ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
তাজা খবর
কবি সাংবাদিক মৃণাল চৌধুরী সৈকতের শোকাহত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন বিশিষ্ট জনের
কক্সবাজারে গহীন বনে ‘রহস্যময় ঘর’ ঘিরে চাঞ্চল্য
কিশোর গ্যাং সৃষ্টি মাদকেই
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে গ্রাম ছাড়া
বিএনপির সভাপতিসহ একাধিক পরিবারের বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী :
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৪১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৮৬ বার পঠিত

রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নে সন্ত্রাসী আরিফ বাহিনীর অত্যাচার ও নির্যাতনে গ্রামছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহাম্মুদ হাসান কাজলসহ শতাধিক নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। মোহাম্মদ আরিফ খান ওরফে আরিফ (৪৫) জেলার সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজবাড়ীর একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার অফিসে মুচিদহ, শায়েস্তাপুর ও গাবলা এলাকার নির্যাতিত জনগণের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন মাহাম্মুদ হাসান কাজল। সংবাদ সম্মেলনে মাহাম্মুদ হাসান কাজলসহ বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বসন্তপুর ইউনিয়নের মুচিদহ, শায়েস্তাপুর ও গাবলা এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অরিফ খান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচারে ঘড়ছাড়া। আরিফ বাহিনীর নির্মম নির্যাতন থেকে বাদ পড়েনি শিশুরা। বাহিনীর সাথে স্থানীয় হাবিব মেম্বার, লিটু খান, সেলিম শিকদার ও রিপন শেখ সহ ১৫ থেকে ২০ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে।
আরিফ বাহিনীর অত্যাচারে নিরীহ অনেক পরিবারের ঘরবাড়ী, ফসলী জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙ্চুর ও লুটপাট করেছে। আরিফের নামে সুনিদিষ্ট অভিযোগে মামলা দায়েরের পরও রহস্যজনক কারণে প্রকাশ্যে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আরিফসহ তার বাহিনীর সদস্যরা।
আরিফ বাহিনীর সদস্যরা প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে চাঁদাবাজি করলেও পুলিশের সাথে তার সংখ্যতা রয়েছে। এমন অভিযোগ উল্লেখ্য করে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ পেয়ে রাজবাড়ী সদর থানার ওসি খন্দকার জিয়াউর রহমান বলেন, মাহাম্মুদ হাসান কাজল নিরাপত্তার কারণে গ্রামছাড়া। এমন অভিযোগ নিয়ে আমাদের কাছে আসছিলেন। আমি অল্প কিছুদিন হয় থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি। ইতিমধ্যে তাদের ভাই বোনের সমস্যা শুনেছি। আমরা তার অভিযোগ শুনেছি। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। পুলিশ সেই কাজটি সতকর্তার সাথে করছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ফোনে অভিযুক্ত আরিফ বলেন, কয়েকমাস আগে আমার ভাই আমজাদ খানকে হত্যা করা হয়েছে। ওই হত্যার মাস্টার মাইন্ড ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহাম্মুদ হাসান কাজল। আমার নিরীহ ভাইকে হত্যার পর উত্তেজিত জনতা হত্যাকারীদের বাড়ি ভাঙ্চুর করে। এরপর থেকে কাজল পলাতক রয়েছে। হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে তিনি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন:


















