ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
বাঁশের রাজ্য রাজবাড়ী

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
- / ৪২ বার পঠিত

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
রাজবাড়ী জেলায় বাঁশ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলার বসন্তপুর, শহীদওহাবপুর, খানখানাপুর সুলতানপুর, ইউনিয়নে,মূল ঘর, বালিয়াকান্দির জামালপুর, গোয়ালন্দ উপজেলার পৌর এলাকা, পাংশা উপজেলার পৌর এলাকায় সবচেয়ে বড় বাঁশের হাট বসে। এ হাটে বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বাঁশ কিনতে যান।
জানা গেছে, রাজবাড়ীর মাটি বাঁশ চাষের জন্য বেশ উপযুক্ত হওয়ায় এখানে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশের চাষ হয়। বাঁশ আবাদের তেমন কোনো খরচ নেই বললেই চলে। একবার বাঁশের চারা লাগালে চার থেকে পাঁচ বছর পর তা থেকে বাঁশ কাটা যায়। প্রতিটি মাঝারি ঝাড় থেকে বছরে ৮০ থেকে ৯০টি বাঁশ পাওয়া যায়। রাজবাড়ীর বিভিন্ন জায়গায় বসে হাট। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী বিভিন্ন জেলার ক্রেতারা বাঁশ কিনতে আসেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা সেই বাঁশ ট্রাক ভর্তি করে নিজ এলাকায় নিয়ে যান। হাটের দিন ছাড়াও প্রায় প্রতিদিন চলে বাঁশ বেচাকেনা। পাইকাররা প্রতিদিনই সরাসরি কৃষকের বাঁশ ঝাড় থেকেও বাঁশ ক্রয় করেন।
ঘর তৈরি, পানের বরজ, সবজি চাষের মাচা, মাছ ধরার সরঞ্জাম, বাঁশের তৈরি নানা ধরনের আসবাব থেকে শুরু করে আধুনিক ডেকোরেটরদের বিভিন্ন কাজে বাঁশের ব্যবহার এসব অঞ্চলে খুবই জনপ্রিয় হওয়ায় ব্যাপারীরা এখান থেকে বাঁশ কিনে নিজেদের হাটে বিক্রি করে থাকেন। এখানে বাঁশের দাম নাগালের মধ্যে থাকায় সব ক্রেতারাই খুশি।
রাজবাড়ীতে বেকারদের জন্য বাঁশের ব্যবসা করে দিয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগ। প্রতিদিন এই বাঁশ বিক্রিকে কেন্দ্র করে শতশত দিনমজুর কাজ করে। কেউ ঝাড় থেকে বাঁশ কাটে, কেউ সেগুলো বাজারে আনার কাজে ব্যস্ত, কেউ করে বাঁশ ট্রাকে উঠানোর কাজ, কেউবা করে বাঁশের স্তূপ সাজানোর কাজ, আবার কেউ বা করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা বাঁশ পরিবহন থেকে নামানোর কাজ।
দিনমজুর আব্দুল মান্নান জানান, এই বাঁশে হাটকে কেন্দ্র করে সারা উপজেলায় প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিক কাজ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। এ কাজে প্রতিদিন প্রায় ৮শ থেকে ৯শ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায় বলেও তিনি জানান।
বাঁশ চাষী সালাম মাতুব্বর বলেন, বাঁশ চাষ অনেক লাভজনক। বাঁশ আবাদে তেমন কোনো খরচ নেই । একবার বাঁশের চারা লাগালে চার থেকে পাঁচ বছর পর তা থেকে বাঁশ কাটা যায়। আমি বছরে প্রায় ৮ থেকে ১ লাখ টাকার বাঁশ বিক্রি করি। বাঁশ চাষ লাভজনক তাই এখন অনেকে বানিজ্যিকভাবে এ চাষ শুরু করছে।
জে,এইচ,কে
আরও পড়ুন:




















