ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটে সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ

ফকির গোলাম তাবরেজ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৫৭ বার পঠিত
বাগেরহাটে সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী ভাই। শনিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন ঘের ব্যবসায়ীর ভাই মোঃ কামরুল ইসলাম। তিনি তার অভিযোগে বলেন, জেলার রামপাল উপজেলার পেড়িখালী পশ্চিম বিলে কাটাখালি খালে দক্ষিণ পাশে তার ভাই মোঃ মহসিন বাদশা এর নিজস্ব ও নগদ জমায় বন্দবস্ত নেওয়া প্রায় ৪০ একর জমিতে ১৯৯৫ সাল হইতে মৎস্য চাষ করে আসিতেছি।
গত ৯ এপ্রিল গভীর রাতে মোহাম্মদ ইয়াহিয়া হাওলাদার, মিজান শেখ, আব্দুল্লাহ ইজারাদার, মোঃ মুক্ত ঠিয়াল, মোঃ হাফিজ লাঠিয়াল, মোঃ জিয়া শেখ,ইদ্রিস
হাওলাদার সহ ১০/১৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মৎস্য  ঘেরের পাহারাদার শহিদুল ইজারাদার, মোঃ রুহুল আমিন ও আঃ সবুর গাজীকে মারপিট করে
মৎস্য ঘের থেকে বরে করে দিয়ে ঘেরে পালিত ৩৮ টি গাড়োল, একটি নৌকা, সোলারের ১২ ভোল্টের ব্যাটারি, মাছ ধরা ৩টি ঝাকি জাল, একটি টচ লাইট, ২ টি দা, ১৫ কেজি চাউল, ঘেরে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৪০ কেজি মাছ লুট করে। যার বাজার মূল্য ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৫ শত টাকা। এসকল সন্ত্রাসী ও লুটপাট কারিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টন্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বাগেরহাটে সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫
বাগেরহাটে সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী ভাই। শনিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন ঘের ব্যবসায়ীর ভাই মোঃ কামরুল ইসলাম। তিনি তার অভিযোগে বলেন, জেলার রামপাল উপজেলার পেড়িখালী পশ্চিম বিলে কাটাখালি খালে দক্ষিণ পাশে তার ভাই মোঃ মহসিন বাদশা এর নিজস্ব ও নগদ জমায় বন্দবস্ত নেওয়া প্রায় ৪০ একর জমিতে ১৯৯৫ সাল হইতে মৎস্য চাষ করে আসিতেছি।
গত ৯ এপ্রিল গভীর রাতে মোহাম্মদ ইয়াহিয়া হাওলাদার, মিজান শেখ, আব্দুল্লাহ ইজারাদার, মোঃ মুক্ত ঠিয়াল, মোঃ হাফিজ লাঠিয়াল, মোঃ জিয়া শেখ,ইদ্রিস
হাওলাদার সহ ১০/১৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মৎস্য  ঘেরের পাহারাদার শহিদুল ইজারাদার, মোঃ রুহুল আমিন ও আঃ সবুর গাজীকে মারপিট করে
মৎস্য ঘের থেকে বরে করে দিয়ে ঘেরে পালিত ৩৮ টি গাড়োল, একটি নৌকা, সোলারের ১২ ভোল্টের ব্যাটারি, মাছ ধরা ৩টি ঝাকি জাল, একটি টচ লাইট, ২ টি দা, ১৫ কেজি চাউল, ঘেরে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৪০ কেজি মাছ লুট করে। যার বাজার মূল্য ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৫ শত টাকা। এসকল সন্ত্রাসী ও লুটপাট কারিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টন্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।