ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বরিশাল বিভাগে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন ৩-নেত্রী

আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪ বার পঠিত
আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বরিশাল বিভাগ থেকে তিন নেত্রী মনোনয়ন পেয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে দু’জন এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে একজন প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছেন। ফলে দুই জোট মিলিয়ে বরিশাল বিভাগে তিন নারী নেত্রী সংসদ সদস্য হওয়ার পথে রয়েছেন।
বিএনপির ঘোষিত ৩৬ জন প্রার্থীর তালিকায় বরিশাল বিভাগ থেকে স্থান পেয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও ঝালকাঠির নেত্রী জেবা আমিন খান। অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সংশ্লিষ্ট নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সেলিমা রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৪ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনয়ন না পেলেও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাওয়ায় তার অনুসারীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। তিনি এর আগে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বাবা বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার।
অপরদিকে, জেবা আমিন খান প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আখতার উদ্দিন আহম্মেদের কন্যা। ১৯৬২ সালের ২১ জুন ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী জেবা আমিন বর্তমানে বিএনপির অঙ্গসংগঠন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ঝালকাঠি জেলা বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য। এর আগে ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
এদিকে, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ঘোষিত ১৩ সদস্যের তালিকায় বরিশাল বিভাগ থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে স্থান পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি ‘জাতীয় নারীশক্তি’র সদস্যসচিব এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ডা. মিতুর পৈতৃক বাড়ি ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে। তার দাদা আমজাদ হোসেন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। শৈশব ও শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে ঝালকাঠি ও বরিশালে। তিনি শৌলজালিয়া হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জন করেন এবং বেতাগী ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকার শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সীমিত সংখ্যক মনোনয়ন সত্ত্বেও বরিশাল বিভাগের এই তিন নারী নেত্রীর সংসদে প্রতিনিধিত্ব নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বরিশাল বিভাগে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন ৩-নেত্রী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বরিশাল বিভাগ থেকে তিন নেত্রী মনোনয়ন পেয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে দু’জন এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে একজন প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছেন। ফলে দুই জোট মিলিয়ে বরিশাল বিভাগে তিন নারী নেত্রী সংসদ সদস্য হওয়ার পথে রয়েছেন।
বিএনপির ঘোষিত ৩৬ জন প্রার্থীর তালিকায় বরিশাল বিভাগ থেকে স্থান পেয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও ঝালকাঠির নেত্রী জেবা আমিন খান। অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সংশ্লিষ্ট নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সেলিমা রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৪ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনয়ন না পেলেও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাওয়ায় তার অনুসারীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। তিনি এর আগে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বাবা বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার।
অপরদিকে, জেবা আমিন খান প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আখতার উদ্দিন আহম্মেদের কন্যা। ১৯৬২ সালের ২১ জুন ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী জেবা আমিন বর্তমানে বিএনপির অঙ্গসংগঠন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ঝালকাঠি জেলা বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য। এর আগে ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
এদিকে, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ঘোষিত ১৩ সদস্যের তালিকায় বরিশাল বিভাগ থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে স্থান পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি ‘জাতীয় নারীশক্তি’র সদস্যসচিব এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ডা. মিতুর পৈতৃক বাড়ি ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে। তার দাদা আমজাদ হোসেন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। শৈশব ও শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে ঝালকাঠি ও বরিশালে। তিনি শৌলজালিয়া হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জন করেন এবং বেতাগী ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকার শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সীমিত সংখ্যক মনোনয়ন সত্ত্বেও বরিশাল বিভাগের এই তিন নারী নেত্রীর সংসদে প্রতিনিধিত্ব নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করবে।