ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেলিমের উদ্যোগে ”সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট স্কুল এন্ড কলেজ” 

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২৯ বার পঠিত
রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ঐতিহ্যবাহী সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক ও  শিক্ষার্থীদের আগমন ও প্রস্থানের সময় আঙ্গুলের ছাপে বায়োমেটিক পদ্ধতিতে ডিজিটাল হাজিরা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
অল্প কিছুদিন ধরে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
এসময় স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো: মিজানুর রহমানসহ শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এব্যাপারে খানখানাপুর সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট স্কুল এন্ড কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন (সেলিম) বলেন, প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি হাজিরা কার্যক্রম সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে স্বচ্ছতার মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ সচেতনতামূলক প্রণোদনা সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষক শিক্ষার্থী সঠিক সময়ে আসা যাওয়ার উদ্বুদ্ধ হবে।
তিনি আরো বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গর্ভনিং বডি ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস ডিজিটাল হাজিরা কার্যক্রমের কারনে লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীরা আরো উৎসাহিত হবে এবং আরো ভালো ফলাফল অর্জন করবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেলিমের উদ্যোগে ”সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট স্কুল এন্ড কলেজ” 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ঐতিহ্যবাহী সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক ও  শিক্ষার্থীদের আগমন ও প্রস্থানের সময় আঙ্গুলের ছাপে বায়োমেটিক পদ্ধতিতে ডিজিটাল হাজিরা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
অল্প কিছুদিন ধরে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
এসময় স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো: মিজানুর রহমানসহ শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এব্যাপারে খানখানাপুর সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট স্কুল এন্ড কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন (সেলিম) বলেন, প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি হাজিরা কার্যক্রম সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে স্বচ্ছতার মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ সচেতনতামূলক প্রণোদনা সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষক শিক্ষার্থী সঠিক সময়ে আসা যাওয়ার উদ্বুদ্ধ হবে।
তিনি আরো বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গর্ভনিং বডি ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস ডিজিটাল হাজিরা কার্যক্রমের কারনে লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীরা আরো উৎসাহিত হবে এবং আরো ভালো ফলাফল অর্জন করবে।