ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ফ্লাটবাসা থেকে নারীর  অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

মাসুম বিল্লাহ্ বরগুনা প্রতিনিধি।।
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / ৯৯ বার পঠিত

বরগুনা প্রনী সম্পদ অফিস সংলগ্ন একটি বাসায় তালাবদ্ধ ঘরের বাথরুম থেকে আজ বুধবার সকালে মধ্যবয়সী এক মহিলার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে বরগুনা জেলা পুলিশ। মৃত মহিলার নাম শাহিদা আক্তার রোজী। তার বয়স পঞ্চাশের বেশি। তিনি বরগুনার ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের মাইঠা চৌমুহনীর বাসিন্দা। তার দুই পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতীদের নিয়ে বরগুনা শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মোশাররফ হোসেনের ভবনের ২য় তলায় ভাড়া থাকতেন।

লাশ উদ্ধার করতে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অবস্) জহুরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, আমরা তাকে বাথরুমে রক্তাক্ত মৃত ও আবস্থাতে পেয়েছি, শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। এখন কিসের আঘাত তদন্তের পরে বলা যাবে প্রাথমিকভাবে নাশকতা বলে ধারণা করা যাচ্ছে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দেয়া হলে মামলা নেয়া হবে।

বাড়ির মালিক সাবেক কমিশনার মোশাররফ হোসেন খান বলেন, আমরা ধারণা করছি তাকে হত্যা করে তালা দিয়ে রেখে গেছে।গত ৮ মাস আগে তিনি বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন, তার দুই ছেলের পরিবারের লোকজন থাকতো ও আসা যাওয়া করতো। আমরা শুনেছি তার বাপের বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি অনেক টাকা পেয়েছিলেন। ওই টাকা বিভিন্ন লোকদের তিনি দিয়েছেন, এসব নিয়ে তার সাথে অনকের দ্বন্দ্ব ছিল।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধারণা করা যায় দুই একদিন আগে থেকেই তার লাস বাথরুমে পরে ছিল কারণ যখন পুলিশ আসে লাসের গন্ধ ছড়িয়ে পরে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ফ্লাটবাসা থেকে নারীর  অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

বরগুনা প্রনী সম্পদ অফিস সংলগ্ন একটি বাসায় তালাবদ্ধ ঘরের বাথরুম থেকে আজ বুধবার সকালে মধ্যবয়সী এক মহিলার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে বরগুনা জেলা পুলিশ। মৃত মহিলার নাম শাহিদা আক্তার রোজী। তার বয়স পঞ্চাশের বেশি। তিনি বরগুনার ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের মাইঠা চৌমুহনীর বাসিন্দা। তার দুই পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতীদের নিয়ে বরগুনা শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মোশাররফ হোসেনের ভবনের ২য় তলায় ভাড়া থাকতেন।

লাশ উদ্ধার করতে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অবস্) জহুরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, আমরা তাকে বাথরুমে রক্তাক্ত মৃত ও আবস্থাতে পেয়েছি, শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। এখন কিসের আঘাত তদন্তের পরে বলা যাবে প্রাথমিকভাবে নাশকতা বলে ধারণা করা যাচ্ছে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দেয়া হলে মামলা নেয়া হবে।

বাড়ির মালিক সাবেক কমিশনার মোশাররফ হোসেন খান বলেন, আমরা ধারণা করছি তাকে হত্যা করে তালা দিয়ে রেখে গেছে।গত ৮ মাস আগে তিনি বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন, তার দুই ছেলের পরিবারের লোকজন থাকতো ও আসা যাওয়া করতো। আমরা শুনেছি তার বাপের বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি অনেক টাকা পেয়েছিলেন। ওই টাকা বিভিন্ন লোকদের তিনি দিয়েছেন, এসব নিয়ে তার সাথে অনকের দ্বন্দ্ব ছিল।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধারণা করা যায় দুই একদিন আগে থেকেই তার লাস বাথরুমে পরে ছিল কারণ যখন পুলিশ আসে লাসের গন্ধ ছড়িয়ে পরে।