ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ভারতীয় আধিপত্যবাদীদের বাংলাদেশে ঠাঁই নেই— জামায়াতের সমাবেশে সারজিস আলম

জেমস আব্দুর রহিম রানা :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / ৬৪ বার পঠিত
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদীদের কোনো জায়গা হবে না”—শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় মহাসমাবেশে তিনি একথা বলেন ।
তিনি বলেন, “আমরা অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারকে ‘সুশীল’ সরকার হিসেবে দেখতে চাই না। নারীদের অধিকার ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে ঐক্য থাকা প্রয়োজন। তবে কেউ চাঁদাবাজি করলে, সেটাও প্রকাশ্যে বলবো।”
সকালে কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জামায়াতের এই জাতীয় সমাবেশ। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে শুরু হওয়া প্রথম অধিবেশনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুর ১টা ২০ মিনিটে নামাজের বিরতির পর দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। সমাবেশের মূল পর্বে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা।
জামায়াতের পক্ষ থেকে সমাবেশে দেশের বিভিন্ন ডানপন্থি ও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এতে এনসিপি ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পরিষদসহ কয়েকটি দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে হাজারো নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হন।
সমাবেশে বক্তারা প্রশাসনিক ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানান। জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন বলেন, “পুলিশ ও জনপ্রশাসনে ব্যাপক সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশের মানুষ কোনো নির্বাচন মেনে নেবে না।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ভারতীয় আধিপত্যবাদীদের বাংলাদেশে ঠাঁই নেই— জামায়াতের সমাবেশে সারজিস আলম

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদীদের কোনো জায়গা হবে না”—শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় মহাসমাবেশে তিনি একথা বলেন ।
তিনি বলেন, “আমরা অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারকে ‘সুশীল’ সরকার হিসেবে দেখতে চাই না। নারীদের অধিকার ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে ঐক্য থাকা প্রয়োজন। তবে কেউ চাঁদাবাজি করলে, সেটাও প্রকাশ্যে বলবো।”
সকালে কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জামায়াতের এই জাতীয় সমাবেশ। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে শুরু হওয়া প্রথম অধিবেশনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুর ১টা ২০ মিনিটে নামাজের বিরতির পর দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। সমাবেশের মূল পর্বে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা।
জামায়াতের পক্ষ থেকে সমাবেশে দেশের বিভিন্ন ডানপন্থি ও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এতে এনসিপি ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পরিষদসহ কয়েকটি দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে হাজারো নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হন।
সমাবেশে বক্তারা প্রশাসনিক ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানান। জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন বলেন, “পুলিশ ও জনপ্রশাসনে ব্যাপক সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশের মানুষ কোনো নির্বাচন মেনে নেবে না।”