ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মুক্তাগাছায় শ্বাশুড়ি হত্যার অভিযোগে মেয়ের জামাই গ্রেপ্তার 

এস এম আকাশ 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:২০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / ৭৪ বার পঠিত
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শ্বাশুড়ি হত্যার অভিযোগে মেয়ের জামাই মনির হোসেন (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১ মে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বাশুড়ি ফজিলা বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে মনির। রোববার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ১লা মে রাত ২টার দিকে মনির হোসেন তার শ্বশুর বাড়ি মুক্তাগাছা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামে গিয়ে ঘুমন্ত স্ত্রী রুমা আক্তারকে কপালে, বাম কানের উপরে ও বাম হাতে পরপর তিনবার ছুরিকাঘাত করে। এসময় তার ডাক চিৎকারে মা ফজিলা বেগম বাধা দিলে মনির তার হাতে থাকা রক্তমাখা চাকু দিয়ে ফজিলা বেগমকে পেটে বরাবর উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। আশেপাশের লোকজন রুমা ও তার মা ফজিলা বেগমকে উদ্ধার করে প্রথমে মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফজিলা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এঘটনায় নিহতের মেয়ে তাসলিমা আক্তার ওইদিন বিকেলে মুক্তাগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মনিরকে গ্রেপ্তার করেন।
এ বিষয়ে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ঘাতক জামাতা মনির তার স্ত্রী রুনা ও শ্বাশুড়ি ফজিলা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে শ্বাশুড়ি মারা যান। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মনির তার পরিচয় গোপন করে কুমিল্লা জেলার সদর থানাধীন কোটবাড়ী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। পিবিআই ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক টিম তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করে। এ হত্যাকান্ডে আরো কারো সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হত্যার দায় স্বীকার করে মনির আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। পরে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মুক্তাগাছায় শ্বাশুড়ি হত্যার অভিযোগে মেয়ের জামাই গ্রেপ্তার 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:২০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শ্বাশুড়ি হত্যার অভিযোগে মেয়ের জামাই মনির হোসেন (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১ মে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বাশুড়ি ফজিলা বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে মনির। রোববার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ১লা মে রাত ২টার দিকে মনির হোসেন তার শ্বশুর বাড়ি মুক্তাগাছা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামে গিয়ে ঘুমন্ত স্ত্রী রুমা আক্তারকে কপালে, বাম কানের উপরে ও বাম হাতে পরপর তিনবার ছুরিকাঘাত করে। এসময় তার ডাক চিৎকারে মা ফজিলা বেগম বাধা দিলে মনির তার হাতে থাকা রক্তমাখা চাকু দিয়ে ফজিলা বেগমকে পেটে বরাবর উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। আশেপাশের লোকজন রুমা ও তার মা ফজিলা বেগমকে উদ্ধার করে প্রথমে মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফজিলা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এঘটনায় নিহতের মেয়ে তাসলিমা আক্তার ওইদিন বিকেলে মুক্তাগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মনিরকে গ্রেপ্তার করেন।
এ বিষয়ে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ঘাতক জামাতা মনির তার স্ত্রী রুনা ও শ্বাশুড়ি ফজিলা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে শ্বাশুড়ি মারা যান। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মনির তার পরিচয় গোপন করে কুমিল্লা জেলার সদর থানাধীন কোটবাড়ী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। পিবিআই ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক টিম তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করে। এ হত্যাকান্ডে আরো কারো সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হত্যার দায় স্বীকার করে মনির আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। পরে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।