বহিষ্কারের পরও থেমে নাই তার অপকর্ম : এবার চাঁদাবাজী মামলায় গ্রেফতার

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
- / ১১৫ বার পঠিত

দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক :
বহিষ্কৃারের পর আরও বেপরওয়া হয়ে উঠেছিলেন পিরোজপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রিয়াজ শিকদার (৩৭)। একটি চাঁদাবাজির মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রিয়াজ সিকদারসহ সংগঠনটির আরও কিছু নেতা। চাঁদাবাজি ও লুটপাটসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে রিয়াজসহ আরও কয়েকজন। এ ঘটনায় ১০ আগস্ট যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রিয়াজ সিকদারসহ সংগঠনটির জেলা পর্যায়ের শীর্ষ তিন নেতা এবং জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার সদস্য সচিবকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এমনকি বহিষ্কৃতদের কোন অপকর্মের দায়ভার সংগঠন বহন করবে না এরকম হুশিয়ারি দিয়ে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সম্পর্ক না রাখার জন্য বলা হয়। তবে এরপরও থেমে যায়নি রিয়াজ। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পরে জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার টগড়া মোড়ে একটি সালিশ বৈঠকে তার বাহিনী নিয়ে হামলা করে। এরপর স্থানীয়রা তাকে আটকে রেখে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় ইন্দুরকানী থানায় একটি মামলা দায়ের হওয়ার পর বেশ কিছু দিন জেলও খেটেছে রিয়াজ। তবে এতেও দমে যায়নি সে। এরপরও পিরোজপুর এবং এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত চাঁদাবাজি করছিল রিয়াজ। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল ভোরে ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর টোল প্লাজা থেকে ৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের চিংড়ি মাছের পোনা ছিনতাই করে নিয়ে যায় রিয়াজ এবং তার সহযোগীরা। এছাড়াও রিয়াজের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনের মামলাও রয়েছে। স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ বহিষ্কার হওয়ার পরও রিয়াজ নিয়মিত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশ নিচ্ছে। এছাড়া অনেক নেতার সাথেই তার সখ্যতা থাকায়, বহিষ্কারের পরও সংশোধন হয়নি রিয়াজ। বরং সে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সবশেষ গত রবিবার রাতে রিয়াজ সিকদারকে আটক করেছে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ। পরের দিন সোমবার তাকে একটি চাঁদাবাজি মামলায় সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


















