ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বোচাগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান অবরুদ্ধ

শাহীন আলম, বোচাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৬ বার পঠিত

শাহীন আলম, বোচাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: বোচাগঞ্জ থানার সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সুবিদ- হাট শাহ-মাখদুম পাড়া এলাকায় পুলিশ ও জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক হট্টগোল।২২ ফেব্রুয়ারি রোজ রবিবার রাত ১১ টায় একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরিরত কর্মকর্তা মোঃলিটন ইসলাম(৪৬)এর বাসায় প্রতিবেশী জয়নাল(৫২)এর পুত্র মোঃজিসান (১৮)ইলেকট্রিক ওয়ারিং এর তার চুরি করে । পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে সন্দেহ ভাজন ভাবে মোঃজিসান কে জিজ্ঞাসাবাদে সে সব কিছু স্বীকার করে পরবর্তীতে এলাকার মানুষ উত্তেজিত হলে কে বা কাহারা ৯৯৯ফোন দিয়ে পুলিশকে অবগত করে।বোচাগঞ্জ থানার এস আই প্রদীপ এর নেতৃত্বে চারজন পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। বাদী ও বিবাদী প্রতিবেশী হওয়ায় বিষয়টি তারা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতে চায়। এবং ২ নং ওয়ার্ডের ২ সাবেক কাউন্সিলর,মোঃ আসাদুজ্জামান ও মোঃসুয়েল রানা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ চারজন পুলিশের উপস্থিতিতে বিষয়টি  মীমাংসা করে দেয়।স্থানীয় প্রতিনিধিদের এই মীমাংসা আমলে না নিয়ে    বোচাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান এসআই প্রদীপ রায়কে নির্দেশ দেন আসামীকে থানায় নিয়ে যেতে।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী  মোঃলিটনের স্ত্রী মোঃ সীমা বেগম(৩৮)সহ এলাকাবাসী আপত্তি জানালে ওসি মোঃ মিজানুর রহমান ২০-২৫ জন ফোর্স নিয়ে ঐ এলাকায় ঢুকে  এবং আসামিকে থানায় নিয়ে যায়। ওই ছেলের নামে কোন মামলা না থাকায় এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওসি মিজানুর রহমানকে আনুমানিক ১ঘন্টা  অবরুদ্ধ করে রাখে। এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরবর্তীতে জনসাধারণের চাপে স্থানীয় প্রতিনিধিদের হাতে মোঃজিসান কে বুঝিয়ে দিয়ে ওসি মোঃমিজানুর রহমান ওই এলাকা ত্যাগ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বোচাগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান অবরুদ্ধ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শাহীন আলম, বোচাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: বোচাগঞ্জ থানার সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সুবিদ- হাট শাহ-মাখদুম পাড়া এলাকায় পুলিশ ও জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক হট্টগোল।২২ ফেব্রুয়ারি রোজ রবিবার রাত ১১ টায় একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরিরত কর্মকর্তা মোঃলিটন ইসলাম(৪৬)এর বাসায় প্রতিবেশী জয়নাল(৫২)এর পুত্র মোঃজিসান (১৮)ইলেকট্রিক ওয়ারিং এর তার চুরি করে । পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে সন্দেহ ভাজন ভাবে মোঃজিসান কে জিজ্ঞাসাবাদে সে সব কিছু স্বীকার করে পরবর্তীতে এলাকার মানুষ উত্তেজিত হলে কে বা কাহারা ৯৯৯ফোন দিয়ে পুলিশকে অবগত করে।বোচাগঞ্জ থানার এস আই প্রদীপ এর নেতৃত্বে চারজন পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। বাদী ও বিবাদী প্রতিবেশী হওয়ায় বিষয়টি তারা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতে চায়। এবং ২ নং ওয়ার্ডের ২ সাবেক কাউন্সিলর,মোঃ আসাদুজ্জামান ও মোঃসুয়েল রানা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ চারজন পুলিশের উপস্থিতিতে বিষয়টি  মীমাংসা করে দেয়।স্থানীয় প্রতিনিধিদের এই মীমাংসা আমলে না নিয়ে    বোচাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান এসআই প্রদীপ রায়কে নির্দেশ দেন আসামীকে থানায় নিয়ে যেতে।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী  মোঃলিটনের স্ত্রী মোঃ সীমা বেগম(৩৮)সহ এলাকাবাসী আপত্তি জানালে ওসি মোঃ মিজানুর রহমান ২০-২৫ জন ফোর্স নিয়ে ঐ এলাকায় ঢুকে  এবং আসামিকে থানায় নিয়ে যায়। ওই ছেলের নামে কোন মামলা না থাকায় এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওসি মিজানুর রহমানকে আনুমানিক ১ঘন্টা  অবরুদ্ধ করে রাখে। এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরবর্তীতে জনসাধারণের চাপে স্থানীয় প্রতিনিধিদের হাতে মোঃজিসান কে বুঝিয়ে দিয়ে ওসি মোঃমিজানুর রহমান ওই এলাকা ত্যাগ করেন।