় নামের দশম শ্রেণীর এক ছাত্র মারপিট করে মারাত্মক জখম করেছে। সোমবার বেলা ১১টায় ওই ছাত্রসহ জড়িতদের শাস্তি চেয়ে প্রথমে বিদ্যালয় মাঠে এবং পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শত শত শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আবুল কালাম আজাদ, তিলোচ শিববাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম, কৈকুড়ী রহিম-মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহম্মেদ, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও নূরুল ইসলাম প্রমূখ।

মানববন্ধনে তাঁরা বলেন,হৃদয় দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়ের। সে খুবই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। তার উশৃঙ্খল আচরণ, মাদক সেবন, ইভটিজিং এবং মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমান ক্লাসে তাকে উপদেশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে হৃদয়।

এরপর তার ফুপু একই স্কুলের শিক্ষক দুলালী খাতুনের প্ররোচনায় প্রধান শিক্ষককে হত্যার উদ্দেশ্যে বাঁশের লাঠি (খাঁটা) দিয়ে মারপিট করে মুখের ঠোঁট ও নাকে মারাত্মক জখম করে।

মানববন্ধন শেষে ওই ছাত্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করে শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ফোন আনতে নিষেধ করায় শিক্ষার্থী পেটালো প্রধান শিক্ষককে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

ক্লাশ চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করায় বগুড়ার আদমদীঘির ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির কৈকুড়ী রহিম-মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমানকে একই বিদ্যালয়ের হৃদয় নামের দশম শ্রেণীর এক ছাত্র মারপিট করে মারাত্মক জখম করেছে। সোমবার বেলা ১১টায় ওই ছাত্রসহ জড়িতদের শাস্তি চেয়ে প্রথমে বিদ্যালয় মাঠে এবং পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শত শত শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আবুল কালাম আজাদ, তিলোচ শিববাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম, কৈকুড়ী রহিম-মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহম্মেদ, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও নূরুল ইসলাম প্রমূখ।

মানববন্ধনে তাঁরা বলেন,হৃদয় দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়ের। সে খুবই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। তার উশৃঙ্খল আচরণ, মাদক সেবন, ইভটিজিং এবং মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমান ক্লাসে তাকে উপদেশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে হৃদয়।

এরপর তার ফুপু একই স্কুলের শিক্ষক দুলালী খাতুনের প্ররোচনায় প্রধান শিক্ষককে হত্যার উদ্দেশ্যে বাঁশের লাঠি (খাঁটা) দিয়ে মারপিট করে মুখের ঠোঁট ও নাকে মারাত্মক জখম করে।

মানববন্ধন শেষে ওই ছাত্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করে শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।