ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির ঘটনা

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩১ বার পঠিত
আবারও মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) গভীর রাতে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার বসন্তপুরহাট নজর আলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ চুরির অভিযোগ উঠেছে।
মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান জানান, পাশের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে রাত ২টা ৪৭ মিনিটে দুই যুবক হেঁটে এসে দানবাক্সের পাশে থাকা লাইট খুলে ফেলে। পরে তারা তালা কেটে দানবাক্স থেকে টাকা নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
তিনি বলেন, দানবাক্সটি সাধারণত প্রতি ১০–১৫ দিনে একবার খোলা হয় এবং তাতে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পাওয়া যায়। সর্বশেষ ১০ দিন আগে বাক্স খুলে প্রায় ৫০০ টাকা সংগ্রহ হয়েছিল। এরপর আর খোলা হয়নি। তার ধারনা, চোরেরা এবারও প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মতো চুরি করতে পারে।
ইমাম আরও জানান, এর আগেও একই দানবাক্সে তিন থেকে চারবার চুরির ঘটনা ঘটেছে, তবে এখনো চোরদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও নিয়মিতভাবে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির ঘটনা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
আবারও মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) গভীর রাতে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার বসন্তপুরহাট নজর আলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ চুরির অভিযোগ উঠেছে।
মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান জানান, পাশের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে রাত ২টা ৪৭ মিনিটে দুই যুবক হেঁটে এসে দানবাক্সের পাশে থাকা লাইট খুলে ফেলে। পরে তারা তালা কেটে দানবাক্স থেকে টাকা নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
তিনি বলেন, দানবাক্সটি সাধারণত প্রতি ১০–১৫ দিনে একবার খোলা হয় এবং তাতে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পাওয়া যায়। সর্বশেষ ১০ দিন আগে বাক্স খুলে প্রায় ৫০০ টাকা সংগ্রহ হয়েছিল। এরপর আর খোলা হয়নি। তার ধারনা, চোরেরা এবারও প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মতো চুরি করতে পারে।
ইমাম আরও জানান, এর আগেও একই দানবাক্সে তিন থেকে চারবার চুরির ঘটনা ঘটেছে, তবে এখনো চোরদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও নিয়মিতভাবে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।