ঢাকা, বাংলাদেশ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

মাদ্রাসা শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের শিক্ষার্থী – হুমকিতে এলাকাছাড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:  চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছরের  শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে  । এই ঘটনায় ঐ শিক্ষক ও তার লোকজনের হুমকিতে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভিকটিম শিক্ষার্থীসহ তার পরিবার । খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ধর্ষিতা  শিক্ষার্থীর বয়স যখন ৬ বছর তখন তার বাবা- মা মেয়েকে বাড়ীর নিকটের একটি নুরানি  মাদ্রাসায় ভর্তি করেন । তার পর থেকে একই মাদ্রাসার শিক্ষক শিবনগর গ্রামের জৈনক আব্দুল হাকিমের ছেলে  সালাউদ্দিন হুজুর (৩৫)  ওই  শিক্ষার্থীদের বাড়ীতে গিয়ে নিয়মিত তাকে প্রাইভেট পড়াতেন । শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা যায়,  গত ০২-০৬- ২০২৬ইং তারিখ সকাল ৯টার দিকে প্রতিদিনের ন্যায় ওই  শিক্ষার্থী নিজ বাড়ী থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশে রওয়ানা দেন । কিছুদূর যাওয়ার পরে তার সামনে এসে হাজির হন সালাউদ্দিন হুজুর । এর পরে সেখান থেকে কৌশলে ওই  ছাত্রীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় । এদিকে মাদ্রাসা ছুটির দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও ঐ শিক্ষার্থী বাড়ীতে ফিরে না আসায় তার বাবা- মা মাদ্রাসায় গিয়ে খোঁজ নিলে মাদ্রাসা থেকে তাদের জানানো হয় ওই শিক্ষার্থী ঐদিন মাদ্রাসায় আসেনি । পরে তারা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন । এক পর্যায় লোক মুখে ওই শিক্ষার্থীর বাবা- মা  জানতে পারেন যে তাদের মেয়েকে তার শিক্ষক সালাউদ্দিন হুজুর রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গেছেন । এর পরে তারা সালাউদ্দিন হুজুরের বাড়ীতে গিয়ে তাদের মেয়ের বিষয়ে জানতে চান । কিন্তু সালাউদ্দিন হুজুরসহ তার পরিবারের অন্যন্য সদস্যরা কোন সদুত্তর না দিয়ে তাদের বিভিন্ন রকম হুমকি- ধামকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন । এর পরে ওই শিক্ষার্থীর বাবা- মা মেয়ের সন্ধানে আরও কয়েকবার যান সালাউদ্দিন হুজুরের বাড়ীতে । কিন্তু সালাউদ্দিন হুজুরসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রতিবারেই তাদের সাথে খারাপ আচরণ করে ও বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেন । এদিকে মান সম্মানের কথা চিন্তা করে মেয়ের বাবা- মা প্রথম দিকে তেমন কাউকে জানাননি । এই ভাবে প্রায় সপ্তাহ খানেক কেটে গেলে তারা কোন উপায়ন্ত  না পেয়ে বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানান । পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও তিন চারদিন চেষ্টা করে ওই শিক্ষার্থীকে সালাউদ্দিন হহুজুরের কাছ থেকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন । পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ওই শিক্ষার্থীর বাবা মাকে নিকটস্থ শিবগঞ্জ থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন । তাদের পরামর্শক্রমে শিক্ষার্থীর বাবা মা ১৪ই জুন থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করেন । অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরের দিন থানার এ এস আই শাহজাহান মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম গিয়ে সালাউদ্দিন হুজুরের বাড়ী থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন এবং  মোবারক পুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বর বাবুল আলীর নিকট হস্তান্তর করেন । পরে মেম্বর বাবুল আলী ওই ছাত্রীকে তাদের বাবা- মার কাছে বুঝিয়ে দেন । এর পরের দিন সালাউদ্দিন হুজুর ২০/৩০ জন অজ্ঞাত লোকজনকে সাথে নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাড়ীতে এসে শিক্ষার্থীকে উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন । এসময় শিক্ষার্থীর বাবা বাড়ীতে না থাকায় শিক্ষার্থীর মা ও নানি তাদের বাধা দেন । তাদের বাধা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীর নানি আহত হন । এসময় তাদের ডাক চিৎকার শুনে  প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে   সালাউদ্দিন হুজুর ও তার লোকজন ২৪ ঘণ্টার ভিতর ওই শিক্ষার্থীকে পুনরায় তুলে নিয়ে যাবেন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রানে মেরে ফেলবেন বলে হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন । এর পরে শিক্ষার্থীর মা ও নানী শিক্ষার্থীকে নিয়ে প্রানের ভয়ে রাতের অন্ধকারে এলাকা ছেড়ে তাদের এক আত্মীয়র বাড়ীতে গিয়ে আশ্রয় নেন । সেখান থেকে মোবাইলের মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য কয়েকজনকে বিষয়টি জানান । তারপর তারা পুনরায় থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন । এদিকে সালাউদ্দিন হুজুর ও তার লোকজন ওই শিক্ষার্থীর পরিবারকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন এবং থানার আশেপাশে অবস্থান নেন বলে জানান, শিক্ষার্থীর মা । তখন তারা নিরাপত্তাহীনতায়র কারনে থানায় জেতে পারেননি । এই ভাবে সপ্তাহ খানেক অতিবাহিত হলে সুযোগ বুঝে গত ৩০শে জুন শিক্ষার্থীর মা- নানী ও তাদের এক আত্মীয় শিবগঞ্জ থানা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে গিয়ে বিষয়টি জানান । এর পরে সেখান থেকে তাদের থানায় গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দিয়ে পাঠিয়ে দেন । পরে তারা পুনরায় থানায় গিয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে দেখা করেন এবং ধর্ষণ আইনে মামলা করতে চান । কিন্তু থানার অফিসার ইন চার্জ ( ওসি ) তাদের মামলা না নিয়ে তাদের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেন । এর দুইদিন পরে শিবগঞ্জ থানার এ এস আই স্বপন কুমার সঙ্গীয় ফোর্সসহ ওই শিক্ষার্থীর বাড়ীতে এসে শিক্ষার্থীকে খোঁজাখুঁজি করেন । এসময় শিক্ষার্থীর মা তার মেয়েকে খোঁজাখুঁজির কারন জানতে চাইলে এ এস আই স্বপন কুমার জানান, সালাউদ্দিন হুজুর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাই তারা ওই শিক্ষার্থীকে খুঁজছেন । পরে পুলিশ শিক্ষার্থীকে বাড়ীতে না পেয়ে তার পরিবারকে ৩ দিনের ভিতর ওই শিক্ষার্থীকে হাজির করার জন্য আল্টিমেটাম দিয়ে চলে যান ।  পরে শিক্ষার্থীর পরিবার কোন উপায়ন্ত না পেয়ে ৬ই জুলাই ২০২৬ইং তারিখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে গিয়ে ধর্ষণ আইনে একটি মামলা দ্বায়ের করেন যার মামলা নং -৩/২০২৬ইং
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে উক্ত বিষয়ে নিকটতম থানায় মামলাটি না নেওয়ার কারন জানতে চেয়ে থানার ওসিকে আগামি ২০ই জুলাই ২০২৬ইং তারিখের ভিতর লিখিত ভাবে জবাব দেওয়ার জন্য আদেশ দেন  ।
উপরোক্ত বিষয়ে জানতে সালাউদ্দিন হুজুরের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় ।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
26 August 2026

শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু, মাকে ঘিরে স্বজনদের সন্দেহ

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

মাদ্রাসা শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের শিক্ষার্থী – হুমকিতে এলাকাছাড়া

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:১০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:  চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছরের  শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে  । এই ঘটনায় ঐ শিক্ষক ও তার লোকজনের হুমকিতে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভিকটিম শিক্ষার্থীসহ তার পরিবার । খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ধর্ষিতা  শিক্ষার্থীর বয়স যখন ৬ বছর তখন তার বাবা- মা মেয়েকে বাড়ীর নিকটের একটি নুরানি  মাদ্রাসায় ভর্তি করেন । তার পর থেকে একই মাদ্রাসার শিক্ষক শিবনগর গ্রামের জৈনক আব্দুল হাকিমের ছেলে  সালাউদ্দিন হুজুর (৩৫)  ওই  শিক্ষার্থীদের বাড়ীতে গিয়ে নিয়মিত তাকে প্রাইভেট পড়াতেন । শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা যায়,  গত ০২-০৬- ২০২৬ইং তারিখ সকাল ৯টার দিকে প্রতিদিনের ন্যায় ওই  শিক্ষার্থী নিজ বাড়ী থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশে রওয়ানা দেন । কিছুদূর যাওয়ার পরে তার সামনে এসে হাজির হন সালাউদ্দিন হুজুর । এর পরে সেখান থেকে কৌশলে ওই  ছাত্রীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় । এদিকে মাদ্রাসা ছুটির দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও ঐ শিক্ষার্থী বাড়ীতে ফিরে না আসায় তার বাবা- মা মাদ্রাসায় গিয়ে খোঁজ নিলে মাদ্রাসা থেকে তাদের জানানো হয় ওই শিক্ষার্থী ঐদিন মাদ্রাসায় আসেনি । পরে তারা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন । এক পর্যায় লোক মুখে ওই শিক্ষার্থীর বাবা- মা  জানতে পারেন যে তাদের মেয়েকে তার শিক্ষক সালাউদ্দিন হুজুর রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গেছেন । এর পরে তারা সালাউদ্দিন হুজুরের বাড়ীতে গিয়ে তাদের মেয়ের বিষয়ে জানতে চান । কিন্তু সালাউদ্দিন হুজুরসহ তার পরিবারের অন্যন্য সদস্যরা কোন সদুত্তর না দিয়ে তাদের বিভিন্ন রকম হুমকি- ধামকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন । এর পরে ওই শিক্ষার্থীর বাবা- মা মেয়ের সন্ধানে আরও কয়েকবার যান সালাউদ্দিন হুজুরের বাড়ীতে । কিন্তু সালাউদ্দিন হুজুরসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রতিবারেই তাদের সাথে খারাপ আচরণ করে ও বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেন । এদিকে মান সম্মানের কথা চিন্তা করে মেয়ের বাবা- মা প্রথম দিকে তেমন কাউকে জানাননি । এই ভাবে প্রায় সপ্তাহ খানেক কেটে গেলে তারা কোন উপায়ন্ত  না পেয়ে বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানান । পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও তিন চারদিন চেষ্টা করে ওই শিক্ষার্থীকে সালাউদ্দিন হহুজুরের কাছ থেকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন । পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ওই শিক্ষার্থীর বাবা মাকে নিকটস্থ শিবগঞ্জ থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন । তাদের পরামর্শক্রমে শিক্ষার্থীর বাবা মা ১৪ই জুন থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করেন । অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরের দিন থানার এ এস আই শাহজাহান মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম গিয়ে সালাউদ্দিন হুজুরের বাড়ী থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন এবং  মোবারক পুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বর বাবুল আলীর নিকট হস্তান্তর করেন । পরে মেম্বর বাবুল আলী ওই ছাত্রীকে তাদের বাবা- মার কাছে বুঝিয়ে দেন । এর পরের দিন সালাউদ্দিন হুজুর ২০/৩০ জন অজ্ঞাত লোকজনকে সাথে নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাড়ীতে এসে শিক্ষার্থীকে উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন । এসময় শিক্ষার্থীর বাবা বাড়ীতে না থাকায় শিক্ষার্থীর মা ও নানি তাদের বাধা দেন । তাদের বাধা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীর নানি আহত হন । এসময় তাদের ডাক চিৎকার শুনে  প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে   সালাউদ্দিন হুজুর ও তার লোকজন ২৪ ঘণ্টার ভিতর ওই শিক্ষার্থীকে পুনরায় তুলে নিয়ে যাবেন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রানে মেরে ফেলবেন বলে হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন । এর পরে শিক্ষার্থীর মা ও নানী শিক্ষার্থীকে নিয়ে প্রানের ভয়ে রাতের অন্ধকারে এলাকা ছেড়ে তাদের এক আত্মীয়র বাড়ীতে গিয়ে আশ্রয় নেন । সেখান থেকে মোবাইলের মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য কয়েকজনকে বিষয়টি জানান । তারপর তারা পুনরায় থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন । এদিকে সালাউদ্দিন হুজুর ও তার লোকজন ওই শিক্ষার্থীর পরিবারকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন এবং থানার আশেপাশে অবস্থান নেন বলে জানান, শিক্ষার্থীর মা । তখন তারা নিরাপত্তাহীনতায়র কারনে থানায় জেতে পারেননি । এই ভাবে সপ্তাহ খানেক অতিবাহিত হলে সুযোগ বুঝে গত ৩০শে জুন শিক্ষার্থীর মা- নানী ও তাদের এক আত্মীয় শিবগঞ্জ থানা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে গিয়ে বিষয়টি জানান । এর পরে সেখান থেকে তাদের থানায় গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দিয়ে পাঠিয়ে দেন । পরে তারা পুনরায় থানায় গিয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে দেখা করেন এবং ধর্ষণ আইনে মামলা করতে চান । কিন্তু থানার অফিসার ইন চার্জ ( ওসি ) তাদের মামলা না নিয়ে তাদের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেন । এর দুইদিন পরে শিবগঞ্জ থানার এ এস আই স্বপন কুমার সঙ্গীয় ফোর্সসহ ওই শিক্ষার্থীর বাড়ীতে এসে শিক্ষার্থীকে খোঁজাখুঁজি করেন । এসময় শিক্ষার্থীর মা তার মেয়েকে খোঁজাখুঁজির কারন জানতে চাইলে এ এস আই স্বপন কুমার জানান, সালাউদ্দিন হুজুর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাই তারা ওই শিক্ষার্থীকে খুঁজছেন । পরে পুলিশ শিক্ষার্থীকে বাড়ীতে না পেয়ে তার পরিবারকে ৩ দিনের ভিতর ওই শিক্ষার্থীকে হাজির করার জন্য আল্টিমেটাম দিয়ে চলে যান ।  পরে শিক্ষার্থীর পরিবার কোন উপায়ন্ত না পেয়ে ৬ই জুলাই ২০২৬ইং তারিখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে গিয়ে ধর্ষণ আইনে একটি মামলা দ্বায়ের করেন যার মামলা নং -৩/২০২৬ইং
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে উক্ত বিষয়ে নিকটতম থানায় মামলাটি না নেওয়ার কারন জানতে চেয়ে থানার ওসিকে আগামি ২০ই জুলাই ২০২৬ইং তারিখের ভিতর লিখিত ভাবে জবাব দেওয়ার জন্য আদেশ দেন  ।
উপরোক্ত বিষয়ে জানতে সালাউদ্দিন হুজুরের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় ।

Share this news as a Photo Card